জহির রায়হানের শেষ দিনগুলো
বিজয়ের একদিন পর ১৭ ডিসেম্বর ভারত থেকে দেশে ফেরার পর ২৫ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক জহির রায়হান বলেছিলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পেছনের নীল নকশা উদঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বহু নথিপত্র এখন তার হাতে। তিনি শিগগির তা উদঘাটন করবেন।
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মোহাম্মদ শাহজাহান ওমর ছিলেন ৯ নম্বর সেক্টরের টাকি সাব সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ত্যাগ ও বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৮।
৩০ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মেহবুবুর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট মেহবুবুর রহমান ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে নির্ভয়পুর সাব সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ১৯।
২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবদুল গাফফার হালদার,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবদুল গাফফার হালদার ছিলেন মন্দভাগ সাব সেক্টরের কমান্ডার। পরে তিনি কে ফোর্সের অধীনে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডার নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৭।
২৭ জানুয়ারি ২০২২, ০১:১৮ অপরাহ্ন
রাধা বিনোদ পাল: আজও যে বাঙালিকে কৃতজ্ঞচিত্তে সম্মান জানায় জাপানিরা
কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত শালিমপুর গ্রামের রাধা বিনোদ পালের ভাস্কর্য আজ সদর্পে দাঁড়িয়ে জাপানের কিয়োটো শহরে। কেবল ভাস্কর্যই নয় তার নামে আছে রাস্তা, গড়া হয়েছে জাদুঘর। তার নামে আছে রাজধানী টোকিওতে সুপ্রশস্ত রাজপথ। সম্রাট হিরোহিতো তাকে ভূষিত করেছেন জাপানের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘কোক্কা কুনশোও’ পদকে।
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: এ জে এম আমিনুল হক,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে এ জে এম আমিনুল হক ছিলেন অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ১৩।
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ছিলেন ১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১১।
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
ঢাকায় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু
‘নেতাজী’। তিন অক্ষরের এই পদবীটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মসনদ কাঁপানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিৎস উইলিয়াম হল থেকে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে তিনি হয়েছিলেন চতুর্থ অথচ ইংরেজ প্রশাসনের চাকরি করবেন না বলে নিয়োগপত্র পাওয়ার পরই পদত্যাগ করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। ফিরে আসেন ভারতে। যোগ দেন স্বাধীনতার সংগ্রামে।
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে আবু তাহের মোহাম্মদ হায়দার প্রথমে ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের সহ-অধিনায়ক। পরে ২ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৬।
২০ জানুয়ারি ২০২২, ০২:১৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: হারুন আহমেদ চৌধুরী, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে হারুন আহমেদ চৌধুরী ছিলেন অগ্রভাগের সৈনিক। তার অসামান্য নেতৃত্বে কাপ্তাই থেকে গড়ে উঠেছিল প্রতিরোধ যুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৫।
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ খাজা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন ৪ নম্বর সেক্টরের জামালপুর সাব সেক্টরের সেকেন্ড ইন কমান্ড। পরবর্তীতে তিনি এই সাব সেক্টরের কমান্ডারও হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও অসীম আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীরত্বের স্বীকৃতিসূচক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র বেসামরিক শহীদ মুক্তিযোদ্ধা যিনি বীর উত্তম খেতাব পেয়েছেন। বীরউত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১৪।
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবদুস সালেক চৌধুরী,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে আবদুস সালেক চৌধুরী ছিলেন ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে সালদা নদী সাব সেক্টরের কমান্ডার। অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ১২।
১৬ জানুয়ারি ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
রণেশ দাশগুপ্ত: মহাকালের আজন্ম বিপ্লবী
তার জীবনকে বলা যায় সংগ্রাম বা বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি। যে জীবন কেবলই সংগ্রামের। বলা হয়, মানুষ জীবনের দুটি পিঠই দেখে, কিন্তু রণেশ দাশগুপ্তের জীবন মুদ্রার এক পিঠ। যার সংগ্রাম কখনো শেষ হয়নি।
১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: এ এন এম নূরুজ্জামান,বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে এ এন এম নূরুজ্জামান ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন। তার সনদ নম্বর ১০।
১৪ জানুয়ারি ২০২২, ০১:০৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবু তাহের, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবু তাহের ছিলেন ১১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৯। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
১৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর ছিলেন ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৮।
১২ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে খালেদ মোশাররফ ছিলেন ২ নম্বর সেক্টর এবং কে ফোর্সের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীরউত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৭।
১১ জানুয়ারি ২০২২, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মীর শওকত আলী, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মীর শওকত আলী ছিলেন ৫ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার। অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ৬।
১০ জানুয়ারি ২০২২, ০২:৫১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: কাজী নুরুজ্জামান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে কাজী নুরুজ্জামান ছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধের ২৬ সেপ্টেম্বর ৭ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক ভারতে এক সড়ক দুর্ঘটনা মারা যাওয়ার পর কর্নেল নুরুজ্জামানকে এই সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার ক্রম ৫। যদিও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান কৃতিত্ব গণমানুষের, এই যুক্তিতে আজীবন অটল থেকে কাজী নুরুজ্জামান অবশ্য বীর উত্তম উপাধি গ্রহণ করেননি, কোথাও এই উপাধি তিনি ব্যবহারও করেননি।
৯ জানুয়ারি ২০২২, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধে মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের কারণে তিনি পেয়েছেন বীর উত্তম খেতাব। তার খেতাবের সনদ নম্বর ৩।
৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:৩০ অপরাহ্ন