বাড্ডায় ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু: মামলার পর শিক্ষক গ্রেপ্তার, ছেড়ে দেওয়া হলো সহপাঠীকে

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সুদীপ চক্রবর্তী ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

আজ রোববার সন্ধ্যায় বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. নাসিরুল আমিন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

ওসি বলেন, ‘নিহতের বাবা গোলাম মোস্তফা আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করার পর ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।’

এর আগে, পুলিশ হেফাজতে ছিলেন ওই শিক্ষক ও নিহতের এক সহপাঠী।

‘পরিবারের পক্ষ থেকে সহপাঠীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে,’ বলেন ওসি।

আজ সকালে ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর মৃত্যুর খবর পান শিক্ষক ও সহপাঠীরা।

মিমো রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় তার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন।

বিভাগের চেয়ারপারসন কাজী তামান্না হক সিগমা ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে আমরা তার মৃত্যুর খবর পাই। এরপর বিভাগের শিক্ষকরা তার বাসায় যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘মিমোর রেখে যাওয়া একটি চিরকুটের ভিত্তিতে আমাদের এক শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এ কারণে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে। একইসঙ্গে তার এক সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে।’

ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ ডেইলি স্টারকে জানিয়েছিলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সন্দেহ করা হচ্ছে—বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর সম্পর্ক থাকতে পারে। মামলার অগ্রগতি ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’