রামিসা হত্যা: একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, কাল আসামিদের আত্মপক্ষ ও যুক্তিতর্ক শুনানি
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের পর প্রথম দিনের শুনানিতে ১৬ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিন সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেন।
আগামীকাল বুধবার আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের ও যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারক।
ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ সাক্ষ্য দেওয়া ১৬ জনের মধ্যে রামিসার মা-বাবা ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও রয়েছেন।
এর আগে, গতকাল সোমবার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।
আজ শুনানির আগে সকালে সোহেল ও স্বপ্নাকে আদালতের হাজতখানা থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুসা কলিমুল্লাহ রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে আসামিদের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী সোহেল রানা। পরে শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করা হয়।
পরদিন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা প্রতিবেশী সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তিকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন।
২৪ মে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও আলামত নষ্টের অভিযোগ এবং স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে আলামত নষ্ট ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
অভিযোগপত্র দাখিলের কয়েক ঘণ্টা পরই সিএমএম আদালত মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করেন।

