শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায়ের জন্য আগামী ৭ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ বৃহস্পতিবার প্রসিকিউশন ও বিবাদী পক্ষের যুক্তি শোনার পর এই তারিখ নির্ধারণ করেন শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।

বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ।

মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩১) ও তার স্ত্রী তথা সহযোগী আসামি স্বপ্না খাতুন (২৬) শুনানির সময় আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

শুনানির জন্য তাদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানা থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছিল।

গত সোমবার ট্রাইব্যুনাল এই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর পরদিনই সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

মামলার ১৬ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন- শিশুটির বাবা-মা, বড় বোন, তিনজন প্রতিবেশী, একজন চিকিৎসক, একজন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্তকারী কর্মকর্তা।

গত ২৪ মে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এতে সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও আলামত নষ্ট করার এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে আলামত নষ্ট ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। একই দিন আদালত মামলাটি বিচারের জন্য শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করেন।

গত ১৯ মে সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার মাথাবিহীন দেহ ও পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের একদিন পর নিহতের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা করেন। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।