বৈরি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, ‘আমরা একটা বৈরি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে এই মুহূর্তে অবস্থান করছি। এই পরিস্থিতির কারণে আমাদের সামনে অনেকগুলো নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা সবাই এগুলো জানেন। জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে আমদানি, নানা বিষয় মানুষের জীবনযাপনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে। এই মুহূর্তে আমাদের দরকার ধৈর্য ও ঐক্য।’

আজ শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের একটি রেস্তোরাঁয় গণসংহতি আন্দোলনের ইফতার আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন দলটির জেলা কমিটির সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান প্রমুখ।

সাকি বলেন, ‘বর্তমান সরকার এই বৈরি পরিস্থিতির মধ্যে কীভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, সেই ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ আছে এবং সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকার বাংলাদেশকে গড়ে তোলার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ বিরোধী দলও আছে। সবাইকে সম্মিলিত ভাবেই দেশটা গড়ে তুলতে হবে। এটা কারো একক কাজ নয়। সেইটা যদি আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশের সামনে যেমন অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, তেমনি আবার অপার সম্ভাবনাও আছে।’

‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ডের’ মতো বর্তমান সরকারের কয়েকটি অঙ্গিকার তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে স্বস্তি দেওয়া সরকারের প্রথম লক্ষ্য। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে দেশটাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা সরকার করছে।’

গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন হওয়া দেড় দশকের আওয়ামী লীগের শাসনামলে গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই লড়াইয়ের দিশা খুব স্পষ্ট ছিল। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রকে যে জায়গায় নিয়ে গেছে, তাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি আর সম্ভব ছিল না। যে দেশে মানুষের অধিকার কার্যকর থাকে না, সেই দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। কাজেই এই রাষ্ট্র ব্যবস্থাটা বদলে ফেলতে হবে।’