গাজীপুরে ৪৪৪ কারখানা ছুটি, মহাসড়কে বাড়ছে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ
গাজীপুরে শিল্পকারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বাড়তে শুরু করেছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরেজমিনে গাজীপুরের বিভিন্ন মহাসড়কে ভিড় দেখা গেছে। সন্ধ্যার পর থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, আজ মঙ্গলবার জেলার ৪৪৪টি ও গতকাল সোমবার ৬২টি কারখানা ছুটি হয়েছে।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার আরও প্রায় দুই হাজারের বেশি কারখানা ছুটি হবে। তবে ৮১টি কারখানা আংশিক খোলা থাকবে।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মহানগরের বাসন সড়ক এলাকায় দেখা যায়, ছুটি পেয়ে বাড়ি ফিরতে বাসের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন শ্রমিকরা। সময় যত গড়াচ্ছে সড়কে যানবাহনের অপেক্ষায় যুক্ত হচ্ছে আরও শ্রমিক।
কলম্বিয়া পোশাক কারখানার শ্রমিক মশিউর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ময়মনসিংহে গ্রামের বাড়ি যাব। আগে টিকিট করিনি। এখন বাসে ওঠার চেষ্টা করছি।'
হেমস কারখানার শ্রমিক শাহনাজ পারভীন বলেন, 'দুপুর ১২টায় কারখানা ছুটি হওয়ার পর বাসায় গিয়ে ব্যাগ নিয়ে বাসস্ট্যান্ডে আসি। আমরা তিনজন একসঙ্গে যাব। বাস কম, অপেক্ষা করছি।'
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। বিকেল ৩টার পর থেকে সড়কে যেন যাত্রীদের ঢল নামতে শুরু করে।
নাওজোর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওগাত উল আলম ডেইলি স্টারকে জানান, দুপুরের পর থেকে মহাসড়কে যাত্রীর চাপ বাড়ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদারে ৬টি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং ৪টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে বলে জানান তিনি।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও যাত্রীর চাপ বেড়েছে বলে মাওনা হাইওয়ে পুলিশের ওসি কামরুজ্জামান জানিয়েছেন।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন ডেইলি স্টারকে জানান, জেলার মোট ২ হাজার ৮৩৪টি কারখানার মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ কারখানা শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেছে। বাকি কারখানাগুলোতে মার্চের আংশিক বেতন দেওয়া হয়েছে।
