বাসযোগ্যতা সূচকে ১৭৩ শহরের মধ্যে ঢাকা ১৭১তম
প্রতি বছরের মতো এবারও ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) ‘বৈশ্বিক বাসযোগ্যতা সূচক’প্রকাশ করেছে।
স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা ও অবকাঠামোর মতো সূচকের আলোকে বিশ্বের ১৭৩টি শহর নিয়ে এই জরিপ করা হয়।
বাসযোগ্যতার সূচকে দেখা গেছে, বিশ্বে বসবাসের যোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান অপরিবর্তিত আছে।
২০২৫ সালের মতো এ বছরও ১৭১তম অবস্থানে আছে ঢাকা।
সূচক মতে, ঢাকার পর শেষ দুই অবস্থানে আছে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি (১৭২) ও সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক (১৭৩)।
বাসযোগ্যতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মোট স্কোর ৪২।
গত কয়েক বছরের তথ্য থেকে দেখা যায়, ধারাবাহিকভাবে তালিকার তলানিতে ঢাকার অবস্থান।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তালিকায় থাকা চীন ও জাপানের শহরগুলোতে সূচকের উন্নয়ন উল্লেখযোগ্য।
যার ফলে সার্বিকভাবে এশিয়ার শহরগুলোর গড় স্কোর বেড়েছে শুন্য দশমিক তিন। আর কোনো অঞ্চল এক বছরের ব্যবধানে এতোটা সামনে আগাতে পারেনি। এশিয়ার ৫৮টি শহরের গড় স্কোর এখন ৭৩ দশমিক ৯, যা পূর্ব ইউরোপের চেয়েও বেশি।
তবে ঢাকার মতো ‘সবচেয়ে অনুন্নত শহরগুলোর’ ধারাবাহিক কম স্কোরের কারণে গড় স্কোর কমে গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
তালিকায় পাঁচ শহর হলো ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন, ভিয়েনা, মেলবোর্ন, সিডনি ও জুরিখ।
বিবিসির প্রতিবেদন মতে, এই তালিকায় ইউরোপের শহরগুলোর আধিপত্যের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিক ভালো পারফরমন্যান্স প্রতিফলিত হয়েছে।
টানা দুই বছর ধরে তালিকার শীর্ষে আছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। শহরটি স্থিতিশীলতা, শিক্ষা ও অবকাঠামোয় ১০০ তে ১০০ পেয়েছে। পাশাপাশি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ স্কোরেও উপরের দিকেই ছিল এই শহরটির অবস্থান।
তালিকার তলানিতে থাকা শহরগুলো হলো তেহরান, হারারে, কিয়েভ, পোর্ট মোর্সবি, লাগোস, আলজিয়ার্স, করাচি, ঢাকা, ত্রিপলি ও দামেস্ক।
বিস্ময়করভাবে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মতো যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরও ঢাকা থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে।

