কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণে শিশু আহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কুড়িয়ে পাওয়া একটি ককটেল বিস্ফোরণে এক শিশু আহত হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানাধীন পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের ফেদুল্লা বেপারী কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিশু কামরুল হাসান (১৪) জাজিরা উপজেলার ফেদুল্লা বেপারী কান্দি এলাকার রাজ্জাক বেপারীর ছেলে ও স্থানীয় নাওডোবা দড়িকান্দি হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।

পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে স্কচটেপ প্যাঁচানো একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে কামরুল ও তার সহপাঠী জুনায়েদ। সেসময় জুনায়েদ এটি খেলনা বল মনে করে হাতে নেয়। এ সময় জুনায়েদের দাদি নাসিমা বস্তুটি ককটেল বুঝতে পেরে খেলতে মানা করেন। পরে জুনায়েদ ককটেলটি ছুঁড়ে ফেলে দেয়। এসময় বিস্ফোরণে কামরুল আহত হয়।’

জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়ন। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কামরুলকে ঢাকায় পাঠান দেন চিকিৎসক। পরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা আরও দুটি ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ।

এসআই সাইদুজ্জামান বলেন, ‘ককটেলগুলো কীভাবে এই এলাকায় এলো আমরা তা এখনো খুঁজে বের করতে পারিনি। পাশের বিলাসপুর ইউনিয়নে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও আমার জানা মতে, গত এক বছরে এই এলাকায় কখনো ককটেল বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটেনি।’

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশের একটি দল কাজ করছে বলেও জানান এসআই।

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর জাজিরা উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি এলাকায় ফারুক ছৈয়ালের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রান্নাঘরে মজুত করে রাখা এ ককটেল বিস্ফোরণে ফারুকের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪৫) আহত হন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি একই উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের ব্যাপারীকান্দি গ্রামে বোমা বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হন।