জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ৮ দিনের কর্মসূচি
প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
আজ সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথসভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি যৌথসভায় সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল উপস্থিত ছিলেন।
রিজভী বলেন, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, পোস্টার প্রকাশ, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে।
তিনি জানান, ঈদুল আজহা মাঝামাঝি সময়ে পড়ায় কোনো কর্মসূচি দু-একদিন পিছিয়ে আয়োজন করা হলেও তাতে সমস্যা হবে না।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।
একইদিন সকাল ১১টায় দলের মহাসচিব, জ্যেষ্ঠ নেতা ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাজার জিয়ারত করবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান রিজভী।
৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
রিজভী বলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় দুস্থদের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি সারা দেশে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
তিনি জানান, ছাত্রদল, কৃষক দল, ওলামা দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করবে।
এর আগে অনুষ্ঠিত যৌথসভায় দলের যুগ্ম মহাসচিবরা, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নেতারা এবং কেন্দ্রীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি নিহত হন।