কেউ বাউন্সার মারলে আমি তাকে ছেড়ে কথা বলবো না: নাহিদ
সংবাদ সম্মেলনে একটু আগেভাগেই চলে এলেন নাহিদ রানা। এসে যেন কিছুটা অপ্রস্তুত, কারণ ব্রডকাস্টারদের ক্যামেরাপারসন তখনো এসে হাজির হননি। বল হাতে নাহিদের যতটা ঝাঁজ, এমনিতে কথাবার্তায় তার বিপরীত। আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে তাকে গালগল্পে খুব একটা মজানো গেল না। বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তরেই থাকলেন শান্ত, তবে বাউন্সারের প্রসঙ্গ আসতেই হাসিমুখে জানিয়ে দিলেন কড়া বার্তা।
মিরপুর টেস্টে দুরন্ত স্পেলে বাংলাদেশকে জিতিয়েছিলেন তরুণ পেসার। সিলেটে এসেও তেজ জারি রেখেছেন। বাবর আজমের উইকেটসহ পাকিস্তানকে ২৩২ রানে আটকে দিতে ৬০ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
মিরপুর টেস্টে ব্যাট করতে নেমে শাহীন আফ্রিদির বাউন্সার খেয়েছিলেন তিনি, পরে বল হাতে শাহীনকে পাল্টা বাউন্সারে কাবু করে বুঝিয়ে দেন জবাব। সিলেটে তাকে আর কেউ বাউন্সার মারেনি। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত সেই টেস্টে মজা করে বলেছিলেন, 'আমি হলে নাহিদকে কখনোই বাউন্সার মারতাম না, কারণ এত জোরে বাউন্সার খাওয়ার শখ নেই আমার।'
ওই প্রসঙ্গেই জানতে চাওয়া হলে মুখচোরা স্বভাব থেকে বেরিয়ে নাহিদ দেখালেন ঝাঁজ, 'বাউন্সার দিতে ভাববে কিনা জানি না, তবে এতটুকু বলতে পারি, আমাকে কেউ বাউন্সার মারলে আমি তাকে ছেড়ে কথা বলবো না, এইটা বলতে পারি।'
বাবর আজম আর সালমান আলি আঘার জুটিতে এদিন প্রতিরোধ গড়ে এগিয়ে যাচ্ছিল পাকিস্তান। লাঞ্চের পর মহা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসে বাবরকে ফিরিয়ে দেন তিনি। এই নিয়ে বাবরকে পাঁচ দেখায় তিনবার আউট করলেন। তবে এই উইকেট আলাদা করে দেখতে রাজি নন তিনি, 'আসলে প্রত্যেকজন ব্যাটসম্যানকে আউট করতে মজা লাগে। কারণ প্রত্যেকটা উইকেটই আমার জন্য ও আমার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি একজন ব্যাটসম্যানকে বলে-কয়ে আউট করতে পারবেন না যে, এই ব্যাটসম্যানটা ভালো ব্যাটসম্যান কিংবা ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটের বড় নাম, আপনি কখনো বলে-কয়ে আউট করতে পারবেন না। আমি জাস্ট আমার প্রসেসের মধ্যে থাকার চেষ্টা করি এবং চেষ্টা করি যে কেমনে আমার প্ল্যান এক্সিকিউট করে আমার দলকে হেল্প করা যায়।'