২০৭ রানের পুঁজি নিয়ে জিততে পারবে বাংলাদেশ?

By স্পোর্টস ডেস্ক

তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে শনিবার টস হেরে আগে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ দল। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের মন্থর ও বোলিংবান্ধব উইকেটে ৪৯.৪ ওভারে ২০৭ রানে অলআউট হয়েছে তারা। এই সংস্করণে এর চেয়ে কম পুঁজি নিয়েও জেতার অভিজ্ঞতা আছে টাইগারদের— দুবার এই মাঠেই, আরেকবার এডিনবার্গে।

২০১০ সালের অক্টোবরে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে ৩ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। তাদের ১৭৪ রানের জবাবে কিউইরা গুটিয়ে গিয়েছিল ১৭১ রানে। ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সে পেসার রুবেল হোসেন ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ২৫ রানে। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে নিজেদের সর্বনিম্ন পুঁজি নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের এই রেকর্ডটি টিকে আছে দেড় দশক ধরে।

আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অভিষেক হয়েছিল ১৯৯৯ সালের আসরে। সেবার এডিনবার্গে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ১৮৫ রান করে ২২ রানের ব্যবধানে জিতেছিল তারা। স্কটিশরা গুটিয়ে গিয়েছিল ১৬৩ রানে। ১১৬ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

ভারত ও শ্রীলঙ্কার সাথে ২০১১ সালের বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। ওই আসরে মিরপুরে লো স্কোরিং ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২৭ রানের জয় পেয়েছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। তাদের ২০৫ রানের জবাবে আইরিশরা অলআউট হয়েছিল ১৭৮ রানে। তামিম ইকবাল ৪৩ বলে ৪৪ রান করে ম্যাচসেরা হলেও পেসার শফিউল ইসলাম ২১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বড় অবদান রেখেছিলেন।

এদিন ব্যবহৃত কালো মাটির পিচে পুরো ওভার কাটানোই ভীষণ মুশকিল! সাবধানতায় খেললেও সেটা করতে না পেরে ২ বল বাকি থাকতে অলআউট হয় টাইগাররা। 

স্বাগতিকদের পক্ষে ফিফটি ছুঁয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন তাওহিদ হৃদয়। তার ৯০ বলের ইনিংসে চার তিনটি। অভিষেক ওয়ানডে খেলতে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন করেন ৭৬ বলে ৪৬ রান। নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ৬৩ বলে ৩২ রান। শেষদিকে রিশাদ হোসেন ২৬ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেললে দুইশ পেরোতে পারে বাংলাদেশ। তিনি ১৩ বল মোকাবিলায় মারেন দুটি চার ও একটি ছক্কা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জেইডেন সিলস তিনটি এবং রোস্টন চেইস ও জাস্টিন গ্রিভস দুটি করে শিকার ধরেন। এছাড়া, খ্যারি পিয়েরে ও রোমারিও শেফার্ড একটি করে উইকেট নেন। বাকিটি রানআউট।