দল চালাতে অপারগ ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক, চট্টগ্রামের দায়িত্ব নিল বিসিবি

By ক্রীড়া প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকপক্ষ দল পরিচালনার দায়িত্ব থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করেছে। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বলে বৃহস্পতিবার বিসিবি থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিসিবির পরিচালক এবং বিপিএল গভর্নিং বডির সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আধা ঘণ্টা আগে আমরা একটি চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে তারা বলেছে যে, সংবাদমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার কারণে তারা দল পরিচালনার জন্য স্পন্সর পেতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই তারা টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'আমরা ইতিমধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দায়িত্ব নিয়েছি। বর্তমানে আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করছি।'

বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটি থেকে পদত্যাগ করে হাবিবুল বাশার সুমন এখন বিসিবির হয়ে চট্টগ্রামের ফ্র্যাঞ্চাইজির টিম ডিরেক্টর হয়েছেন। দলটির প্রধান কোচ হয়েছেন মিজানুর রহমান বাবুল ও ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করবেন নাফীস ইকবাল। 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরের ফ্র্যাঞ্চাইজি স্বত্ব ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান 'ট্রায়াঙ্গেল সার্ভিসেস লিমিটেড' পাওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নিয়ে নানা জল্পনা ও স্ক্রুটিনি চলছিল।

যদিও তারা সময়মতো তাদের অংশগ্রহণের ২ কোটি টাকা জমা দিয়েছিল, কিন্তু ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদান করতে বেশ কয়েকবার তারিখ করে।

পরবর্তীতে গত ৯ ডিসেম্বর বোর্ড একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, চট্টগ্রাম রয়্যালস তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি সম্পূর্ণ পরিশোধ করেছে। এছাড়া ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অনুমোদিত আর্থিক দলিলের মাধ্যমে নির্ধারিত ব্যাংক গ্যারান্টির টাকাও জমা দিয়েছে।

এদিকে, আগামীকাল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে উদ্বোধনী দিনে ম্যাচ নির্ধারিত থাকলেও তারা এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে আসতে পারেনি। এমনকি তারা কয়েক দফা তাদের কোচিং প্যানেলও পরিবর্তন করেছে।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই অনেক বিদেশি খেলোয়াড় শেষ মুহূর্তে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য টুর্নামেন্ট শুরুর আগে খেলোয়াড়দের ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধ করার যে নিয়ম রয়েছে, চট্টগ্রাম সেটিও এখনো সম্পন্ন করতে পারেনি। এই অবস্থায় বিসিবির দায়িত্ব নেওয়া ছাড়া বিকল্প ছিলো না।