‘আমরাই ফাইনালের যোগ্য ছিলাম’, আক্ষেপ নিয়ে বললেন রাফিনহা
মাঠের লড়াইয়ে বার্সেলোনা জিতেছে ৩-০ গোলে। কিন্তু দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কোপা দেল রে-র ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের খুব কাছে গিয়েও এভাবে ছিটকে পড়াকে 'দুর্ভাগ্য' হিসেবেই দেখছেন বার্সা তারকা রাফিনহা।
প্রথম লেগের ৪-০ ব্যবধানের হার ঘুচিয়ে মঙ্গলবার রাতে ক্যাম্প ন্যু-তে প্রায় অসাধ্য সাধন করে ফেলেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১ গোলের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।
ম্যাচ শেষে নিজের প্রতিক্রিয়ায় রাফিনহা দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করে বলেন, ‘আমরা জানতাম কাজটা কতটা কঠিন হবে। ৪-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর সেখান থেকে ফিরে আসা মোটেও সহজ নয়। তবে আমি আমার দলের জন্য গর্বিত, কারণ আমরা মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি।’
ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে বার্সার জয়ের ব্যবধান বাড়িয়েছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। কিন্তু ফাইনালে যেতে না পারার কষ্ট তাকে পোড়াচ্ছে।
তার মতে, মাঠের পারফরম্যান্স অনুযায়ী জয়টা তাদেরই প্রাপ্য ছিল। রাফিনহা যোগ করেন, ‘আমরা আজ অত্যন্ত হতাশ। কারণ আমাদের লক্ষ্য ছিল ফাইনালে যাওয়া। পুরো ম্যাচে আমরা যেভাবে খেলেছি, তাতে আমার মনে হয় আজ আমরাই ফাইনালের যোগ্য দাবিদার ছিলাম। তবে আমাদের অ্যাটলেটিকোকেও সম্মান করতে হবে। তারা দারুণ একটি দল এবং নিজেদের লিড রক্ষা করতে তারা ভালো রক্ষণ সামলেছে।’
রোমাঞ্চকর এক লড়াই
ম্যাচের শুরু থেকেই বার্সেলোনা চড়াও হয়ে খেলতে থাকে। ১৮ বছর বয়সী লামিন ইয়ামালের পাস থেকে গোল করে বার্সাকে প্রথম লিড এনে দেন আরেক তরুণ মার্ক বার্নাল। বিরতির ঠিক আগে পেদ্রিকে বক্সের ভেতর ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় বার্সা। সফল স্পট-কিকে মুসোকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-০ করেন রাফিনহা।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্নাল নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে গ্যালারিতে উত্তেজনার পারদ চরমে পৌঁছায়। বার্সার তখন প্রয়োজন ছিল আর মাত্র একটি গোল। শেষ দিকে রক্ষণভাগের ফুটবলারদের আক্রমণে পাঠিয়েও সেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কাতালানরা।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ২০১৩ সালের পর এই প্রথম প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছাল। আগামী ১৮ এপ্রিল সেভিলের ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়েদাদ অথবা অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের।