তারকাদের ভিড়ে 'স্বস্তি' হাভার্টজের

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের আগে জার্মানির আক্রমণভাগ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। একাধিক তারকা ফুটবলারের উপস্থিতিতে প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়া নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকলেও ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজের মতে, বিষয়টি প্রতিদ্বন্দ্বিতার নয়, বরং দলগত সাফল্যের।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর দলের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে কথা বলেন হাভার্টজ। তিনি জানান, দলে এত বেশি মানসম্পন্ন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় থাকা আসলে জার্মানির জন্য আশীর্বাদ।

জার্মান কোচ জুলিয়ান নাগেলসমানের হাতে রয়েছে ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, জামাল মুসিয়ালা, নিক ভোল্টেমাডে, লেনার্ট কার্ল, লেরয় সানে এবং হাভার্টজের মতো একাধিক আক্রমণাত্মক অস্ত্র। ফলে একাদশ নির্বাচন নিয়ে কোচকে যেমন ভাবতে হচ্ছে, তেমনি প্রতিপক্ষের জন্যও বাড়ছে দুশ্চিন্তা।

হাভার্টজ বলেন, “আমাদের আক্রমণভাগে অনেক বিকল্প রয়েছে। এটি খুব ভালো একটি সমস্যা। দলে কম ভালো খেলোয়াড় থাকার চেয়ে বেশি ভালো খেলোয়াড় থাকা অনেক ভালো।”

গত সপ্তাহে আর্সেনালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলায় ব্যস্ত থাকায় ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ছিলেন না হাভার্টজ। সেই ম্যাচে ভিরৎস, মুসিয়ালা, ১৮ বছর বয়সী কার্ল এবং দেনিজ উনদাভকে নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ ৪-০ গোলের জয় এনে দেয় জার্মানিকে।

বিশেষ করে দুই গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করা উনদাভের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তাকে নিয়ে প্রতিযোগিতার প্রসঙ্গ উঠলেও হাভার্টজ সেটিকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন।

তিনি বলেন, “তার পরিসংখ্যানই তার সামর্থ্যের প্রমাণ। জাতীয় দলে সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। আমরা খেলোয়াড়রাও সেটা জানি। কেউ কাউকে ভয় পায় না। আমাদের সবাইকে একসঙ্গে দল হিসেবে কাজ করতে হবে। এই টুর্নামেন্টে প্রত্যেকেরই প্রয়োজন হবে।”

২০১৪ সালে ব্রাজিলে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর আর কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জিততে পারেনি জার্মানি। ২০১৮ ও ২০২২ দুই বিশ্বকাপেই প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

সেই হতাশার অধ্যায়ের ইতি টানতেই এবার মাঠে নামছে জার্মানি। বিশ্বকাপ শুরুর আগে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা। ‘ই’ গ্রুপে থাকা জার্মানি ১৪ জুন কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। এরপর তাদের প্রতিপক্ষ আইভরি কোস্ট ও ইকুয়েডর।