মণিশংকর মুখোপাধ্যায়

মণিশংকর থেকে শুধুই শংকর: চাকরির গ্লানি থেকে রূপালি পর্দায়

জীবিকার খোঁজে মরিয়া হয়ে ঘোরা এক ব্যক্তির যাত্রা বিভিন্ন পেশার দ্বারপ্রান্তে নিজেকে আবিষ্কার করায়, আর সে যাত্রায় চাকরি লাভ করা যে শুধুমাত্র একটি মাইলফলক ছাড়া কিছু নয়—তাও বোঝা যায়।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন

ঝাড়বাতির আলো থেকে নগরের অলিগলি: শংকর যেভাবে জীবন দেখালেন

তিনি যে জীবনদর্শন রেখে গেলেন—মানুষকে কাছ থেকে দেখা, ক্ষমতার আড়াল সরিয়ে ফেলা, সাধারণ মানুষের সংগ্রামকে মর্যাদা দেওয়া—তা আমাদের সঙ্গে থেকে যাবে।
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

চৌরঙ্গীখ্যাত ‘শংকর’ আর নেই

তার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল চৌরঙ্গী, সীমাবদ্ধ এবং জন অরণ্য।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন

হৃদয় নাড়ানো বিচিত্র এক আখ্যান

উনিশ বছরের তরুণ মণিশংকর মুখোপাধ্যায় 'বিভূতি'-দার হাত ধরে এসেছেন হাইকোর্টে। পিতৃহীন মণিশংকরের চাকরি হলো 'সায়েবের বাবু' অর্থাৎ চেম্বার ক্লার্ক হিসেবে। কলকাতা হাইকোর্টের সর্বশেষ ইংরেজ ব্যারিস্টার নোয়েল ফ্রেডরিখ বারওয়েলের সহকারি হলেন তিনি। বারওয়েল বনেদি বংশের সন্তান, লর্ড ক্লাইভের আমল থেকেই নানা পেশায় নানা সময়ে যুক্ত ছিল তার পূর্বপুরুষ। ওল্ড পোস্ট অফিস রোডে ছিল বারওয়েলের টেম্পল চেম্বার। সেই পুরনো কক্ষে বসেই তরুণ মণিশংকর শুনতেন মক্কেলদের জীবনের বিচিত্র ঘটনা। আবার, বারওয়েল সাহেব নিজেও স্মৃতির অর্গল খুলে বলে যেতেন নানা কাহিনী। মণিশংকর মুখোপাধ্যায় নামটাকে ছেঁটে তিনি তাকে ডাকতেন 'শংকর।' 
১২ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০২ পূর্বাহ্ন