অস্ট্রেলিয়ার দুর্দশায় থেকে ‘শিক্ষা নিয়েছে’ নিউজিল্যান্ড
বাংলাদেশে অতি মন্থর ও টার্নিং উইকেটে খেলতে এসে বিস্তর ভোগান্তিতে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। কম রানের সিরিজে বাংলাদেশের কাছে পাত্তা পায়নি ম্যাথু ওয়েডের দল। বাংলাদেশে আসার আগে অস্ট্রেলিয়াকে এভাবে হারতে দেখায় বরং নিজেদের সুবিধা দেখছে নিউজিল্যান্ড। ব্যাটসম্যান হেনরি নিকোলস বলছেন, এর থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রস্তুত হতে পারছেন তারা।
অগাস্ট মাসের শুরুতে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টিতে ৪-১ ব্যবধানে হারে অস্ট্রেলিয়া। প্রতি ম্যাচেই মিরপুরের মন্থর উইকেটে বাংলাদেশের বোলার সামলাতে হিমশিম খায় তারা।
অজিদের এমন ভরাডুবি দেখেও অবশ্য বিশ্বকাপ স্কোয়াডের একজন সদস্যকেও বাংলাদেশ সফরে পাঠায়নি নিউজিল্যান্ড। একদম দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে এসেছে তারা। সেই দলে অনেকদিন পর জায়গা পেয়েছেন নিকোলস। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হলেও খেলেছেন মাত্র ৪ ম্যাচ। শেষটি তাও ২০১৯ সালে।
তবে বর্তমান দলটিতে তিনিই অন্যতম তারকা। বাংলাদেশে আসার আগে স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিকোলস জানান, অস্ট্রেলিয়ার ভরাডুবিতে সুবিধা হচ্ছে তাদের, 'তাদের (অস্ট্রেলিয়াকে) সেখানে খেলতে দেখা আমাদের জন্য ভালোই হয়েছে। আমরা এখানে যে ধরণের টি-টোয়েন্টি সম্ভবত সেখানে অনেকটাই ভিন্ন। কম রানের ম্যাচ হয়, উইকেট থাকে ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জের।'
বাংলাদেশে পা রাখার আগে মাউন্ট মাঙ্গানুইতে স্পিন বান্ধব উইকেটে নিবিড় অনুশীলন করেছে কিউইরা। নিকোলস আশা করছেন এই অভিজ্ঞতা তাদের কাজে দেবে।
অস্ট্রেলিয়ার মতো একই ভেন্যু মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচ খেলবে নিউজিল্যান্ড। এই মাঠের উইকেট কেমন হতে পারে আঁচ করে নিকোলস নিজেদের হিসেবটা করে নিচ্ছেন, 'অস্ট্রেলিয়ার অবস্থা যদি দেখি। তারা বোধহয় সর্বোচ্চ ১৩০ (আসলে ১২১) করতে পেরেছিল। আর নিউজিল্যান্ডে আমাদের পার স্কোর হচ্ছে ১৮০। তাই ব্যাটসম্যান হিসেবে আমাদের মাথায় রাখতে হবে কন্ডিশন কতটা কঠিন।'
বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার মোস্তাফিজুর রহমানের কাটার ও স্পিন ভোগান্তি দেখা নিজেদের জন্যও একটা শিক্ষা বলে মনে হচ্ছে নিকোলসের, 'এই সিরিজের জন্য পুরোপুরি তৈরি আমরা। আমাদের জন্য বাড়তি পাওয়া হলো অস্ট্রেলিয়ার খেলা দেখা। তারা যেভাবে খেলেছে পেরে উঠেনি। আমরা এর থেকে শিক্ষা নিয়েছি। দুই সপ্তাহ ভালো ক্যাম্প করলাম। আশা করি সেটা কাজে লাগবে।'
১, ৩, ৫, ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর মিরপুরে হবে সিরিজের পাঁচ ম্যাচ।