আইপিএলে সাকিবকে নিলে লাভবান হতো সেই দল: ফাহিম

স্পোর্টস ডেস্ক

বিপিএলে ফরচুন বরিশালের হয়ে ফর্মের তুঙ্গে থাকা সাকিব আল হাসান এবার দল পাননি আইপিএলে। দেশের সেরা তারকার নিলামে অবিক্রীত থেকে যাওয়া এখন ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শিষ্যের দল না পাওয়া হতাশ করেছে বরিশালের ব্যাটিং কোচ নাজমুল আবেদিন ফাহিম। তিনি বলেছেন, সাকিবকে আইপিএলের যে দলটি নিত, সেই দলটি হতো লাভবান।

গত শনি ও রবিবার বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হয় আইপিএলের দুই দিনব্যাপী মেগা নিলাম। প্রথম দিনে তৃতীয় সেটে অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে নাম ওঠে সাকিবের। কিন্তু অংশগ্রহণকারী ১০ দলের কোনোটিই তখন তাকে পেতে আগ্রহ দেখায়নি। পরদিন একদম শেষ ভাগে দলগুলোর চাহিদা অনুযায়ী অবিক্রীত ক্রিকেটারদের নাম আরেক দফা নিলামে ওঠানো হয়। কিন্তু ২ কোটি ভিত্তি মূল্যের সাকিব সেবারও কারও মনোযোগ কাড়তে ব্যর্থ হন।

সবার আগে চলমান বিপিএলের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বরিশাল। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে নামার আগে বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা ফাহিম। বর্তমান দুরন্ত ফর্ম বিবেচনায় সাকিবের দল না পাওয়াকে দুঃখজনক বলেছেন এই ঘরোয়া কোচ, 'দল না পাওয়ার একটা বড় কারণ হতে পারে যে ওকে খুব কম সময়ই পাওয়া যাবে (বাংলাদেশ দলের দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা সিরিজের কারণে)। তবে এটা খুবই দুঃখজনক। ও এখন যে ফর্মে আছে, এটা যদি উপলব্ধি করতে পারত ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, আমার মনে হয়, ওকে নিয়ে নিত। কারণ, ও এখন বোলিংয়ে না, ব্যাটিংয়েও ম্যাচ উইনিং খেলোয়াড় হয়ে গেছে।'

shakib_and_fahim.jpg
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

সাম্প্রতিক সময়ে সাকিবের বিগ হিটিং স্কিল নিয়ে কাজ করছেন ফাহিম। শিষ্যের উন্নতির ধারা নিয়ে তিনি ভীষণ আশাবাদী। বিকেএসপির ক্রিকেট উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকা ফাহিমের মতে, ব্যাটিংয়ে নতুনত্ব যোগ হওয়ায় সাকিব আইপিএলে ভালো করতে পারতেন, 'আমি ওকে ইতোমধ্যে বলেছি, আমাদের এখানে যে ধরনের উইকেটে খেলা হয়, এখানে বিগ হিট করাটা তুলনামূলকভাবে একটু কঠিন। আইপিএলে যে ধরনের উইকেটে খেলা হয়, ওখানে বিগ হিট করাটা আরও সোজা। আমার ধারণা, ভালো উইকেটে ও এখন আরও দ্রুত রান করতে পারবে, অনেক বেশি কার্যকর হবে। আমার মনে হয়, কোনো দল যদি ওকে নিত, সেই দলই লাভবান হতো।'

উল্লেখ্য, আইপিএলের গত আসরে সাকিবের পারফরম্যান্স ছিল বিবর্ণ। নিলামে পাঞ্জাব কিংসের সঙ্গে লড়াই করে তাকে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু প্রত্যাশার ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেননি তিনি। আট ম্যাচে ব্যাট হাতে মাত্র ৯.৪০ গড় ও কেবল ৯৭.৯১ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ৪৭ রান। আর বল হাতে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট।