ইংলিশ দলে করোনার হানা, অ্যাশেজের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায়

স্পোর্টস ডেস্ক

অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার আগে হঠাৎ করোনাভাইরাস আতঙ্ক। ইংলিশ স্কোয়াডের বেশ কিছু সদস্য কোভিড-১৯ পজিটিভ আসেন। তাতে দিনের খেলা শুরু নিয়েই ছিল বড় শঙ্কা। শেষ পর্যন্ত দেরিতে হলেও মাঠে গড়িয়েছে বক্সিং ডে টেস্ট। তবে সিরিজের বাকি অংশ নিয়ে সুষ্ঠুভাবে শেষ হওয়া নিয়ে রয়েছে বড় শঙ্কা।

প্রাকৃতিক কোনো বাধা না থাকা সত্ত্বেও মেলবোর্নে খেলা শুরু হতে দেরি হয় আধা ঘণ্টা। ইংল্যান্ড দল তো মাঠেই আসে দেরিতে। পরে জানা যায় ইংলিশ স্কোয়াডে চার জন সদস্যের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তাতেই যতো গণ্ডগোল।

দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর আগে নিয়মিত র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় কোভিড পজিটিভ হন ইংল্যান্ডের দুই স্টাফ ও তাদের পরিবারের আরও দুই সদস্য। দিনের খেলা হওয়া নিয়ে তখনই শঙ্কা জাগে। ম্যাচ শেষে পিসিআর টেস্ট করানো হবে পুরো ইংলিশ স্কোয়াডের। সেই ফলাফলের উপরই নির্ভর করছে সিরিজের ভবিষ্যৎ।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'ইংল্যান্ড দলের দুই সাপোর্ট স্টাফ এবং তাদের পরিবারের দুই সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় তাদের শরীরে করোনার সন্ধান মিলেছে। আক্রান্তরা এখন আইসোলেশনে। পুরো ইংল্যান্ড টিম এবং সাপোর্ট স্টাফদের সোমবার সকালেই র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা হয়েছে। সকলের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পিসিআর পরীক্ষাও হবে। দুই দলই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করবে।'

এর আগে অ্যাডিলেড টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির শরণাপন্ন হয়ে খেলতে পারেননি। তার পরিবর্তে নেতৃত্বে ছিলেন স্টিভ স্মিথ।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান টেলিভিশন ব্রডকাস্টার চ্যানেল সেভেনের দুজন সদস্যও কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। তাই দ্বিতীয় দিনে ধারাভাষ্য কক্ষে পরিবর্তন এসেছে পুরোটাই। রিকি পন্টিং, ইয়ান বোথামসহ মূল ধারাভাষ্য দলের সবাইকে রাখা হয়েছে আইসোলেশনে।

তবে জানা গেছে করোনার প্রভাব পড়বে না অ্যাশেজে। সূচি মেনেই চলবে সিরিজ। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে খেলোয়াড়দের পিসিআর টেস্টের ফলাফলের উপর।