এই রানেই বাংলাদেশকে আটকানোর আশা ছিল নিউজিল্যান্ডের

ক্রীড়া প্রতিবেদক

একটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৯৩ রান করেও একটা দল জেতার আশা করেছিল। শেষ ওভার পর্যন্ত খেলা নিয়ে যাওয়ায় সেই আশা বাড়াবাড়িও বলা যাচ্ছে না। অল্প পুঁজি নিয়ে বাংলাদেশকে শেষ ওভার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া নিউজিল্যান্ড কোচ গ্লেন পকন্যাল আক্ষেপ করছেন আর ১০ রানের।

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট ছিল আগের ম্যাচের চেয়েও মন্থর। সেখানে আগে ব্যাট করে মাত্র ৯৩ রান করতে পারে নিউজিল্যান্ড। ওই রান তুলতে গিয়ে ১৯.১ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ম্যাচ শেষে পকন্যালের কণ্ঠে অন্তত ৫-১০ রান কম করার আক্ষেপ,  'হ্যাঁ। এরকমটাই (৫-১০ রানের ঘাটতি)। আমরা যদি ১০০-১১০ করতে পারতাম তাহলে আমরা খেলায় থাকতে পারতাম। শেষ ওভার পর্যন্ত খেলা নিয়ে যাওয়া প্রমাণ করে অল্প কিছু রানের ঘাটতিই ছিল।'

উইকেট ছিল এমনই দুরূহ যে, ১০ রান কম করলেও বল করতে নামার আগে বাংলাদেশকে আটকে রাখার আশা করেছিলেন তারা,   'আমরা ১০ রান কম করলেও মনে হয়েছিল ৯৩ রান ডিফেন্ড করতে পারব।  ব্যাট করার জন্য এটা খুবই চ্যালেঞ্জিং উইকেট ছিল।'

সেই চ্যালেঞ্জিং উইকেটে আরও কঠিন পরীক্ষাই হতে পারত বাংলাদেশের। একটা পর্যায়ে ২ উইকেটে ৫১ রান ছিল নিউজিল্যান্ডের। সেই জায়গা থেকে ৫২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। তখনই জুতসই পুঁজি পাওয়ার আশা মিইয়ে যায় বলে মনে করেন পকন্যাল,  'আমরা সম্ভবত ১০ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছি এবং সেটা আমাদের মিডল অর্ডারে। কাজেই ওইটার পরে ইনিংস মেরামত করা কঠিন ছিল।'

শুক্রবার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলবে দুদল।