কোয়ারেন্টিনে থাকতে হলেই বরং রোমাঞ্চিত হয়ে উঠেন কিউই গতি তারকা
করোনাভাইরাসের সময়ে জৈব সুরক্ষা বলয়, কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন এসব শব্দ ক্রিকেটারদের জন্য রীতিমতো অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। তাদের কোয়ারেন্টিনের ধকল সামলাতে উল্টো ভাবনায় পড়ছে ক্রিকেট বোর্ডগুলো। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের তরুণ পেসার বেন সিয়ার্স একদম ব্যতিক্রম। কোয়ারেন্টিনের কথা শুনলেই বরং নেচে উঠে তার মন। অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা এই পেসারের নেশাই যে বই পড়া।
২৩ পেরুনো সিয়ার্সকে নিয়ে অনেক আশা নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটের। জোরে বল করার সামর্থ্যে কাইল জেমিসনের সঙ্গে তুলনা করা হয় তাকে। যুব বিশ্বকাপ খেলতে এর আগেও বাংলাদেশে এসেছিলেন একবার। এবার মূল তারকারা না থাকায় এলেন জাতীয় দলের হয়ে।
তরুণ এই পেসার জাতীয় দলের হয়ে নিজের প্রথম সফরে পাশে পাচ্ছেন অভিজ্ঞ পেসার হামিশ বেনেটকে। বুধবার ঢাকার হোটেল কক্ষ থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে কথা প্রসঙ্গে উঠে সিয়ার্স ও কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গ।
হামিশ জানান, বাকিদের সবার থেকে আলাদা তাদের দলের এই নবীন সদস্য। বাংলাদেশে এসে তিনদিনের আইসোলেশন পেয়েই আনন্দে ভাসছেন সিয়ার্স, 'সে এখানে ২০১৬ সালে যুব বিশ্বকাপ খেলতে এসেছিল। সে তিনদিনের কোয়ারেন্টিন খুবই পছন্দ করছে, কারণ সে বই পড়তে ভালোবাসে। আমি এমন কাউকেই দেখিনি যে দুই সপ্তাহের কোয়ারেন্টিনের কথা শুনলে রোমাঞ্চিত হয়ে পড়ে, কারণ তাহলে বাধাহীনভাবে সে বই পড়তে পারবে।'
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা পড়েনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ১২ ম্যাচ খেলেছেন। তবে জোরে বল করার সামর্থ্যে তাতেই তার উপর আস্থা রেখেছেন কিউই নির্বাচকরা। বাংলাদেশের কন্ডিশনে জোরে বল করে সাফল্য পাওয়া বেশ কঠিন। তবে হামিশের আশা, গতির সঙ্গে বৈচিত্র্য যোগ করতে পারবেন এই তরুণ, 'আমি আশা করব সে ছুটবে এবং জোরে বল করবে। কন্ডিশন অবশ্যই আদর্শ না। কিন্তু আগ্রাসী থাকা যায়, গতি বৈচিত্র্যও আনা যায়। আমার মতো এখানে অভিষেক হলে সে খুশি হবে।'
মঙ্গলবার ঢাকায় পা রেখে তিন দিনের কোয়ারেন্টিনে যাওয়া নিউজিল্যান্ড দল সব ঠিক থাকলে ২৭ অগাস্ট থেকে শুরু করবে অনুশীলন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।