জানুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি দলে বড় বদলের আভাস দিলেন সুজন

ক্রীড়া প্রতিবেদক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিবর্ণ পারফরমেন্স করা বাংলাদেশ দলের সামনে কদিন পরই আরেকটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পাকিস্তান সিরিজের সেই দলে খুব বড় কোন বদলের সম্ভাবনা কম। তবে এরপর সামনের বছরের শুরু থেকেই টি-টোয়েন্টি দল নতুনভাবে সাজানোর চিন্তার কথা জানিয়েছেন নতুন দায়িত্ব পাওয়া টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ সামনে রেখে কিছু অদল-বদলের চিন্তায় হাঁটছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জেরে কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর উপরে বসানো হয়েছে সুজনকে।

টিম ডিরেক্টরের দায়িত্ব পেয়েই তিনি বিশ্বকাপের বাইরে থাকা ৭ ক্রিকেটারকে ডেকে পাঠিয়েছেন। রোববার সকালে নাজমুল হোসেন শান্ত, পারভেজ হোসেন ইমন, তৌহিদ হৃদয়, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও তানভীর ইসলামকে নিয়ে মিরপুর একাডেমি মাঠে আসেন তিনি।

ঘন্টা দুয়েকের সেশন চলছে টি-টোয়েন্টি সামনে রেখে অনুশীলন। পরে গণমাধ্যমে এই বোর্ড পরিচালক জানান, হাতে সময় কম থাকায় এখনি বড় বদল হচ্ছে না, তবে জানুয়ারিতেই আসতে পারে তেমন কিছু,   'তাড়াহুড়ো করলে তো কিছু হবে না। এটা সময়সাপেক্ষ একটা ব্যাপার। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। যারা এখানে এসেছে সবাই সামর্থ্যবান ছেলে। বাইরে আরও কিছু আছে। পরিবর্তন অবশ্যই হবে। পরিবর্তন হওয়াটাই স্বাভাবিক। হয়তবা জানুয়ারিতে একটা বড় বদল আসতে পারে। এই সিরিজটা যেহেতু একদম কাছে, খুব বড় বদল হবে তা না। কিছু বদল হওয়ার তো সুযোগ আছে।'

ওয়ানডে ও টেস্ট দল যেমন আছে তেমন রেখে টি-টোয়েন্টিতে দেখা যেতে পারে বেশ কিছু নতুন মুখ,  'টি-টোয়েন্টি একটা সংস্করণ যেখানে আমরা তরুণদের এক্সপোজার দিতে পারি। কারণ ওয়ানডে দলটা আমাদের সেট করা আছে, টেস্টও সেট করা। এক্সপোজার দিতে হলে এই সংস্করণেই দিতে হবে। যেহেতু আমরা এই সংস্করণে ভাল খেলছি না।'

নতুন কয়েকজন ক্রিকেটারকে সুযোগ দেওয়া হলেও ধৈর্য ধরার আহবান সুজনের। রাতারাতি তাদের কাছ থেকে পারফরম্যান্সও আশা করছেন না তিনি, 'আমি বলছি না এই ছেলেরা খেললেই ভাল করবে এমন না, সময় লাগবে।'

'আপনি যদি কাউকে চিন্তা করেন তাকে তো সময় দিতে হবে। জাতীয় দল তো এমন একটা জায়গা আমাদের ঘরোয়া থেকে অনেক অনেক ভিন্ন। তো এখানেই এসেই একটা ছেলে অনেক কিছু করে ফেলতে পারবে এমন না। তাদের তো একটা ট্যুর বা দুইটা ট্যুর দেখে বিবেচনা করলে হবে না। আমরা তাদের সেই সাহস দিতে চাই। তাদেরকে ব্যাক করতে হবে আমাদের।'