পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড
দ্বিতীয় সারির ইংল্যান্ড দল ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করে ছাড়লেও টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়েছিল। তবে ফের জয়ের ধারায় ফিরেছে দলটি। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পাকিস্তানকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা।
রোববার হেডিংলিতে পাকিস্তানকে ৪৫ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এক বল বাকি থাকতে ২০০ রান করে অলআউট হয় তারা। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।
ইংল্যান্ডের ছুঁড়ে দেওয়া বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে সফরকারীরা। দুই ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান ও অধিনায়ক বাবর আজম গড়েন ৫০ রানের জুটি। কিন্তু এ জুটি ভাঙতেই আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি। নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে তারা। বলার মতো আর কোনো জুটিই গড়ে ওঠেনি।
শেষ দিকে অবশ্য চেষ্টা করেছিলেন শাদাব খান। কিন্তু তার ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। ২২ বলে ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন রিজওয়ান। ২৯ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি।
ইংলিশদের পক্ষে ৩৩ রানের খরচায় ৩টি উইকেট পেয়েছেন সাকিব মাহমুদ। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন আদিল রশিদ ও মইন আলী।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ১৮ রানেই দুই উইকেট হারায় তারা। তবে তৃতীয় উইকেটে মইন আলীর ঝড়ো ব্যাটিংই ম্যাচের হাল ঘুরিয়ে দেয়। অধিনায়ক জস বাটলারের সঙ্গে গড়েন ৬৭ রানের জুটি।
এরপর মইন আউট হলে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান লিয়াম লিভিংস্টোনকে নিয়ে ৫২ রানের আরও একটি দারুণ জুটি গড়ে আউট হন অধিনায়ক বাটলার। এ জুটি ভাঙার পর অবশ্য নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। তাতে কোনো সমস্যা হয়নি। লেজের ব্যাটসম্যানদের ছোট ছোট ইনিংসে দলীয় সংগ্রহ ঠিকই দুইশর কোটা স্পর্শ করে।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন বাটলার। ৩৯ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। ২৩ বলে ৩৮ রান আসে লিভিংস্টোনের ব্যাট থেকে। ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় এ রান করেন এ ব্যাটসম্যান। তবে সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব দেখান মইন। ১৬ বলে ৬টি চার ও ১তি ছক্কায় করেন ৩৬ রান।
পাকিস্তানের পক্ষে ৫১ রানের খরচায় ৩টি উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ হাসনাইন। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন ইমাদ ওয়াসিম ও হারিস রৌফ।