বিক্ষোভের মুখে নিটার অ্যাডভাইজার ও রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে সাভারের আশুলিয়ার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চের (নিটার) সাবেক অধ্যক্ষ ও বর্তমান আ্যডভাইজার ড. মিজানুর রহমান এবং রেজিস্ট্রার কাজী আন্দালিব আমিন পদত্যাগ করেছেন।
এছাড়া দাবি মেনে নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন।
আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিটার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মুত্তালিব দ্য ডেইলি স্টারকে মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, 'শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। ড. মিজানুর রহমান ও কাজী আন্দালিব আমিন পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। তবে প্রসেসিংয়ের জন্য আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নেওয়া হয়েছে। ৩০ নভেম্বরের পর পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হবে।'
তিনি বলেন, 'আমরা প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হচ্ছি। শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন।'
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির সাবেক অধ্যক্ষ ও বর্তমান আ্যডভাইজার ড. মিজানুর রহমান এবং রেজিস্ট্রার কাজী আন্দালিব আমিনের পদত্যাগের দাবি তোলেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, নিটার পরিচালিত হয় একজন অধ্যক্ষ ও ১৬ সদস্যের গভর্নিং কাউন্সিলের মাধ্যমে। তবে সবচেয়ে বেশি এখতিয়ার অধ্যক্ষের হাতে। গত বছরের অক্টোবরে ড. মিজানুর রহমান অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসরে যান। তার আগেই তিনি ক্ষমতা আটকে রাখতে আ্যডভাইজার (উপদেষ্টা) পদ সৃষ্টি করেন এবং সেই পদে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল নিয়ন্ত্রণ তার হাতেই রাখেন।
তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মসহ নানা অভিযোগ আছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
প্রতিষ্ঠানটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সোলায়মান হাওলাদার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমাদের প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ দিন ধরে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছেন বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। নিটারের বাৎসরিক আয় প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। তারপরও শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসিক হল, ল্যাব ও শিক্ষক নেই। এমনকি ছাত্রীদের নিরাপত্তা নেই ক্যাম্পাসে।'