নোয়াখালীতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, ৩ পুলিশসহ আহত ১০

নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী 

নোয়াখালীতে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ-মিছিলে পুলিশ নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ ও হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ৭ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন। অপরদিকে সড়ক অবরোধ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা ককটেল হামলা করেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। 

আজ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে জেলা শহরের জামে মসজিদ সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা বিএনপির উদ্যোগে নোয়াখালী প্রেসক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা নোয়াখালী প্রেসক্লাব চত্বরে সমাবেশের আহবান করি। সমাবেশ শুরুর আগে বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করে। পুলিশ তাদের বিভিন্ন স্থানে বাধা দেয়। সমাবেশে যোগ দিতে মিছিল নিয়ে আসার পথে বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ সড়কে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এতে বিএনপির ৬-৭ জন কর্মী আহত হয়।'

তবে আহতদের নাম এবং তাদের কোথায় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তা জানা যায়নি।

জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সমাবেশে যোগ দিতে আসার পথে জেলা জামে মসজিদ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এতে পুলিশ বাধা দেয়। তখন তারা ককটেল ও লাঠিসোটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে।'

এতে পুলিশের ১ কর্মকর্তাসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। তারা হলেন-উপপুলিশ পরিদর্শক মোজাফফর, পুলিশ সদস্য বেলাল ও রাসেল।

এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রেসক্লাব চত্বরে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়। নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক আবদুস সালাম।