সুজানগরে আ. লীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২
পাবনার সুজানগরে আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ সভাপতি আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার সকালে তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের খারপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ সভাপতিকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলায় আহত তাঁতীবন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি খন্দকার আব্দুল কুদ্দুস দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ইফতার মাহফিল আয়োজন নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি হারুন অর রশিদের মোটরসাইকেলে সুজানগর যাওয়ার সময় সোমবার সকালে খারপাড়া এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধার ভাই মানিক মৃধার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায়।'
'হামলাকারীরা কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে লাঠিসোটা ও রড দিয়ে আমাদের পেটাতে শুরু করে। আমাদের চিৎকারে স্থানীয় মানুষ ছুটে এলে তারা চলে যায়, পরে আমাদের দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে স্থানীয়রা'-বলেন আব্দুল কুদ্দুস।
সুজানগর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাঁতীবন্দ ইউপিতে খন্দকার আব্দুল কুদ্দুস চেয়ারম্যান পদে দলের মনোনয়ন চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হন বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা। তারা গত সপ্তাহে এলাকায় আলাদা ইফতার মাহফিল করেছে কিন্তু এবার বাধা দিচ্ছে।'
তবে হামলায় তার লোকজনের জড়িত থাকার অভিযোগ সত্য নয় বলে জানিয়েছেন তাঁতীবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা।
মতিন মৃধা বলেন, 'আমি ইউনিয়ন পরিষদে মিটিংয়ে ছিলাম। সেখান থেকেই মারামারির খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় আমার কিংবা আমার পরিবারের কারও সম্পৃক্ততা নেই।'
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'তাঁতীবন্দে স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিবদমান ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।'
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাননি বলে জানান ওসি।