মহামারির সবচেয়ে বড় শিক্ষা: বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার জরুরি
সহজ কথায় বলতে গেলে এটি একটি ‘প্রক্রিয়া বনাম ধৈর্য’ বিষয়ক সমস্যা। যার অর্থ হলো— ‘আমলাতন্ত্র বনাম চূড়ান্ত উপকারভোগীর’ মধ্যকার দ্বন্দ্ব। আমাদের অবশ্যই সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে কাজ করতে হবে, তা না হলে সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। তবে, এই সময়ে বিশেষ করে মহামারিকালে এ দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, সে বিষয়ে কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। ‘ধৈর্য’ মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে পারতো কিন্তু মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রক্রিয়া বা ‘আমলাতন্ত্র’— অর্থাৎ আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ।
১১ জুন ২০২১, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
প্রবাসীরা প্রতি ক্ষেত্রে শোষিত, নির্যাতিত ও অসম্মানিত
প্রবাসী কর্মীরা আমাদের জন্য ঈশপের রূপকথার সোনার ডিম পাড়া রাজহাঁসের মতো। আমাদের কোনো সহায়তা ছাড়াই এবং আমাদের কাছ থেকে অবিরত অপমানের শিকার হয়েও তারা এই কাজটি বছরের পর বছর করে যাচ্ছেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালে (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) দেশের বাইরে থেকে আসা বাৎসরিক গড় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে তা বেড়ে গিয়ে ২১ দশমিক সাত বিলিয়নে পৌঁছায়। বিশ্বব্যাপী মহামারি, সার্বক্ষণিক চাকরি নিয়ে সমস্যা ও আর্থিক ক্ষতির মুখেও এ বছরের প্রথম চার মাসে (২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল) আমরা সাত দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছি। প্রবাসী কর্মীদের নিজ পরিবার ও দেশের প্রতি নিষ্ঠার কোনো তুলনা হয় না।
২৮ মে ২০২১, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞাপন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, যিনি নিজেকে সাহসী, কার্যকর এবং অত্যন্ত দক্ষ অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, তার মানহানি করতে সরকার জনগণের অর্থ ব্যয় করছে (এটি করার অধিকার কি আছে?)—এমনটা অবশ্য সচরাচর ঘটে না। এটি মূলত তার কাজের মাধ্যমে বহু দুর্নীতির ঘটনা উন্মোচিত হয়েছিল বলেই। তার সব প্রতিবেদনেই বিশ্বাসযোগ্য তথ্য আছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক নথি, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অভিযোগের চিঠি ও আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত সংস্থার অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। এসব প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিবেকবান কর্মকর্তারা বিশাল দুর্নীতির বিষয়ে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
২০ মে ২০২১, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
কেন তিনি ৩ দিন কারাগারে থাকবেন
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক। তাকে তার সহকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধা করেন এবং তিনি তার সাহসী ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলোর জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত। তাকে কেন আগামীকাল পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে?
১৯ মে ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
আমাদের দেশেও এমন নির্বাচন হতো, এককালে
পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচন নিয়ে উদযাপন করার মতো তিনটি বিষয় রয়েছে, আর চিন্তিত হবার মতো একটি। উৎসব করার মতো কারণগুলো হলো: ক. মানুষ তাদের মত প্রকাশ করতে পেরেছে এবং সে পর্যন্ত গণতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করেছে। খ. ধর্মভিত্তিক রাজনীতি পরাভূত হয়েছে, কিন্তু সেটিও কোনোরকমে। গ. একজন নতুন নারী নেত্রীর আবির্ভাব ঘটেছে, যার একই সঙ্গে রয়েছে কারিশমা, মানসিক দৃঢ়তা, তীব্র প্রাণশক্তি, লড়াকু সত্ত্বা, নিজের প্রতি বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত সততা, যা একটি পুরো প্রজন্মের তরুণ নেতাদেরকে উদ্দীপিত করতে পারে, যারা ভারতকে এ যুগের ভ্রষ্ট রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারে এবং একই সঙ্গে এ অঞ্চলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।
৭ মে ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
লকডাউন বিশৃঙ্খলা
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমাদের এবারের প্রস্তুতি আরও অনেক ভালো হবে বলে প্রত্যাশা ছিল।
১০ এপ্রিল ২০২১, ০১:২৫ অপরাহ্ন
অশনি সংকেত সরকারের জন্যে, আমাদের জন্যেও
হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক আন্দোলনের পেছনে লোক দেখানো কারণটি হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর। কিন্তু আসল কারণ হচ্ছে এটাই সবাইকে জানানো যে হেফাজতে ইসলাম এখন আর তাদের সাবেক প্রধান শাহ আহমেদ শফী এবং তার অনুসারীদের নিয়ে গঠিত সংগঠনটির মতো নেই, তারা এখন নতুন নেতৃত্বে একটি নব্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার চেষ্টা করছে এবং তা সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় বিশ্বাসকে রক্ষার ছদ্মবেশে। সঙ্গে এটিও প্রতীয়মান হয়েছে যে সরকার হেফাজত তোষণের যে নীতি নিয়েছিল, তা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আপস ও ছাড় দেওয়ার অপরিণামদর্শী মনোভাব দেখিয়ে তাদেরকে এতটাই শক্তিশালী করা হয়েছে যে তারা এখন রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টায় নেমেছে। বর্তমান পরিস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতার দাপট ও অহংকারে অন্ধ হয়ে সকল অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মিত্রদেরকে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
২ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
কারাবন্দির ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখন মৃত্যুরও কারণ
লেখক, সচেতন নাগরিক, মধ্যপন্থী বিরোধী কণ্ঠস্বর এবং চলমান ঘটনার পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মুশতাক আহমেদ এখন মৃত। ময়না তদন্তের পরে তার মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ধারণা পেয়েছি। কিন্তু, মৃত্যুর আসল কারণ আমরা ইতোমধ্যেই জানি- একটি নিষ্ঠুর ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যে কাউকে তুলে নেওয়া যায়, কারাবন্দি করা যায়, অস্পষ্ট ‘অপরাধে’র অগণিত অভিযোগ আনা যায় এবং মাসের পর মাস বিনা বিচারে, জামিন না দিয়ে, কোনো কারণ ব্যাখ্যা না করেই কারাগারে আটকে রাখা যায়। আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা আছে যার কারণে ব্যক্তি স্বাধীনতা এখন ক্ষমতাসীনদের খেলার পুতুলে পরিনত হয়েছে। এসব ঘটনার যেন প্রতিকার নেই।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
আল জাজিরার প্রতিবেদন, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং আমাদের সাংবাদিকতা
গত ১ ফেব্রুয়ারি কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরায় প্রচারিত ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন’ প্রতিবেদনটি আমাদের সরকার পরিচালনার কিছু দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, যেখানে যোগ্যতা বিবেচনা না করে ব্যক্তিগত পছন্দ বা সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের প্রসঙ্গ এসেছে। সেই সঙ্গে প্রকাশ করেছে আমাদের গণমাধ্যম কতটা স্বাধীন, সেই বিষয়টিও।
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
গণতন্ত্রই সংশোধন করল গণতন্ত্রের ভুল
আমেরিকানরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। চার বছর পর তারা আবার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেই ট্রাম্পকে পরাজিত করে তাদের সেই বিপর্যয়কর ভুল সংশোধন করে। মাঝের সময়টাতে ভুলের জন্য তাদের ভুগতে হয়েছে। তবে তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি আস্থা হারায়নি, নিয়ম ভাঙেনি। চার বছর অপেক্ষা করে গণতন্ত্রের মাধ্যমেই ভুলকে ‘ঠিক’ করেছে।
২২ জানুয়ারি ২০২১, ১২:১৯ অপরাহ্ন
২০২০: একটি অমানবিক বছর
পুরো বিশ্বই করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। একই অবস্থা বাংলাদেশের, আমাদের। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই আমরাও আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা, মৌলিক পরিষেবা, এমনকি আমাদের জীবনের প্রতিটি দিক যতটা সম্ভব আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে রয়েছি। বাকি বিশ্বের মতোই আমরাও যেটা করতে ব্যর্থ হয়েছি সেটা হলো— চারপাশে হাজারো মানুষের মৃত্যু দেখেও আমাদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখতে পারিনি। আমাদের কাছের মানুষ ও প্রিয়জনরা চলে গেছেন কিংবা কষ্ট করেছেন। কিন্তু, তাদের সাহায্য বা সেবায় এগিয়ে যেতে পারিনি। আমরা তাদের দেখতে যেতে পারিনি, সমবেদনা জানাতে পারিনি। এটা আমাদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। সামাজিক বন্ধন বিচ্ছিন্ন হয়ে একক মানুষ পরিবারভিত্তিক হয়ে বেঁচে আছি। ইন্টারনেটের বদৌলতে ভার্চুয়াল জগতটাই আমাদের সামাজিকতা টিকিয়ে রেখেছে।
২ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
উপেক্ষা নয়, তদন্তেই হোক সমাধান
নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। তবে প্রশ্নের ঊর্ধ্বে উঠতে হলে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই জনমনের সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নকারী নাগরিকদের উপেক্ষা করা, এড়িয়ে যাওয়া কিংবা তাদের বিষয়ে সম্মানহানিকর বক্তব্যে জনসাধারণের মনে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। তাদের মনে হতে থাকে, নিশ্চয়ই কিছু আড়াল করার চেষ্টা চলছে। এমন কোনো কিছুই নির্বাচন কমিশনের জন্য ভালো না এবং অবশ্যই গণতন্ত্রের জন্যও ভালো না।
২৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:২৯ অপরাহ্ন
নীরবেই চলে গেল ‘গণতন্ত্র দিবস’
যে দিনটিকে গণতন্ত্রের পুনর্জন্মের দিন হিসেবে লাখো মানুষ স্বাগত জানিয়েছিল, যে দিনটিকে সামরিক শাসনকে ছাপিয়ে জনগণের বিজয়ের দিন হিসেবে অভিহিত করা হয়, নীরবেই চলে গেল সেই দিনটি। আমাদের কাছে গণতন্ত্র এখন কতটুকু গুরুত্ব বহন করে, এই অবজ্ঞাই কি সে কথা বলে দেয় না? অলীক স্বপ্ন? অন্যথায় কেন এই উদাসীনতা?
১৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
বিপদজনক খেলায় মেতেছেন ট্রাম্প
‘আমি জিতলে নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু এবং আমি হারলে কারচুপি হয়েছে।’ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আমাদের দেশে নির্বাচনের সময় এই বাক্যটি আমি বহুবার লিখেছি। তবে, কখনই ভাবিনি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন সম্পর্কে লিখতে গিয়েও এই বাক্যটি লিখতে হবে। বড় রকমের কারচুপি বা জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই নির্বাচনের ফলাফল তিনি মানছেন না। তিনি ‘বৈধ’ ভোট যাচাইয়ের জন্য মামলা করার পথ বেছে নিয়েছেন এবং বোঝাচ্ছেন যে ‘অবৈধ’ ভোট দেওয়া হয়েছে ও গণনা করা হয়েছে। যদিও এর স্বপক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি।
১১ নভেম্বর ২০২০, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: আসল পরীক্ষা বাস্তবায়নে
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুনপ্রতিশ্রুতি, আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। কিন্তু, তার এই প্রতিশ্রুতির সঙ্গে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, বিশেষত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনটি যেভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে তার কী সামঞ্জস্যতা আছে?
৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
‘মার্শাল ল’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য জনসাধারণের দৃঢ় বিশ্বাসেরই প্রতিফলন
গত ৭ সেপ্টেম্বর আর্মড ফোর্সেস সিলেকশন বোর্ডের ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘সামরিক অভিধান থেকে “মার্শাল ল” শব্দটি বাদ দেওয়া উচিত।’ প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্টবাদী এই বক্তব্য একইসঙ্গে বিস্ময়কর ও চিত্তাকর্ষক। বিস্ময়কর হলো এটির সময় এবং চিত্তাকর্ষক এর বিষয়বস্তু। প্রধানমন্ত্রী সামরিক বাহিনীকে তাদের অভিধান থেকে ‘মার্শাল ল’ বাদ দেওয়ার কথা বলে শুধু অভিধান থেকে একটি শব্দ বাদ দেওয়াই বোঝাননি। তিনি যা বোঝাতে চেয়েছেন, তার অর্থ কেবল এও নয় যে, এ ধরনের ঘটনার আর কখনও না ঘটুক। তিনি বুঝিয়েছেন, আমাদের সেনাবাহিনীর মন-মানসিকতা বা চিন্তা জগত থেকেও এটা বাদ দেওয়া উচিত।
১১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
অবিচার, তাতে কী?
গত পরশু দ্য ডেইলি স্টারে দুটি বিপরীতমুখী প্রতিবেদনে প্রবাসী শ্রমিকদের প্রতি আমাদের দ্বি-মুখী মানসিকতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে আমরা রিজার্ভ ভারী করতে অনেক বেশি উৎসাহী থাকি। যে টাকাগুলো আমরা অপচয় করি কিংবা দুর্নীতিবাজদের হাতে তুলে দেই। যাতে তারা কানাডা, মালয়েশিয়া, দুবাই বা অন্য কোনো দেশে তাদের দ্বিতীয়, তৃতীয় বা এর চেয়েও বেশি সংখ্যক বাড়ি (আমরা এগুলোকে ভিলা বা প্রাসাদ বলব?) বানাতে পারে।
৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধু, দেশের মানুষই ছিল তার পৃথিবী
সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, তিনি মাত্র ৫৫ বছর বেঁচে ছিলেন (১৯২০-১৯৭৫)। আর এই অল্প সময়ের মধ্যে তিনি এত কিছু অর্জন করেছেন। দর্শন, সাহিত্য বা বিজ্ঞানের কোনো ক্ষেত্রে তার নাম লেখা নেই। কিন্তু, তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে মানুষের মনে।
১৫ আগস্ট ২০২০, ০২:৩১ অপরাহ্ন
লতিফুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি: স্বাধীন সাংবাদিকতায় তার উপহার
একজন সম্পাদক একটি পত্রিকা পরিচালনা ও গড়ে তোলার জন্যে যেমন উদ্যোক্তার স্বপ্ন দেখেন বা প্রত্যাশা করেন, তিনি ঠিক তেমনই ছিলেন। পাশাপাশি তিনি আরও অনেক বেশি কিছু হয়ে উঠেছিলেন। সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে মতিউর রহমান ও আমি যথাক্রমে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা সম্পাদনা করি। এর সবই সম্ভব হয়েছে তার নীতি, সততা, সাহস, অবিচলতা ও স্বাধীন মিডিয়ার প্রতি অদম্য বিশ্বাসের কারণে। তিনি জানতেন এগুলো না থাকলে গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটতে পারে না।
৩ জুলাই ২০২০, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
যে গল্পের কথা বলে আমাদের আলোকচিত্র
গত বুধবার দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতায় একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে— চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢোকার পথে একটি স্ট্রেচারে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে শাওন নামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু এবং মেঝেতে হাত-পা ছড়িয়ে বিলাপ করছেন তার দাদা। ছবিটি দেশের সব বাবা-মা ও দাদা-দাদিসহ সাধারণ নাগরিকের হৃদয়ে বেদনা, ক্ষোভ আর হতাশার অনুভূতি তৈরি করবে।
১৯ জুন ২০২০, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন