রাতভর ৬৬০ ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার
রাশিয়ার বিরুদ্ধে বড় আকারের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।
রাতভর হামলার মাঝে ৬৬০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বড় আকারে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। সেই ঘটনার পর এটাই কিয়েভের পক্ষ থেকে আসা সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা।
রাশিয়ার রাজধানী মস্কো, অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, কৃষ্ণ সাগর এবং আজভ সাগরসহ মোট ১২টি অঞ্চলে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ম্যাক্স এই তথ্য জানায়।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসা অন্তত ৪৭টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
সামাজিকমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করে তিনি বলেন, ‘যেসব জায়গায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে, সেখানে জরুরি সেবাদাতারা কাজ করছেন।‘
তবে তিনি কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দেননি।
মস্কো থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত তুলা প্রদেশে ‘বড়’ আকারে ড্রোন হামলা হয়েছে।
প্রাদেশিক গভর্নর মিলায়েভ টেলিগ্রামে পোস্ট করে জানান, ‘স্কেকিনো জেলার একটি মহল্লায় একটি ব্যক্তিগত বাসভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজন নারী আহত হয়েছেন।’
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে হামলার পরিমাণ বাড়িয়েছে ইউক্রেন। বিশেষত, জ্বালানি অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে নিয়মিত হামলা করছে কিয়েভ।
তাদের লক্ষ্য, যুদ্ধের খরচ যোগানোতে ক্রেমলিন যেসব উৎস থেকে রাজস্ব আয় করে, সেগুলো চিহ্নিত করে নির্মূল করা।
গত সপ্তাহে মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জ্বালানি পরিশোধনাগারে কিয়েভের হামলায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
পাঁচ বছরে পা রাখা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে অনেকে অনেক সময় বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও এখনো দুই দেশের মধ্যে কোনো টেকসই শান্তি আলোচনা হয়নি।
সর্বশেষ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে সশরীরে সাক্ষাতের পর কেটে গেছে ছয় বছরেরও বেশি সময়।


