মনোনয়ন পেলেও কবি মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার স্থগিত
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন বাংলাদেশ
ইতিহাসের আয়নায় আহমদ শরীফ: সত্য উচ্চারণে আপসহীন কণ্ঠস্বর
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন সাহিত্য
মঈদুল হাসান আজও যে দুঃখ বয়ে বেড়াচ্ছেন
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন সংস্কৃতি
বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ জন
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন সাহিত্য

মার্কেসের অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে

২০১৪ সালে নোবেলবিজয়ী ঔপন্যাসিক গার্সিয়া মার্কেসের মৃত্যুর পর তাহার সমুদয় পাণ্ডুলিপি ও কিছু ব্যবহার্য জিনিসপত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়  ক্রয় করিয়া লইয়াছে। ইহার মূল্য পড়িয়াছে ২.২ মিলিয়ন ডলার। ৪০টি কার্টনে ভরিয়া তাহার নানা পাণ্ডুলিপি, কাগজ, চিঠিপত্র, স্মারক দ্রব্য ইত্যাদি সংগ্রহ করা হইয়াছে। ইহার মধ্যে দশটি প্রকাশিত উপন্যাসের খসড়া পাণ্ডুলিপি রহিয়াছে। রহিয়াছে চল্লিশখানি ফটোর অ্যালবাম, কুড়িখানি স্ক্র্যাপ বুক, দুইটি কম্পিউটার এবং টাইপরাইটার। মার্কেস হাতে লিখিতেন না। টাইপ করিয়া লিখিতেন। ব্যক্তিগত স্মারকদ্রব্যের মধ্যে তাহার পাসপোর্টসমূহ অন্যতম। 
১৬ নভেম্বর ২০২২, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

খাদ্যরসে টইটুম্বুর হুমায়ূন সাহিত্য

ক্লান্ত দিনের শেষে ঘরে ফিরলেন আপনি। ঘামে জবজব শরীর। বাথরুমে ঢুকে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে সকল ক্লান্তি মুছে দিচ্ছেন, কেউ দরজায় কড়া নেড়ে এগিয়ে দিল এক কাপ চা। শাওয়ার থেকে একটু সরে গিয়ে একটা সিগারেট ধরালেন, সাথে চায়ের কাপে চুমুক। তৃপ্ত স্নান শেষে বেরিয়ে দেখলেন আপনার জন্য ‘অতি সাধারণ’ খাবারের আয়োজন। ধোঁয়াওঠা গরম ভাত, একটা ভাজা শুকনো মরিচ আর ছড়িয়ে দেয়া এক চামচ গাওয়া ঘি। পাতে সাজানো আছে একটা ডিমভাজাও। দিনের শেষটা এমন হলে মন্দ হয় না, কী বলুন? এমনই অতি সাধারণের অসাধারণীকরণ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ, তার ‘বৃষ্টি ও মেঘমালা’ উপন্যাসে। খাদ্যরসিক হিসেবে চেনা মানুষ হুমায়ূনকে জানে। তার লেখায়ও উঠে এসেছে এমন বয়ান। বিভিন্ন বই থেকে হুমায়ূন সাহিত্যে খাদ্যপ্রীতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।
১৪ নভেম্বর ২০২২, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

নেত্রকোণায় হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে হিমু উৎসব

কথার যাদুকর হুমায়ূন আহমেদের ৭৪তম জন্মদিন পালন করেছে নেত্রকোণার হিমু পাঠক আড্ডা। আজ রোববার সকাল ১১টায় সংগঠনের কার্যালয় সাতপাই থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

নূর হোসেনের দেশে আমাদের গণতান্ত্রিক মন

শহীদ নূর হোসেন। যার বুকে ও পিঠে লেখা ছিল, ‘স্বৈরাচার নীপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক।’ শামসুর রাহমান তাকে নিয়ে লিখেছিলেন অমর কবিতা, ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়।’ নূর হোসেন কেবল একটা নাম নয়। কেবল একটা পোস্টার নয়, বাঙালির গণতান্ত্রিক মন, মনন ও বোধের প্রতীক। নূর হোসেনই বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক বাংলাদেশ। নূর হোসেন হচ্ছে সেই বাংলাদেশের সকল মানুষের গণতান্ত্রিক আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ও প্রতিভূ।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

হুমায়ূন আহমেদ ও তার সাহিত্যশক্তি

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক। সবচেয়ে খ্যাতিমান বললেও অত্যুক্তি হবে না। তবে সাহিত্যের সিরিয়াস পাঠকসমাজ হুমায়ুনকে যে খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন- তা নয়। অনেক সাহিত্য সমালোচক তাকে মূলধারার লেখক বলে মানতেও চান না। তাদের যুক্তি হলো- জনপ্রিয়তা সাহিত্যের শিল্পমূল্য যাচাইয়ের মানদণ্ড নয়। হুমায়ুন আজাদের মতো প্রথাবিরোধী লেখকেরা তাকে সিরিয়াস লেখক মানতে রাজি নন। হুমায়ুন আজাদের মন্তব্যটি বেশ তির্যক। তিনি বলেন, ‘হুমায়ুন আহমেদ কোনও ঔপন্যাসিক নন, অপন্যাসিক। তিনি পাঠকের রুচি নষ্ট করেছেন।’ ইমদাদুল হক মিলনকেও অপন্যাসিক বলেছেন তিনি। তাই বলে তার মূল্যায়নকে আমরা বেদবাক্য জ্ঞান করতে পারি না।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তব্য হবে মনুষ্যত্বকে রক্ষা করা

বিশ্ববিদ্যালয় তার অস্তিত্বের একশ’ বছর পার হয়ে এসেছে। সামনের দিনগুলোতে সে কিভাবে এগুবে সে প্রশ্নটা খুবই সঙ্গত। এগুতে হবে অবশ্য উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। সেটাই দাঁড়াবে প্রধান ও প্রাথমিক দায়িত্ব। তার জন্য প্রয়োজন হবে বিতরণের লক্ষ্যে জ্ঞান আহরণ ও সৃষ্টি।
১২ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন

আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র মেধাবানদের টেনে নিয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের যা অর্জন তা কেবল যে শিক্ষকদের কারণেই ঘটে এমন নয়; ছাত্রদের কাজটাও এখানে খুবই জরুরী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যেমন ছাত্রদেরকে গড়ে তুলেছেন, ছাত্ররাও তেমনি শিক্ষকদেরকে শিক্ষাগ্রহণের মধ্য দিয়ে উদ্দীপ্ত করেছে, এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যে চরিতার্থতা তার বোধটাও শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে যখন সঙ্কটাদি দেখা দিয়েছে তখন ছাত্ররাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে ছাত্রদের এই যে সংবেদনশীলতা ও অধিকার-চেতনা ছিল একটি চালিকাশক্তি।
১১ নভেম্বর ২০২২, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

ছাত্রসংসদ আইয়ুব খানের সময়েও টিকে ছিল

স্মরণ করলে দেখা যাবে যে, গত একশ’ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিস্তার ও উন্নয়ন ঘটেছে তা অসাধারণ। শিক্ষাক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বহুমুখী ও সুবিস্তৃত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ঘটে দরিদ্র, অবহেলিত ও প্রান্তিক এক জনপদের মানুষকে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে সাহায্য করার দায়িত্ব নিয়ে।
১০ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

আইয়ুব খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শত্রুপক্ষ মনে করতো

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানগুলোর একটি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। বাইরে যখন প্রবল সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভাগ হওয়ার দিকে, এই বিশ্ববিদ্যালয় তখন কেবল যে সাম্প্রদায়িক হতে অস্বীকার করেছে তাই নয়, হয়ে উঠেছে ধর্মনিরপেক্ষই। ধর্মনিরপেক্ষতার যে দু’টি গুণ- ইহজাগতিকতা ও রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের বিচ্ছিন্নতা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই দু’টিকে লালন করেছে। শিক্ষকরা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক; আর রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার ভেতর দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে বাড়িয়ে দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় ওই পথে এগোয়নি।
৯ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

টাইটানিকের চেয়েও ভয়াবহ যে দুর্ঘটনা

টাইটানিকের ঘটনা সবাই জানে, এতে মারা যায় ১৫১৭ জন। কিন্তু এছাড়া আরও একটি শতাব্দীর ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় ৪৩৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বেঁচেছিল মাত্র ২৫ জন। নদীর ফেরি কিংবা সামুদ্রিক ফেরিতে এর চেয়ে বড় দুর্ঘটনার নজির নেই। টাইটানিকের তুলনায় দোনা পাজ ডিজাস্টার বিষয় কম জানে মানুষ। তবে দুটি ঘটনায় অসংখ্যা পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়েছিল
৮ নভেম্বর ২০২২, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপই ছিল সবচেয়ে ক্ষতিকর

ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্যের প্রবহমানতা অচ্ছেদ্য রূপে বজায় রাখা সম্ভব না হলেও, সমাজ ও রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ধারাবাহিকতায় কিন্তু বিরাম ঘটে নি। প্রতিষ্ঠার সময়ে ঢাকা ও কলকাতা উভয় শহর থেকেই স্বার্থবাদীদের বিরোধিতা যেমন এসেছে, যাত্রা শুরুর পরেও তেমনি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বৈরিতার মোকাবিলা করেই এগুতে হয়েছে।
৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন

ড্যাডির কালজয়ী আলোকচিত্র

গোলাম কাসেম ড্যাডি যখন ফটোগ্রাফি শুরু করেন তখন ভারতবর্ষে ছবি তোলাটা ধর্মীয় দৃষ্টিতে গর্হিত কাজ হিসেবে বিবেচিত হতো। ওই সময়ে ছবি তোলার কারণে তাকে কতটা নিগৃহের স্বীকার হয়েছে, তা ভাবলে বিস্ময় লাগে। শত বছরের জীবন ছিল তার। এই দীর্ঘ জীবনে তিনি দেখেছেন কত কিছু! ক্যামেরার অন্ধকারে আলো সাজিয়ে বন্দি করেছেন কত মণিমাণিক। ফুল-পাখি, নদী-নৌকা, প্রকৃতি-প্রতিকৃতি, পুরাকীর্তি, বাদ যায় নি কোনো কিছুই। গ্লাস প্লেট [কাঁচের পাত] থেকে সেলুলয়েড; এসব রূপালি রসায়নে কেটেছে তার সারা জীবন।
৭ নভেম্বর ২০২২, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

সাতচল্লিশ পশ্চিমবঙ্গ-পূর্ববঙ্গ পার্থক্যটাকে অনতিক্রম্য করে দিয়েছিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য ভূমিকাটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চার মধ্য দিয়ে পূর্ববঙ্গের অনগ্রসর সমাজকে এগিয়ে যেতে সাহায্য প্রদান করা। শিক্ষা সব সময়েই সংস্কৃতি ও সামাজিকতার সঙ্গে যুক্ত; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলাতে দায়িত্বটা ছিল বিশেষ ধরনের। একেতো পূর্ববঙ্গের সমাজ ছিল পিছিয়ে-পড়া; তদুপরি উচ্চশিক্ষার জন্য এই অঞ্চলে এটিই ছিল প্রথম বড় ও একক প্রতিষ্ঠান।
৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আপত্তি ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরও

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একশ বছরের ইতিহাস সংগ্রামের, অগ্রগামিতার ও গৌরবের। কিন্তু কোনো ইতিহাসই সরল রেখায় এগোয় না, ছেদ-বিচ্ছেদ ঘটে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা নানাভাবে বিঘ্নিত হয়েছে, এমনও ঘটনা ঘটেছে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি টিকতে পারবে কি না তা নিয়েই সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
৬ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

বিস্মৃত এক সম্পাদক

বাঙালি মুসলমানের জাগরণে দৈনিক পত্রিকা ‘আজাদ’ এর গুরুত্ব অপরিসীম। এই উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিদায়কালে, দেশভাগ, পাকিস্তানের জন্ম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মন্বন্তর, পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে নানাবিধ বিষয়ের টানাপোড়েন এবং পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে  বৈষম্য; ইতিহাসের এইসব সন্ধিক্ষণ এবং বাঁক বদলের সাক্ষী মওলানা আকরম খাঁর মালিকানাধীন পত্রিকা ‘আজাদ’। শুধু সাক্ষী নয় , ঘটনার ভেতর-বাহিরের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণেও পত্রিকাটি বিবিধ ভূমিকা পালন করেছে।
৫ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন আজ

মানুষের অধিকার আর মাতৃভূমির প্রতি নিবেদিত শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন আজ। ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন কসবা ও নবীনগর মুন্সেফ আদালতের সেরেস্তাদার।
২ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

আবু ইসহাক : এক অন্তর্মুখী নিঃসঙ্গ লেখক 

অনেকদিন আগের কথা, অন্তত তিরিশ বছর তো হবেই। ছোট্ট একটা ঘরে কয়েকজন তরুণ বসে আছে, অপেক্ষায়। তাদের সবার চোখে ও বুকে লেখক হবার স্বপ্ন। কাজটা সহজ নয়, জানে তারা। জানে এ-ও, খাতার পর খাতা নানারকম লেখা লিখে ভরিয়ে ফেললেও নিজেদের কাছে ছাড়া অন্য কারো কাছে সেগুলোর আদৌ কোনো মূল্য নেই। কয়েক বছরেই তারা নানা জায়গায় ঠেকে ঠেকে শিখে গেছে, এ বড় কঠিন জগৎ। এখানে কেউ কাউকে ছাড় দেয় না। পরিবারের মানুষদের কাছে এসব অহেতুক সময় নষ্ট, বন্ধুদের কাছে আজাইরা আঁতলামি আর যেসব কর্তারা পত্রপত্রিকায় লেখা-টেখা ছাপানোর দায়িত্ব নিয়ে মহামানব হয়ে উঠেছেন, তাদের কাছে এসব লেখাঝোকা যেন নিছকই বালসুলভ চপলতা। 
১ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

উইয়ের পেটে যাচ্ছে ৭ দশকের অমূল্য সংগ্রহ

ঐতিহ্যের ধুলো জমা পানিহার পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গত শতকের চল্লিশের দশকের মধ্যভাগে; ব্রিটিশ শাসনামলের শেষবেলায়। সে সময় অশিক্ষার অন্ধকারে ডুবে থাকা রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম পানিহারসহ আশপাশের অনেক এলাকার মানুষের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে এসেছিল এই গ্রন্থাগারটি।
৩১ অক্টোবর ২০২২, ১২:৪০ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের এক অচ্ছেদ্য অংশ অন্নদাশঙ্কর রায়

অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম ১৫ মে ১৯০৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অধীন ঢেঙ্কানলে (বর্তমানে ওড়িয়া)। আর মারা যান ২৮ অক্টোবর ২০০২ সালে। তিনি ৯৮ বছর বেঁচে ছিলেন। অল্পের জন্যে তিনি শতবর্ষী খেতাবটি মিস করেছেন। লেখক পাঠকের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন লেখালেখির মধ্য দিয়ে। ল্যাটিন আমেরিকান সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেসের বই বিষয়ক একটি ভিন্ন স্বাদের রচনা রয়েছে। হোর্হে লুইস বোর্হেস বলছেন, লেখকদের বইগুলো থাকে পাঠকের কাছে তাঁদের প্রতিনিধি হয়ে।
২৮ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

প্রকাশিত হয়েছে সাহিত্যের  বিশেষ ছাপা পত্রিকা ‘তর্ক’

অনলাইন সাহিত্য জার্নাল তর্ক বাংলার বিশেষ ছাপা পত্রিকা 'তর্ক' প্রকাশিত হয়েছে। এটি দ্বিতীয় বর্ষের , প্রথম সংখ্যা। বিষয় বৈচিত্র্য সম্বৃদ্ধ সংখ্যাটিতে রয়েছে অপ্রকাশিত চিঠি- সাক্ষাৎকার, বিদেশি সাক্ষাৎকার, প্রবন্ধ, দর্শন, অনুবাদ প্রবন্ধ, কবিতা, গল্প ও স্থাপত্যকলা বিষয়ক লেখা। 
২৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

মার্কেসের অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে

২০১৪ সালে নোবেলবিজয়ী ঔপন্যাসিক গার্সিয়া মার্কেসের মৃত্যুর পর তাহার সমুদয় পাণ্ডুলিপি ও কিছু ব্যবহার্য জিনিসপত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়  ক্রয় করিয়া লইয়াছে। ইহার মূল্য পড়িয়াছে ২.২ মিলিয়ন ডলার। ৪০টি কার্টনে ভরিয়া তাহার নানা পাণ্ডুলিপি, কাগজ, চিঠিপত্র, স্মারক দ্রব্য ইত্যাদি সংগ্রহ করা হইয়াছে। ইহার মধ্যে দশটি প্রকাশিত উপন্যাসের খসড়া পাণ্ডুলিপি রহিয়াছে। রহিয়াছে চল্লিশখানি ফটোর অ্যালবাম, কুড়িখানি স্ক্র্যাপ বুক, দুইটি কম্পিউটার এবং টাইপরাইটার। মার্কেস হাতে লিখিতেন না। টাইপ করিয়া লিখিতেন। ব্যক্তিগত স্মারকদ্রব্যের মধ্যে তাহার পাসপোর্টসমূহ অন্যতম। 
১৬ নভেম্বর ২০২২, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

খাদ্যরসে টইটুম্বুর হুমায়ূন সাহিত্য

ক্লান্ত দিনের শেষে ঘরে ফিরলেন আপনি। ঘামে জবজব শরীর। বাথরুমে ঢুকে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে সকল ক্লান্তি মুছে দিচ্ছেন, কেউ দরজায় কড়া নেড়ে এগিয়ে দিল এক কাপ চা। শাওয়ার থেকে একটু সরে গিয়ে একটা সিগারেট ধরালেন, সাথে চায়ের কাপে চুমুক। তৃপ্ত স্নান শেষে বেরিয়ে দেখলেন আপনার জন্য ‘অতি সাধারণ’ খাবারের আয়োজন। ধোঁয়াওঠা গরম ভাত, একটা ভাজা শুকনো মরিচ আর ছড়িয়ে দেয়া এক চামচ গাওয়া ঘি। পাতে সাজানো আছে একটা ডিমভাজাও। দিনের শেষটা এমন হলে মন্দ হয় না, কী বলুন? এমনই অতি সাধারণের অসাধারণীকরণ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ, তার ‘বৃষ্টি ও মেঘমালা’ উপন্যাসে। খাদ্যরসিক হিসেবে চেনা মানুষ হুমায়ূনকে জানে। তার লেখায়ও উঠে এসেছে এমন বয়ান। বিভিন্ন বই থেকে হুমায়ূন সাহিত্যে খাদ্যপ্রীতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।
১৪ নভেম্বর ২০২২, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

নেত্রকোণায় হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে হিমু উৎসব

কথার যাদুকর হুমায়ূন আহমেদের ৭৪তম জন্মদিন পালন করেছে নেত্রকোণার হিমু পাঠক আড্ডা। আজ রোববার সকাল ১১টায় সংগঠনের কার্যালয় সাতপাই থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

নূর হোসেনের দেশে আমাদের গণতান্ত্রিক মন

শহীদ নূর হোসেন। যার বুকে ও পিঠে লেখা ছিল, ‘স্বৈরাচার নীপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক।’ শামসুর রাহমান তাকে নিয়ে লিখেছিলেন অমর কবিতা, ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়।’ নূর হোসেন কেবল একটা নাম নয়। কেবল একটা পোস্টার নয়, বাঙালির গণতান্ত্রিক মন, মনন ও বোধের প্রতীক। নূর হোসেনই বাংলাদেশ। যে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে গণতন্ত্রকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক বাংলাদেশ। নূর হোসেন হচ্ছে সেই বাংলাদেশের সকল মানুষের গণতান্ত্রিক আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ও প্রতিভূ।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

হুমায়ূন আহমেদ ও তার সাহিত্যশক্তি

হুমায়ূন আহমেদ বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক। সবচেয়ে খ্যাতিমান বললেও অত্যুক্তি হবে না। তবে সাহিত্যের সিরিয়াস পাঠকসমাজ হুমায়ুনকে যে খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন- তা নয়। অনেক সাহিত্য সমালোচক তাকে মূলধারার লেখক বলে মানতেও চান না। তাদের যুক্তি হলো- জনপ্রিয়তা সাহিত্যের শিল্পমূল্য যাচাইয়ের মানদণ্ড নয়। হুমায়ুন আজাদের মতো প্রথাবিরোধী লেখকেরা তাকে সিরিয়াস লেখক মানতে রাজি নন। হুমায়ুন আজাদের মন্তব্যটি বেশ তির্যক। তিনি বলেন, ‘হুমায়ুন আহমেদ কোনও ঔপন্যাসিক নন, অপন্যাসিক। তিনি পাঠকের রুচি নষ্ট করেছেন।’ ইমদাদুল হক মিলনকেও অপন্যাসিক বলেছেন তিনি। তাই বলে তার মূল্যায়নকে আমরা বেদবাক্য জ্ঞান করতে পারি না।
১৩ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তব্য হবে মনুষ্যত্বকে রক্ষা করা

বিশ্ববিদ্যালয় তার অস্তিত্বের একশ’ বছর পার হয়ে এসেছে। সামনের দিনগুলোতে সে কিভাবে এগুবে সে প্রশ্নটা খুবই সঙ্গত। এগুতে হবে অবশ্য উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। সেটাই দাঁড়াবে প্রধান ও প্রাথমিক দায়িত্ব। তার জন্য প্রয়োজন হবে বিতরণের লক্ষ্যে জ্ঞান আহরণ ও সৃষ্টি।
১২ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন

আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র মেধাবানদের টেনে নিয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের যা অর্জন তা কেবল যে শিক্ষকদের কারণেই ঘটে এমন নয়; ছাত্রদের কাজটাও এখানে খুবই জরুরী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যেমন ছাত্রদেরকে গড়ে তুলেছেন, ছাত্ররাও তেমনি শিক্ষকদেরকে শিক্ষাগ্রহণের মধ্য দিয়ে উদ্দীপ্ত করেছে, এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যে চরিতার্থতা তার বোধটাও শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে যখন সঙ্কটাদি দেখা দিয়েছে তখন ছাত্ররাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে ছাত্রদের এই যে সংবেদনশীলতা ও অধিকার-চেতনা ছিল একটি চালিকাশক্তি।
১১ নভেম্বর ২০২২, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

ছাত্রসংসদ আইয়ুব খানের সময়েও টিকে ছিল

স্মরণ করলে দেখা যাবে যে, গত একশ’ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিস্তার ও উন্নয়ন ঘটেছে তা অসাধারণ। শিক্ষাক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বহুমুখী ও সুবিস্তৃত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ঘটে দরিদ্র, অবহেলিত ও প্রান্তিক এক জনপদের মানুষকে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে সাহায্য করার দায়িত্ব নিয়ে।
১০ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

আইয়ুব খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শত্রুপক্ষ মনে করতো

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানগুলোর একটি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। বাইরে যখন প্রবল সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভাগ হওয়ার দিকে, এই বিশ্ববিদ্যালয় তখন কেবল যে সাম্প্রদায়িক হতে অস্বীকার করেছে তাই নয়, হয়ে উঠেছে ধর্মনিরপেক্ষই। ধর্মনিরপেক্ষতার যে দু’টি গুণ- ইহজাগতিকতা ও রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের বিচ্ছিন্নতা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই দু’টিকে লালন করেছে। শিক্ষকরা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক; আর রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার ভেতর দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে বাড়িয়ে দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় ওই পথে এগোয়নি।
৯ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

টাইটানিকের চেয়েও ভয়াবহ যে দুর্ঘটনা

টাইটানিকের ঘটনা সবাই জানে, এতে মারা যায় ১৫১৭ জন। কিন্তু এছাড়া আরও একটি শতাব্দীর ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় ৪৩৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বেঁচেছিল মাত্র ২৫ জন। নদীর ফেরি কিংবা সামুদ্রিক ফেরিতে এর চেয়ে বড় দুর্ঘটনার নজির নেই। টাইটানিকের তুলনায় দোনা পাজ ডিজাস্টার বিষয় কম জানে মানুষ। তবে দুটি ঘটনায় অসংখ্যা পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়েছিল
৮ নভেম্বর ২০২২, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপই ছিল সবচেয়ে ক্ষতিকর

ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্যের প্রবহমানতা অচ্ছেদ্য রূপে বজায় রাখা সম্ভব না হলেও, সমাজ ও রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ধারাবাহিকতায় কিন্তু বিরাম ঘটে নি। প্রতিষ্ঠার সময়ে ঢাকা ও কলকাতা উভয় শহর থেকেই স্বার্থবাদীদের বিরোধিতা যেমন এসেছে, যাত্রা শুরুর পরেও তেমনি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বৈরিতার মোকাবিলা করেই এগুতে হয়েছে।
৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন

ড্যাডির কালজয়ী আলোকচিত্র

গোলাম কাসেম ড্যাডি যখন ফটোগ্রাফি শুরু করেন তখন ভারতবর্ষে ছবি তোলাটা ধর্মীয় দৃষ্টিতে গর্হিত কাজ হিসেবে বিবেচিত হতো। ওই সময়ে ছবি তোলার কারণে তাকে কতটা নিগৃহের স্বীকার হয়েছে, তা ভাবলে বিস্ময় লাগে। শত বছরের জীবন ছিল তার। এই দীর্ঘ জীবনে তিনি দেখেছেন কত কিছু! ক্যামেরার অন্ধকারে আলো সাজিয়ে বন্দি করেছেন কত মণিমাণিক। ফুল-পাখি, নদী-নৌকা, প্রকৃতি-প্রতিকৃতি, পুরাকীর্তি, বাদ যায় নি কোনো কিছুই। গ্লাস প্লেট [কাঁচের পাত] থেকে সেলুলয়েড; এসব রূপালি রসায়নে কেটেছে তার সারা জীবন।
৭ নভেম্বর ২০২২, ১০:১০ পূর্বাহ্ন

সাতচল্লিশ পশ্চিমবঙ্গ-পূর্ববঙ্গ পার্থক্যটাকে অনতিক্রম্য করে দিয়েছিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য ভূমিকাটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চার মধ্য দিয়ে পূর্ববঙ্গের অনগ্রসর সমাজকে এগিয়ে যেতে সাহায্য প্রদান করা। শিক্ষা সব সময়েই সংস্কৃতি ও সামাজিকতার সঙ্গে যুক্ত; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলাতে দায়িত্বটা ছিল বিশেষ ধরনের। একেতো পূর্ববঙ্গের সমাজ ছিল পিছিয়ে-পড়া; তদুপরি উচ্চশিক্ষার জন্য এই অঞ্চলে এটিই ছিল প্রথম বড় ও একক প্রতিষ্ঠান।
৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আপত্তি ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরও

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একশ বছরের ইতিহাস সংগ্রামের, অগ্রগামিতার ও গৌরবের। কিন্তু কোনো ইতিহাসই সরল রেখায় এগোয় না, ছেদ-বিচ্ছেদ ঘটে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা নানাভাবে বিঘ্নিত হয়েছে, এমনও ঘটনা ঘটেছে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি টিকতে পারবে কি না তা নিয়েই সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
৬ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

বিস্মৃত এক সম্পাদক

বাঙালি মুসলমানের জাগরণে দৈনিক পত্রিকা ‘আজাদ’ এর গুরুত্ব অপরিসীম। এই উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিদায়কালে, দেশভাগ, পাকিস্তানের জন্ম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মন্বন্তর, পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে নানাবিধ বিষয়ের টানাপোড়েন এবং পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে  বৈষম্য; ইতিহাসের এইসব সন্ধিক্ষণ এবং বাঁক বদলের সাক্ষী মওলানা আকরম খাঁর মালিকানাধীন পত্রিকা ‘আজাদ’। শুধু সাক্ষী নয় , ঘটনার ভেতর-বাহিরের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণেও পত্রিকাটি বিবিধ ভূমিকা পালন করেছে।
৫ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন আজ

মানুষের অধিকার আর মাতৃভূমির প্রতি নিবেদিত শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জন্মদিন আজ। ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন কসবা ও নবীনগর মুন্সেফ আদালতের সেরেস্তাদার।
২ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

আবু ইসহাক : এক অন্তর্মুখী নিঃসঙ্গ লেখক 

অনেকদিন আগের কথা, অন্তত তিরিশ বছর তো হবেই। ছোট্ট একটা ঘরে কয়েকজন তরুণ বসে আছে, অপেক্ষায়। তাদের সবার চোখে ও বুকে লেখক হবার স্বপ্ন। কাজটা সহজ নয়, জানে তারা। জানে এ-ও, খাতার পর খাতা নানারকম লেখা লিখে ভরিয়ে ফেললেও নিজেদের কাছে ছাড়া অন্য কারো কাছে সেগুলোর আদৌ কোনো মূল্য নেই। কয়েক বছরেই তারা নানা জায়গায় ঠেকে ঠেকে শিখে গেছে, এ বড় কঠিন জগৎ। এখানে কেউ কাউকে ছাড় দেয় না। পরিবারের মানুষদের কাছে এসব অহেতুক সময় নষ্ট, বন্ধুদের কাছে আজাইরা আঁতলামি আর যেসব কর্তারা পত্রপত্রিকায় লেখা-টেখা ছাপানোর দায়িত্ব নিয়ে মহামানব হয়ে উঠেছেন, তাদের কাছে এসব লেখাঝোকা যেন নিছকই বালসুলভ চপলতা। 
১ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

উইয়ের পেটে যাচ্ছে ৭ দশকের অমূল্য সংগ্রহ

ঐতিহ্যের ধুলো জমা পানিহার পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গত শতকের চল্লিশের দশকের মধ্যভাগে; ব্রিটিশ শাসনামলের শেষবেলায়। সে সময় অশিক্ষার অন্ধকারে ডুবে থাকা রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম পানিহারসহ আশপাশের অনেক এলাকার মানুষের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে এসেছিল এই গ্রন্থাগারটি।
৩১ অক্টোবর ২০২২, ১২:৪০ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের এক অচ্ছেদ্য অংশ অন্নদাশঙ্কর রায়

অন্নদাশঙ্কর রায়ের জন্ম ১৫ মে ১৯০৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অধীন ঢেঙ্কানলে (বর্তমানে ওড়িয়া)। আর মারা যান ২৮ অক্টোবর ২০০২ সালে। তিনি ৯৮ বছর বেঁচে ছিলেন। অল্পের জন্যে তিনি শতবর্ষী খেতাবটি মিস করেছেন। লেখক পাঠকের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন লেখালেখির মধ্য দিয়ে। ল্যাটিন আমেরিকান সাহিত্যিক হোর্হে লুইস বোর্হেসের বই বিষয়ক একটি ভিন্ন স্বাদের রচনা রয়েছে। হোর্হে লুইস বোর্হেস বলছেন, লেখকদের বইগুলো থাকে পাঠকের কাছে তাঁদের প্রতিনিধি হয়ে।
২৮ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

প্রকাশিত হয়েছে সাহিত্যের  বিশেষ ছাপা পত্রিকা ‘তর্ক’

অনলাইন সাহিত্য জার্নাল তর্ক বাংলার বিশেষ ছাপা পত্রিকা 'তর্ক' প্রকাশিত হয়েছে। এটি দ্বিতীয় বর্ষের , প্রথম সংখ্যা। বিষয় বৈচিত্র্য সম্বৃদ্ধ সংখ্যাটিতে রয়েছে অপ্রকাশিত চিঠি- সাক্ষাৎকার, বিদেশি সাক্ষাৎকার, প্রবন্ধ, দর্শন, অনুবাদ প্রবন্ধ, কবিতা, গল্প ও স্থাপত্যকলা বিষয়ক লেখা। 
২৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন