মনোনয়ন পেলেও কবি মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার স্থগিত
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন বাংলাদেশ
ইতিহাসের আয়নায় আহমদ শরীফ: সত্য উচ্চারণে আপসহীন কণ্ঠস্বর
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন সাহিত্য
মঈদুল হাসান আজও যে দুঃখ বয়ে বেড়াচ্ছেন
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন সংস্কৃতি
বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ৯ জন
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন সাহিত্য

বইয়ের বাজারেও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব

গুগল বলছে ঢাকা থেকে ইউক্রেনের দূরত্ব ৫ হাজার ৮০৪ কিলোমিটার। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে রাশিয়ার হামলার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বইয়ের বাজারেও। ৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী বেড়ে চলেছে কাগজ ও আনুষঙ্গিক উপকরণের দাম । বাংলাদেশের মুদ্রণশিল্পেও ইতোমধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ছাপা বই, সাময়িকী ও পত্রিকার দাম বাড়ছে।
২ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ অপরাহ্ন

আকবর আলি খানের চোখে জীবনানন্দ দাশের কবিতা

কোনরকম ঝুঁকি ছাড়াই বলা যাইতে পারে যে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আকবর আলি খানের তেমন কোনো জনপরিচিতি ছিল না। তিনি কঠিন টাইপের বাংলাদেশ সরকারের সচিব ছিলেন, এতটাই নিরাবেগ ও রাশভারী যে এমনকি সহকর্মীদের কাছেও ভীতিকর। ঢাকা নগরীর জনপরিসরে তাহার উপস্থিতি ছিল শূন্য। তিনি একাধারে ইতিহাসবিদ ও অর্থনীতিবিদ─ এই পরিচয় সর্বজনবিদিত ছিল না। পরবর্তী দুই যুগে তিনি একজন জননন্দিত বুদ্ধিজীবী হইয়া উঠেন
২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

জীবনের ছন্দ কোথায় 

গুন্টার গ্রাসের একটা চমৎকার বই আছে : ‘শো ইওর টাং’ (‘জিভ কাটো লজ্জায়’)। এক বছর কলকাতায় থাকবেন বলে সস্ত্রীক তিনি চলে এসেছিলেন জার্মানি থেকে, কিন্তু সম্ভবত মাস চারেকের মধ্যেই হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, ফিরে গিয়েছিলেন নিজ দেশে। এই বই তার কলকাতা-যাপনের অপূর্ব বর্ণনা। তখনও নোবেল পুরস্কার পাননি তিনি, তবু বিশ্ববিখ্যাত লেখক। কলকাতায় থাকার জন্য এবং এই শহরবাসীর জীবন দেখার জন্য তার কৌতূহল এবং আগ্রহ ছিল নিশ্চয়ই, কিন্তু সত্যিই তার সস্ত্রীক চলে আসার ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আমাদেরকেও কৌতূহলী করে তোলে। কী দেখতে চেয়েছিলেন তিনি আর কী-ইবা দেখেছেন? 
১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যজগত

প্রথম থেকেই সৈয়দ শামসুল হক খুব আলাদা ধাঁচের বিষয় ও কাব্যভাষার ব্যবহারে সাফল্য দেখিয়েছেন। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একদা এক রাজ্যে’। কিন্তু তার কবিতা রচিত ও প্রকাশিত হচ্ছিল আগের প্রায় এক দশক ধরে। প্রমিত ও পরিচ্ছন্ন কাব্যভাষায় তিনি রচনা করছিলেন নাগরিক মধ্যবিত্তের অন্তর্গত বোধ-বাসনা ও স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার ব্যাকরণ, যা হয়তো ওই সময়ের পূর্ব বাংলা বা ঢাকা নগরীর আবহের চেয়েও ‘অগ্রসর’। নিঃসন্দেহে কলকাতাকেন্দ্রিক বাংলা কাব্যধারা এবং বিশ্ব আধুনিক কবিতার নানা অভিজ্ঞতা তাকে প্রভাবিত করেছিল। ঢাকার অন্য অনেক কবির মতো তিনিও মগ্ন হয়েছিলেন টি এস এলিয়টের কবিতায়; বুদ্ধদেব বসু অনূদিত বোদলেয়ারের কবিতায়। কিন্তু নিজের কবিতায় স্বতন্ত্র স্বর আর ভঙ্গি যোজনা করতে তাকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: বাঙালির চিরকালের আশ্রয়

সুদীর্ঘকালের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, কুসংস্কার, অবিদ্যা ও কূপমণ্ডুকতার নিগড়ে জিম্মি অসহায় বাঙালি সমাজকে মুক্ত করতে যে কয়েকজন বাঙালি মনীষা জন্ম নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর অদ্বিতীয়।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিক্ষায় দীক্ষাগুরুর বিদায় চাই

শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষার কথাটাও আসে, ‘শিক্ষাদীক্ষা’ প্রায়শ একইসঙ্গে চলাফেরা করে। এই যোগাযোগটা কিন্তু অকারণে ঘটেনি; শিক্ষা ও দীক্ষা একইসঙ্গে থাকে, তা যতোই আমরা না-দেখার চেষ্টা করি না কেন। আসলে দীক্ষাই শিক্ষাকে পরিচালনা করে থাকে; ভেতর থেকে এবং অনেকটা অদৃশ্য পন্থায়। শিক্ষার পক্ষে ওই পরিচালনা না মেনে উপায় নেই।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

আকবর আলি খানের নির্বাচিত ১০ বই

আকবর আলি খান লিখেছেন সমাজ, সাহিত্য, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে। ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে ঘুরেছেন ইতিহাসের গলি-ঘুপচিতে। সুললিত বাংলা গদ্য ও ইতিহাসের দর্শন তার লেখাকে করেছে সহজবোধ্য ও শক্তিশালী। লেখনীর ধরন ও ভাষা কারুকাজের জন্য তাকে মনে করা হয় বাংলা মুলুকের উইল ডুরান্ট। তার কাজের ব্যাপ্তি ও গভীরতার শুলুক-সন্ধান করতে গেলে লেখক উইল ডুরান্টের কথা আসে। আরও মজার ব্যাপার হলো আকবর আলি খানের বইয়ে বিভিন্ন কোটেশনেও উঠে এসেছে এই মার্কিন পণ্ডিতের  কথা।
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

বইয়ের যত্ন

সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছেন, ‘বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।’ তবে বইয়ের ঠিকঠাক সংরক্ষণ আর যত্ন না করলে পছন্দের বইগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে বই কিনে দেউলিয়া হওয়া তখন আর অসম্ভব হবে না। বই কিনে দেউলিয়া হতে না চাইলে বইয়ের যত্ন নিতে হবে বাড়ির বারান্দায় লাগানো গাছটির মত, প্রিয় পোষা প্রাণীটির মত।
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

বার্মার জীবনে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

কালজয়ী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ছিল অজস্র অভিজ্ঞতায় ঠাসা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে বার্মার জীবন।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

মানবিক কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জন্মেছিলেন রবীন্দ্র-প্রতাপকালে। তবু অনায়াসেই বাঙালি পাঠকের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন স্বমহিমায়। কথাসাহিত্যে এনেছিলেন অভূতপূর্ব জোয়ার। বঙ্কিমচন্দ্রের বহিরাঙ্গিক ঘটনাপ্রবাহ এড়িয়ে রবীন্দ্রনাথের কথাসাহিত্যে মনোজাগতিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া কিংবা মনোবিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি চরিত্র-চিত্রণে ঠাঁই পেয়েছিল। শরৎচন্দ্র বাঙালির চিরায়ত ভাবাবেগের জায়গাটিকে আশ্রয় করলেন।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

আড়ালের বুদ্ধিজীবী সৈয়দ মুজতবা আলী

একজন রম্যলেখক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। এর পেছনে যে ঔপনিবেশিক ভূতের আছর আছে তা স্পষ্টত। কেননা রম্য তকমা থাকলে ভাঁড় বলেও চালিয়ে দেয়া যায়। যেটা চাউরও রয়েছে বাঙাল মুলুকে। অথচ তিনি ভাঁড় নন, নন কেবলই একজন রম্যলেখক ও ভ্রমণসাহিত্যিক। আক্ষরিক অর্থে তিনি বুদ্ধিজীবী, সত্যের প্রশ্নে-দেশ ও জাতির প্রয়োজনে। যার লেখায় জারি রয়েছে বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা ও সকল কোশেশ। তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

সময়ের দুঃসাহসী কথাশিল্পী শহীদুল জহির

বাংলা সাহিত্যে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত কথাশিল্পী শহীদুল জহির। পরিচিত এ অর্থে যে তিনি সমগ্র বাংলা কথাশিল্পে লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তবরীতির একনিষ্ঠ সাধনা করে অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার রচনায় প্রথম এ রীতির প্রয়োগ ঘটেছে, না কি তার পূর্বেও কেউ কেউ এ রীতিতে লেখার চেষ্টা করেছেন, লিখেছেন, তা গবেষণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও একবাক্যে শহীদুল জহির ও জাদুবাস্তবতা সমার্থক।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

জন্মদিন পালনে আমি বিশ্বাসী নই : আহমদ রফিক

জন্মদিন পালনে আমি বিশ্বাসী নই । তাছাড়া বয়স্কদের জন্মদিন পালনেও আমার অনীহা আছে। তবু লেখালেখির জীবনে আমার বেশ কিছু শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধে, আয়োজনে পালন হয় জন্মদিন। আজও তাই হয়েছে।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন

পৃথিবীর নিঃসঙ্গতম মানুষ

পৃথিবীর নিঃসঙ্গতম মানুষটি মারা গেছেন- এরকম শিরোনামের কোনো খবর দেখলে মনে হওয়ার কথা, বাক্যটি রূপকার্থে বা প্রতীকী অর্থে বলা হয়েছে, যেমনটি বলা হয় কবিতায়। পৃথিবীর সব মানুষই তো কমবেশি নিঃসঙ্গ, কেউ কেউ একটু বেশিই নিঃসঙ্গ, যাদেরকে কেউ বুঝে উঠতে পারে না। সেরকম কেউ মারা গেলেও তো আমাদের এমনই মনে হয়। অথচ খবরের এই শিরোনামটি কোনো রূপকার্থে ব্যবহার করা হয়নি, ব্যবহার করা হয়েছে আক্ষরিক অর্থে। এরকম একজন মানুষ সত্যিই ছিলেন, বাস করতেন ব্রাজিলের আমাজন অরণ্যের গভীরে, সম্পূর্ণ একা। এও কি সম্ভব? একজন মানুষ কীভাবে বনের গভীরে একা বাস করেন, কেনই-বা করেন? একাই কি ছিলেন তিনি সবসময়, জন্ম থেকেই? সেটিই বা কীভাবে সম্ভব? তাকে জন্ম দেবার জন্যও তো অন্তত এক জোড়া নারী-পুরুষ দরকার!
১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

করোনাকালে জীবনের প্রাসঙ্গিক পাঠ

সর্বজনে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত শাইখ সিরাজ। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও পরবর্তীতে চ্যানেল আইয়ের কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান করে নিজে যেমন পেয়েছেন তারকা খ্যাতি, তেমনি দেশের কৃষি সংস্কৃতির পরিবর্তন-পরিবর্ধন-আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিমুখী করার ক্ষেত্রে সদর্থক অর্থেই রেখেছেন যুগান্তকারী ভূমিকা। কিন্তু করোনা মহামারি তাকে হাজির করেছেন ‘লেখক’ হিসেবে। ‘করোনাকালে বহতা জীবন’ পাঠের মধ্য দিয়ে আমরা অন্য এক শাইখ সিরাজকে খুঁজে পাই। 
৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও গীতিকবিদের দুঃখ

আমাদের বাবার মতো গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবাও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এটাই স্বাভাবিক-সঙ্গত ও বাঙালি জীবনের শাশ্বত বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু সন্তান যদি ছেড়ে দেয় একইসঙ্গে সম্মানজনক ও অর্থোপার্জনের বিস্তর সুযোগ থাকার নিশ্চিত পেশা সংলগ্ন লেখাপড়া। এবং সেসবকে শিঁকেয় তুলে রেখে সৃজনশীল কাজে-বিশেষ করে গান লেখাকে যখন বেছে নেয় ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে, তখন একজন বাবা কতোটা চিন্তাগ্রস্ত হন, তা শুধু এমন দশাগ্রস্ত একজন বাবার পক্ষেই অনুভব ও উপলব্ধি করা সম্ভব। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবার মধ্যেও আমরা দেখেছি একজন সন্তান স্নেহে অন্ধ বাবার অব্যক্ত দুঃখ-কষ্ট ও চাপা ক্ষোভের উপস্থিতি। গান লেখার নেশায় তিনি যখন ছাড়তে চলেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের লেখাপড়া। তখন বাবা এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন, ‘ইউ আর মাই লস্ট গেম’।
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

একাকীত্বের বেদনাকে আমি উপভোগ করি: হেলাল হাফিজ

‘আমি একা থাকতেই পছন্দ করি। সারা জীবন ধরে একাই থাকছি। অসুস্থ অবস্থায় আমার সঙ্গে অনেকে থাকার আগ্রহ দেখালেও আমি যেখানে থাকি, সেখানে অন্য কারুর থাকার সুযোগ নেই।’
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

গুরুতর অসুস্থ কবি হেলাল হাফিজ

গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কবি হেলাল হাফিজ।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

আবুল মনসুর আহমদ: বাঙালি সমাজজীবনের নিপুণ রূপকার

আবুল মনসুর আহমদ এক বিস্ময়কর বাঙালি মনীষা। বাংলার সমাজজীবনের নিবিড়-নিপুণ রূপকার এবং সমাজ-নিরীক্ষক। বলা যায়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে; বিশেষ করে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের সমাজ ও জীবন-সংকটের রূপায়ণে তিনি অদ্বিতীয়। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব- যার মধ্যে অনেক গুণাবলির সন্নিবেশ দেখতে পাই। তিনি শুধু সুসাহিত্যিক নন; একজন তুখোড় রাজনীতিক, সুযোগ্য সাংবাদিক এবং ডাকসাইটে আইনজ্ঞও। 
৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

বুদ্ধিবৃত্তিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ আবুল মনসুর আহমদ

আবুল মনসুর আহমদ ছিলেন ওজস্বী ও বুদ্ধিবৃত্তিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ। ওজস্বিতা ভাষার প্রাঞ্জলতা আর বুদ্ধি বা যুক্তি হলো সত্যনিষ্ঠ বক্তব্য- যা সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে তার ভাষার দক্ষতা নির্মিত হয়েছে মূলত তার দুজন গুরুর সান্নিধ্যে। একজন ফজলুল হক সেলবর্সী আরেকজন ওয়াজেদ আলী। অকপটে দুজন গুরুর ঋণ স্বীকারও করেছেন তিনি। 
২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন

বইয়ের বাজারেও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাব

গুগল বলছে ঢাকা থেকে ইউক্রেনের দূরত্ব ৫ হাজার ৮০৪ কিলোমিটার। পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে রাশিয়ার হামলার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বইয়ের বাজারেও। ৭ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী বেড়ে চলেছে কাগজ ও আনুষঙ্গিক উপকরণের দাম । বাংলাদেশের মুদ্রণশিল্পেও ইতোমধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ছাপা বই, সাময়িকী ও পত্রিকার দাম বাড়ছে।
২ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ অপরাহ্ন

আকবর আলি খানের চোখে জীবনানন্দ দাশের কবিতা

কোনরকম ঝুঁকি ছাড়াই বলা যাইতে পারে যে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আকবর আলি খানের তেমন কোনো জনপরিচিতি ছিল না। তিনি কঠিন টাইপের বাংলাদেশ সরকারের সচিব ছিলেন, এতটাই নিরাবেগ ও রাশভারী যে এমনকি সহকর্মীদের কাছেও ভীতিকর। ঢাকা নগরীর জনপরিসরে তাহার উপস্থিতি ছিল শূন্য। তিনি একাধারে ইতিহাসবিদ ও অর্থনীতিবিদ─ এই পরিচয় সর্বজনবিদিত ছিল না। পরবর্তী দুই যুগে তিনি একজন জননন্দিত বুদ্ধিজীবী হইয়া উঠেন
২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

জীবনের ছন্দ কোথায় 

গুন্টার গ্রাসের একটা চমৎকার বই আছে : ‘শো ইওর টাং’ (‘জিভ কাটো লজ্জায়’)। এক বছর কলকাতায় থাকবেন বলে সস্ত্রীক তিনি চলে এসেছিলেন জার্মানি থেকে, কিন্তু সম্ভবত মাস চারেকের মধ্যেই হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, ফিরে গিয়েছিলেন নিজ দেশে। এই বই তার কলকাতা-যাপনের অপূর্ব বর্ণনা। তখনও নোবেল পুরস্কার পাননি তিনি, তবু বিশ্ববিখ্যাত লেখক। কলকাতায় থাকার জন্য এবং এই শহরবাসীর জীবন দেখার জন্য তার কৌতূহল এবং আগ্রহ ছিল নিশ্চয়ই, কিন্তু সত্যিই তার সস্ত্রীক চলে আসার ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আমাদেরকেও কৌতূহলী করে তোলে। কী দেখতে চেয়েছিলেন তিনি আর কী-ইবা দেখেছেন? 
১ অক্টোবর ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যজগত

প্রথম থেকেই সৈয়দ শামসুল হক খুব আলাদা ধাঁচের বিষয় ও কাব্যভাষার ব্যবহারে সাফল্য দেখিয়েছেন। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘একদা এক রাজ্যে’। কিন্তু তার কবিতা রচিত ও প্রকাশিত হচ্ছিল আগের প্রায় এক দশক ধরে। প্রমিত ও পরিচ্ছন্ন কাব্যভাষায় তিনি রচনা করছিলেন নাগরিক মধ্যবিত্তের অন্তর্গত বোধ-বাসনা ও স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার ব্যাকরণ, যা হয়তো ওই সময়ের পূর্ব বাংলা বা ঢাকা নগরীর আবহের চেয়েও ‘অগ্রসর’। নিঃসন্দেহে কলকাতাকেন্দ্রিক বাংলা কাব্যধারা এবং বিশ্ব আধুনিক কবিতার নানা অভিজ্ঞতা তাকে প্রভাবিত করেছিল। ঢাকার অন্য অনেক কবির মতো তিনিও মগ্ন হয়েছিলেন টি এস এলিয়টের কবিতায়; বুদ্ধদেব বসু অনূদিত বোদলেয়ারের কবিতায়। কিন্তু নিজের কবিতায় স্বতন্ত্র স্বর আর ভঙ্গি যোজনা করতে তাকে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: বাঙালির চিরকালের আশ্রয়

সুদীর্ঘকালের অশিক্ষা-কুশিক্ষা, কুসংস্কার, অবিদ্যা ও কূপমণ্ডুকতার নিগড়ে জিম্মি অসহায় বাঙালি সমাজকে মুক্ত করতে যে কয়েকজন বাঙালি মনীষা জন্ম নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর অদ্বিতীয়।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিক্ষায় দীক্ষাগুরুর বিদায় চাই

শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষার কথাটাও আসে, ‘শিক্ষাদীক্ষা’ প্রায়শ একইসঙ্গে চলাফেরা করে। এই যোগাযোগটা কিন্তু অকারণে ঘটেনি; শিক্ষা ও দীক্ষা একইসঙ্গে থাকে, তা যতোই আমরা না-দেখার চেষ্টা করি না কেন। আসলে দীক্ষাই শিক্ষাকে পরিচালনা করে থাকে; ভেতর থেকে এবং অনেকটা অদৃশ্য পন্থায়। শিক্ষার পক্ষে ওই পরিচালনা না মেনে উপায় নেই।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

আকবর আলি খানের নির্বাচিত ১০ বই

আকবর আলি খান লিখেছেন সমাজ, সাহিত্য, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে। ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে ঘুরেছেন ইতিহাসের গলি-ঘুপচিতে। সুললিত বাংলা গদ্য ও ইতিহাসের দর্শন তার লেখাকে করেছে সহজবোধ্য ও শক্তিশালী। লেখনীর ধরন ও ভাষা কারুকাজের জন্য তাকে মনে করা হয় বাংলা মুলুকের উইল ডুরান্ট। তার কাজের ব্যাপ্তি ও গভীরতার শুলুক-সন্ধান করতে গেলে লেখক উইল ডুরান্টের কথা আসে। আরও মজার ব্যাপার হলো আকবর আলি খানের বইয়ে বিভিন্ন কোটেশনেও উঠে এসেছে এই মার্কিন পণ্ডিতের  কথা।
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

বইয়ের যত্ন

সৈয়দ মুজতবা আলী বলেছেন, ‘বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না।’ তবে বইয়ের ঠিকঠাক সংরক্ষণ আর যত্ন না করলে পছন্দের বইগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে বই কিনে দেউলিয়া হওয়া তখন আর অসম্ভব হবে না। বই কিনে দেউলিয়া হতে না চাইলে বইয়ের যত্ন নিতে হবে বাড়ির বারান্দায় লাগানো গাছটির মত, প্রিয় পোষা প্রাণীটির মত।
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

বার্মার জীবনে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

কালজয়ী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ছিল অজস্র অভিজ্ঞতায় ঠাসা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে আছে বার্মার জীবন।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

মানবিক কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জন্মেছিলেন রবীন্দ্র-প্রতাপকালে। তবু অনায়াসেই বাঙালি পাঠকের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন স্বমহিমায়। কথাসাহিত্যে এনেছিলেন অভূতপূর্ব জোয়ার। বঙ্কিমচন্দ্রের বহিরাঙ্গিক ঘটনাপ্রবাহ এড়িয়ে রবীন্দ্রনাথের কথাসাহিত্যে মনোজাগতিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া কিংবা মনোবিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি চরিত্র-চিত্রণে ঠাঁই পেয়েছিল। শরৎচন্দ্র বাঙালির চিরায়ত ভাবাবেগের জায়গাটিকে আশ্রয় করলেন।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

আড়ালের বুদ্ধিজীবী সৈয়দ মুজতবা আলী

একজন রম্যলেখক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। এর পেছনে যে ঔপনিবেশিক ভূতের আছর আছে তা স্পষ্টত। কেননা রম্য তকমা থাকলে ভাঁড় বলেও চালিয়ে দেয়া যায়। যেটা চাউরও রয়েছে বাঙাল মুলুকে। অথচ তিনি ভাঁড় নন, নন কেবলই একজন রম্যলেখক ও ভ্রমণসাহিত্যিক। আক্ষরিক অর্থে তিনি বুদ্ধিজীবী, সত্যের প্রশ্নে-দেশ ও জাতির প্রয়োজনে। যার লেখায় জারি রয়েছে বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা ও সকল কোশেশ। তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

সময়ের দুঃসাহসী কথাশিল্পী শহীদুল জহির

বাংলা সাহিত্যে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত কথাশিল্পী শহীদুল জহির। পরিচিত এ অর্থে যে তিনি সমগ্র বাংলা কথাশিল্পে লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তবরীতির একনিষ্ঠ সাধনা করে অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তার রচনায় প্রথম এ রীতির প্রয়োগ ঘটেছে, না কি তার পূর্বেও কেউ কেউ এ রীতিতে লেখার চেষ্টা করেছেন, লিখেছেন, তা গবেষণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও একবাক্যে শহীদুল জহির ও জাদুবাস্তবতা সমার্থক।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

জন্মদিন পালনে আমি বিশ্বাসী নই : আহমদ রফিক

জন্মদিন পালনে আমি বিশ্বাসী নই । তাছাড়া বয়স্কদের জন্মদিন পালনেও আমার অনীহা আছে। তবু লেখালেখির জীবনে আমার বেশ কিছু শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধে, আয়োজনে পালন হয় জন্মদিন। আজও তাই হয়েছে।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন

পৃথিবীর নিঃসঙ্গতম মানুষ

পৃথিবীর নিঃসঙ্গতম মানুষটি মারা গেছেন- এরকম শিরোনামের কোনো খবর দেখলে মনে হওয়ার কথা, বাক্যটি রূপকার্থে বা প্রতীকী অর্থে বলা হয়েছে, যেমনটি বলা হয় কবিতায়। পৃথিবীর সব মানুষই তো কমবেশি নিঃসঙ্গ, কেউ কেউ একটু বেশিই নিঃসঙ্গ, যাদেরকে কেউ বুঝে উঠতে পারে না। সেরকম কেউ মারা গেলেও তো আমাদের এমনই মনে হয়। অথচ খবরের এই শিরোনামটি কোনো রূপকার্থে ব্যবহার করা হয়নি, ব্যবহার করা হয়েছে আক্ষরিক অর্থে। এরকম একজন মানুষ সত্যিই ছিলেন, বাস করতেন ব্রাজিলের আমাজন অরণ্যের গভীরে, সম্পূর্ণ একা। এও কি সম্ভব? একজন মানুষ কীভাবে বনের গভীরে একা বাস করেন, কেনই-বা করেন? একাই কি ছিলেন তিনি সবসময়, জন্ম থেকেই? সেটিই বা কীভাবে সম্ভব? তাকে জন্ম দেবার জন্যও তো অন্তত এক জোড়া নারী-পুরুষ দরকার!
১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

করোনাকালে জীবনের প্রাসঙ্গিক পাঠ

সর্বজনে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত শাইখ সিরাজ। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও পরবর্তীতে চ্যানেল আইয়ের কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান করে নিজে যেমন পেয়েছেন তারকা খ্যাতি, তেমনি দেশের কৃষি সংস্কৃতির পরিবর্তন-পরিবর্ধন-আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিমুখী করার ক্ষেত্রে সদর্থক অর্থেই রেখেছেন যুগান্তকারী ভূমিকা। কিন্তু করোনা মহামারি তাকে হাজির করেছেন ‘লেখক’ হিসেবে। ‘করোনাকালে বহতা জীবন’ পাঠের মধ্য দিয়ে আমরা অন্য এক শাইখ সিরাজকে খুঁজে পাই। 
৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও গীতিকবিদের দুঃখ

আমাদের বাবার মতো গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবাও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এটাই স্বাভাবিক-সঙ্গত ও বাঙালি জীবনের শাশ্বত বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু সন্তান যদি ছেড়ে দেয় একইসঙ্গে সম্মানজনক ও অর্থোপার্জনের বিস্তর সুযোগ থাকার নিশ্চিত পেশা সংলগ্ন লেখাপড়া। এবং সেসবকে শিঁকেয় তুলে রেখে সৃজনশীল কাজে-বিশেষ করে গান লেখাকে যখন বেছে নেয় ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে, তখন একজন বাবা কতোটা চিন্তাগ্রস্ত হন, তা শুধু এমন দশাগ্রস্ত একজন বাবার পক্ষেই অনুভব ও উপলব্ধি করা সম্ভব। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবার মধ্যেও আমরা দেখেছি একজন সন্তান স্নেহে অন্ধ বাবার অব্যক্ত দুঃখ-কষ্ট ও চাপা ক্ষোভের উপস্থিতি। গান লেখার নেশায় তিনি যখন ছাড়তে চলেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের লেখাপড়া। তখন বাবা এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন, ‘ইউ আর মাই লস্ট গেম’।
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

একাকীত্বের বেদনাকে আমি উপভোগ করি: হেলাল হাফিজ

‘আমি একা থাকতেই পছন্দ করি। সারা জীবন ধরে একাই থাকছি। অসুস্থ অবস্থায় আমার সঙ্গে অনেকে থাকার আগ্রহ দেখালেও আমি যেখানে থাকি, সেখানে অন্য কারুর থাকার সুযোগ নেই।’
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন

গুরুতর অসুস্থ কবি হেলাল হাফিজ

গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কবি হেলাল হাফিজ।
৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন

আবুল মনসুর আহমদ: বাঙালি সমাজজীবনের নিপুণ রূপকার

আবুল মনসুর আহমদ এক বিস্ময়কর বাঙালি মনীষা। বাংলার সমাজজীবনের নিবিড়-নিপুণ রূপকার এবং সমাজ-নিরীক্ষক। বলা যায়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে; বিশেষ করে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের সমাজ ও জীবন-সংকটের রূপায়ণে তিনি অদ্বিতীয়। তিনি এমন একজন ব্যক্তিত্ব- যার মধ্যে অনেক গুণাবলির সন্নিবেশ দেখতে পাই। তিনি শুধু সুসাহিত্যিক নন; একজন তুখোড় রাজনীতিক, সুযোগ্য সাংবাদিক এবং ডাকসাইটে আইনজ্ঞও। 
৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

বুদ্ধিবৃত্তিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ আবুল মনসুর আহমদ

আবুল মনসুর আহমদ ছিলেন ওজস্বী ও বুদ্ধিবৃত্তিক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ। ওজস্বিতা ভাষার প্রাঞ্জলতা আর বুদ্ধি বা যুক্তি হলো সত্যনিষ্ঠ বক্তব্য- যা সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে তার ভাষার দক্ষতা নির্মিত হয়েছে মূলত তার দুজন গুরুর সান্নিধ্যে। একজন ফজলুল হক সেলবর্সী আরেকজন ওয়াজেদ আলী। অকপটে দুজন গুরুর ঋণ স্বীকারও করেছেন তিনি। 
২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন