ধর্ষণ ও ভ্রুণ নষ্টের মামলায় বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুমিল্লা

ধর্ষণ ও জোর করে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় ছাত্রশিবিরের সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা জিসান প্রধানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার ৩ নম্বর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তায়েব উদ্দিন এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দাউদকান্দি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমাম উদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে জিসানকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(গ) ধারা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ধারার অধীনে দায়ের করা এ মামলায় জিসান মিয়া প্রধানের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

এর আগে, গত ১২ জুন জিসানের বড় ভাই রাসেল আহমেদ রাফি দাউদকান্দি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। এতে বলা হয়, গত ১১ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টা থেকে জিসান নিখোঁজ ছিলেন।

ওই রাতেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, শিবির নেতা জিসান প্রধান এক নারীর করা ধর্ষণের অভিযোগ ও বিয়ের চাপ এড়াতে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

পুলিশ আরও জানায়, গত ২০ মে জিসান দাউদকান্দির একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার গর্ভপাত করানো হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান বিয়ে করবেন বলে সম্মতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ে না করার টালবাহানা থেকে তিনি আত্মগোপনে যান।

জিসানকে উদ্ধারের খবর পেয়ে ১২ জুন রাতে ওই নারী বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ধর্ষণ, ধর্ষণে সহায়তা ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগ এনে জিসানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার মোট আসামি চারজন।