সাভারে পাইপ বোমাসহ গ্রেপ্তার আরিফের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, সাভার

সাভার থেকে পাইপ বোমাসহ গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, আরিফ নব্য জেএমবি সদস্য।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে সাভার মডেল থানা থেকে তাকে ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হয়।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সাভারের শ্যামপুরে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও আইইডি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় নব্য জেএমবির ছয় সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানকে (২৬) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আরিফকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গতকাল কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি থানার ফেকামারা এলাকার মো. হানিফের ছেলে মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান (২৬), সাভারের শ্যামপুরের মৃত ইসমাইলের ছেলে মো. নাজমুল হাসান মামুন (৩২), পাবনার সুজানগর থানার দুর্গাপুর এলাকার মো. আমিন উদ্দিন খানের ছেলে মো. আক্কাস আলী (৩০), আশুলিয়ার দিয়াখালী এলাকার কামাল হোসেন (৪৫), রাখী (৩০) ও রাকিব (৩০)।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট সন্ধ্যায় সাভারের ট্যানারি এস্টেটের পশ্চিম দেয়ালসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় নব্য জেএমবির ওই সদস্যরা নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। পরে সিটিটিসির একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে পাইপ বোমাসহ আরিফকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখান থেকে ৯৮ শতাংশ ঘনমাত্রার সালফিউরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম নাইট্রেট পাউডার, আইইডি তৈরির ডেটোনেটর, রিমোট কন্ট্রোলার, ভোল্টমিটার ও বিয়ারিং বলসহ প্রায় আড়াই ডজন আলামত জব্দ করা হয়।

পরে ওই বাসা থেকে উদ্ধার করা পাইপ বোমা বা আইইডি জননিরাপত্তার স্বার্থে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করে।