ইরানে যুদ্ধ

নির্ধারিত সময়ে ছাড়বে রিয়াদ, জেদ্দা ও মাস্কাটে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের আবুধাবি, দুবাই, কুয়েতসহ কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ করায় বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিক ও যাত্রীরা। 

গতকাল শনিবার থেকে আজ রোববার সকাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যগামী ২৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে বলে জানান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ।

ছবি: স্টার।

এর মধ্যেই আজ রোববার থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও জেদ্দা এবং ওমানের মাস্কাট রুটে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিল ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীদের নির্ধারিত ফ্লাইট সূচির চার ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে চেক-ইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাশ সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবী, শারজাহ ও কাতারের রাজধানী দোহায় ফ্লাইট চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। আরব আমিরাত ও কাতারে ফ্লাইট চলাচল উপযোগী হওয়া মাত্রই যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও জানান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের তথ্যের জন্য ১৩৬০৫ অথবা ০১৭৭৭৭৭৭৮০০-৮০৬ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। কুয়েত, দুবাই, কাতার ও বাহরাইনের মতো দেশগুলো আকাশসীমা বন্ধ করায় এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আজ সকালে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৩টি এবং আগমনী ৭টিসহ মোট ১০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানিয়েছেন, অনেক ফ্লাইট উড্ডয়নের পর মাঝপথ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। বিশেষ করে অনেক প্রবাসী শ্রমিকের ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকায় তারা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। 

গতকাল রাতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোলাম নূর নামের এক যাত্রী জানান, তিন দিনের মধ্যে ফিরতে না পারলে তার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, যা তার জীবিকাকে সংকটে ফেলবে।