আটকের ১১ মাস পর বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিলো ভারত

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশি নাগরিককে বিএসএফ আটকের প্রায় ১১ মাস পর তার মরদেহ ফেরত দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

আজ শুক্রবার বিকেলে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

তেতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত আজিজুর রহমান (৫০) ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার শাহানাবাদ বাজার গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মে মাসে বিএসএফের হাতে আটক আজিজুর শিলিগুঁড়ি কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২২ মার্চ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সেদিনই শিলিগুঁড়ির বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

আজিজুরকে গত বছরের ১৪ মে দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের ধর্মগড় সীমান্তের ৩৭১/১-এস পিলারের ভারতীয় অংশ আটক করে আমবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল।

ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, 'আজ ভারত ও বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন পুলিশের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় আজিজুরের মরদেহ জামাতা মো. দুলাল হোসেন ও ভাতিজা মো. সোহেল রানার কাছে হস্তান্তর করা হয়।'

এসময় বিজিবি-বিএসএফ সদস্য ও কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তা আতোয়ার সালাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান ওসি।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আজিজুরের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।

আজিজুরকে আটকের পর পতাকা বৈঠকে বিএসএফ দাবি করেছিল, কয়েকজন বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশ করলে বিএসএফ বাধা দেয়। অন্যান্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়লেও আজিজুর বিএসএফ সদস্যদের হাতে আটক হন।

ঠাকুরগাঁও ৫০ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজির আহমেদ ডেইলি স্টারকে বলেন, 'তাকে আটকের পর শিলিগুঁড়ি জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। চলতি বছরের ২২ মার্চ সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন দুপুরে আজিজুর মারা যান।'