গাজীপুরে ৪ জনকে গলা কেটে ও শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় তিন শিশু ও তাদের মাসহ পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় প্রাথমিক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা গেছে, চারজনকে গলা কেটে ও একজনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেল ৫টার দিকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মাজহারুল হক দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, নিহত শারমিন, তার ভাই রসুল মোল্লা এবং দুই মেয়ে মিম ও মারিয়াকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। আর ছোট মেয়ে ফারিয়াকে হত্যা করা হয় শ্বাসরোধে।
মাজহারুল হক বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে নিহতদের চেতনানাশক বা অন্য কোনো কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে বিভিন্ন আলামতের নমুনা সিআইডির পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
গত শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে তিন শিশু ও তাদের মাসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে অভিযুক্ত গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া পলাতক।
হত্যার ঘটনায় ফোরকান মিয়াকে প্রধান আসামি করে নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাত মোল্লা বাদী হয়ে শনিবার সন্ধ্যায় কাপাসিয়া থানায় মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ফোরকান মিয়া গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরি গোপীনাথপুর গ্রামের মো. আতিয়ার হাসান মোল্লার ছেলে।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ডেইলি স্টারকে বলেন, এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ফোরকানকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।