কোরবানির ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসরণ করা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
ঈদুল আজহায় আট ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম।
ঈদের আগের রাতে হাট শেষ হওয়ার পর থেকে পরিচ্ছন্নতা শুরু হবে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘পরের দিন কোরবানি হওয়ার পরে আট ঘণ্টার মধ্যে ইনশাআল্লাহ ঢাকা মহানগরীকে আমরা পরিচ্ছন্ন করে দেবো।’
আজ বুধবার সকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ১১টি পশুর হাটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘আমরা তাদের (ইজারাদার) কিছু নিয়ম-শৃঙ্খলা দিয়েছি, যাতে সেগুলো তারা মেনে চলে। কারণ আমরা চাই, ক্রেতা-বিক্রেতা কারও যাতে কোনো অসুবিধা না হয়। পাশাপাশি নগরবাসীরও যাতে কোনো অসুবিধা না হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা হাটে আমরা কন্ট্রোল রুম করছি। প্রত্যেকটা হাটে পর্যবেক্ষণের জন্য আমাদের লোকজন থাকবে। ডাক্তার থাকবে, গবাদি পশুর যদি কোনো অসুবিধা হয় সেটাও তারা দেখবে। এমনকি মানুষেরও যদি কোনো ইমারজেন্সি চিকিৎসা দরকার হয়, সেটার ব্যবস্থা করা হবে। পুলিশের টহল থাকবে যাতে পথে কোথাও আইন-শৃঙ্খলার বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়।’
সালাম বলেন, ‘দুই বছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ ঢাকা শহরের চেহারা আমরা পাল্টে দিতে পারবো। সেটার জন্য জনগণের সচেতনতা দরকার। আর মনে করতে হবে, এই ঢাকা শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা, রক্ষা করা, বায়ু দূষণ থেকে রক্ষা করা—সব কিছুর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু একা সিটি করপোরেশনের পক্ষে বা একা প্রশাসকের পক্ষে সম্ভব নয়।’
এ সময় নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
আগামী বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোগের বিস্তার প্রতিহত করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সালাম বলেন, ‘এখন থেকেই তার প্রতিকারের ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করেছি। প্রতিটি এলাকায় এলাকায় আমরা জরিপ করছি। কোথায় চিকুনগুনিয়া, কোথায় ডেঙ্গু রোগের প্রভাব বেশি পড়তে পারে। সেই এলাকায় আমরা সেগুলোকে (লার্ভা) ধ্বংস করার জন্য চেষ্টা করছি।’
নগরবাসীকে যার যার বাড়ির আঙিনা, বাড়ির সামনের ড্রেন পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান। ‘আপনার বাড়ির সামনের রাস্তা যদি আপনারা পরিষ্কার রাখেন, কোথাও যদি পানি না জমাট হয়, তাহলে ডেঙ্গু মশা কোনোভাবে তার ডিম সেখানে পাড়তে পারবে না। সেখানে লার্ভার জন্ম হবে না,’ বলেন তিনি।