জিন্নাহর ছবি ও শিক্ষক মূল্যায়নে ওয়েবসাইট

অনুমোদন ছাড়া কার্যক্রমে ডাকসুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ঢাবি প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া ডাকসু কার্যক্রম চালালে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে কোনো সমান্তরাল কাঠামো বা প্রক্রিয়া চালানোর সুযোগ নেই। ডাকসুর সব কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বা উপাচার্যের অনুমতি ও আলোচনা ছাড়াই ডাকসু ভবনের পাশে এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করেছে ডাকসু।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এবং সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ ও বিধিমালার কথা উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি সিন্ডিকেটের কর্তৃত্বাধীন। অন্যদিকে, ছাত্র সংসদের সিদ্ধান্ত উপাচার্যের নির্দেশনার অধীন।

এদিকে, ডাকসু সংগ্রহশালায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও আবদুল মালেকের ছবি প্রদর্শনেরও আপত্তি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের ছবি প্রদর্শন ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য ডাকসুর পৃথক ওয়েবসাইট চালুরও সমালোচনা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তারা বলেছে, শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত নীতিমালা রয়েছে।

ডাকসুর ওয়েবসাইটে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, ডাকসু শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্বকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তবে এর সব কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে কোনো ‘সমান্তরাল কাঠামো’ বা প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে তা ‘কঠোরভাবে প্রতিহত’ করা হবে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

অনুমোদন ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ বা পৃথক প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।