রাজনীতির চিত্রই কি আমরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেখছি
শুরুতেই যতটা জোরালোভাবে সম্ভব এটাই বলব যে, একটি খেলা শেষ পর্যন্ত একটি খেলাই। প্রতিটি টুর্নামেন্টই এক একটি ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আসর। সেখানে সেরা দল-খেলোয়াড়ের জয় হবে এবং তাদের যোগ্যতা-দক্ষতার প্রতি আমাদের সবার সম্মান দেখানো উচিত।
৮ নভেম্বর ২০২১, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
সাংবাদিকতার ৫০ বছর ও আগামীর চ্যালেঞ্জ
সাংবাদিকতার গৌরবোজ্জ্বল সময়ের কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়কেই বোঝাই। অথচ, বর্তমান সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে তখনকার গণমাধ্যম একেবারেই তার প্রাথমিক অবস্থায় ছিল। সে সময় কোনো বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল অথবা রেডিও স্টেশন না থাকায় এ ক্ষেত্রে সরকারের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। স্বাধীন গণমাধ্যম বলতে শুধু সংবাদপত্র ছিল। আর সেটাও মূলত ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ ও ‘সংবাদ‘-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। বলাই বাহুল্য, সারা বিশ্বের মানুষের তখনো ইন্টারনেট, অনলাইনভিত্তিক গণমাধ্যম অথবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষয়ে কোনো ধারণা ছিল না।
৩১ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মকে ১৯৭১-এর চেতনায় উজ্জীবিত করতে হবে
বর্বরতম গণহত্যার ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হওয়ায়, কাউকে যেন দেশের মাটিতে তার ধর্মের কারণে বঞ্চনার শিকার হতে না হয়—এটি ছিল প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার গণতন্ত্র ও সাম্যের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আরও একটি সংকল্প।
২২ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
ইত্তেফাকের প্রকাশনা ‘প্রথম পাতা ১৯৫৩-১৯৭২’
আমাদের জাতিসত্তা গঠনে 'দৈনিক ইত্তেফাক'-এর অবদানের কথা সর্বজনবিদিত। পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া বিশ্বের এই অঞ্চলের সাংবাদিকতার প্রবাদপুরুষ হিসেবে বিবেচিত। আমরা যারা তার পদাঙ্ক অনুসরণের চেষ্টা করেছি, তাদের জন্য তিনি নিরন্তর অনুপ্রেরণা ও গর্বের উৎস। পত্রিকার একেবারে শুরু থেকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত দৈনিক ইত্তেফাক পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো সামনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করে গেছে এবং তৎকালীন নেতৃত্বের বৈষম্যমূলক নীতি সবার সামনে উন্মোচন করেছে।
১৫ অক্টোবর ২০২১, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
নির্বাচন কি আগের মতোই, নাকি উত্তরণ
আমাদের পরবর্তী নির্বাচন দুই বছরের আগে হচ্ছে না; অর্থাৎ ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ। অনেক দেশেই এত আগে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয় না। তবে, আমাদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অনেক আলোচনা হবে—সেগুলোর বেশিরভাগই হবে একমুখী, যেহেতু আমরা একসঙ্গে বসে একে অপরের অবস্থান বিবেচনা করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মতো কোনো সক্ষমতা অর্জন করতে পারিনি।
৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
কেন আমাদের আইনি ব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতাকে এত হেলাফেলা করা হয়?
একটি ফেসবুক পোস্টে হেফাজত-ই-ইসলামের নেতা মামুনুল হকের সমালোচনা করার অপরাধে প্রায় সাত মাস কারাদণ্ড ভোগ করার পর অবশেষে গত মঙ্গলবার জেল থেকে বের হয়ে এসেছেন ঝুমন দাশ। এটি নিঃসন্দেহে খুশি হওয়ার মতো একটি সংবাদ। মজার ব্যাপার হচ্ছে, মামুনুল নিজেই এখন আটক আছেন এবং তার বিরুদ্ধে প্রায় ২৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
১ অক্টোবর ২০২১, ১২:২২ অপরাহ্ন
গণমাধ্যমের সর্বগ্রাসী করপোরেটকরণ
সাংবাদিক হিসেবে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের শোষণমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার কিছু অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে। কিন্তু, মালিক নিজেই যখন তার গণমাধ্যমের প্রতি শোষণমূলক আচরণ করেন, তখন কীভাবে এবং কেন এমন পরিস্থিতির মোকাবিলা করব?
২৮ আগস্ট ২০২১, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
তালেবানদের আফগানিস্তান দখলের তাৎপর্য
কখনো কখনো ইতিহাস এমনভাবে উন্মোচিত হয়, যা আমাদের চিন্তা জগতকে ছাড়িয়ে যায়। ঘটনাটি হয়ত আমাদের যুক্তির সঙ্গে মেলে না, সামনে থাকা তথ্য ও বিশ্লেষণের বিপরীতে যাচ্ছে কিংবা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিগত কারণে হয়ত ভিন্ন কোনো ফলাফলের কথা ভাবছিলাম। কিন্তু একপর্যায়ে সব ধোঁয়াশা দূর হয় এবং আমরা ঘটনাগুলো ভালো করে বুঝতে শুরু করি। সে মুহূর্তে ঘটে যাওয়া বাস্তবতাকেই অনিবার্য বলে মনে হয়। নতুন নতুন তথ্য বের হয়ে আসার প্রেক্ষাপটে তালেবানদের ক্ষমতা দখলের বিষয়টিকে এখন সেরকমই মনে হচ্ছে। অর্থাৎ, তাদের বিজয় অনিবার্যই ছিল। এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের বিজয়ের অর্থ, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্ব, স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে এর আদর্শগত প্রভাব এবং বাংলাদেশের ওপর এর সার্বিক প্রভাবের বিষয়গুলো ভালো করে বোঝা।
২০ আগস্ট ২০২১, ০২:০৯ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি: কীভাবে স্মরণ করব জাতীয় বীরকে
বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসে অনেক বীর রয়েছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন। অন্যরা হয়তো তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে, কিংবা একাধিক ক্ষেত্রে শীর্ষে পৌঁছতে পেরেছেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বীরত্বগাথা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আমাদেরকে একটি দেশ এনে দিয়েছেন।
১৫ আগস্ট ২০২১, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
‘সিদ্ধান্তের খেলা’, যা জনগণের সঙ্গে খেলছি
সার্বিকভাবে কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারের নীতি-নির্ধারকরা যদি বারবার তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন, তাহলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না? একটা ঘোষণা দেওয়ার পরের দিনই যদি তা আবার পরিবর্তন করা হয়, সেক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্তগুলোতে মানুষের আস্থা কমে যাওয়াই স্বাভাবিক নয় কি? যখন বাস্তবায়নের সুষ্ঠু পরিকল্পনা ছাড়া কোনো কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়, সেটি সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দেওয়ার জন্যে যথেষ্ট নয় কি? মানুষের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে কোনো চিন্তা না করেই যখন সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়, তখন কি সরকার আশা করতে পারে, যে সবাই সবকিছু সর্বান্তকরণে মেনে নেবে?
১৩ আগস্ট ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন
মহামারির সবচেয়ে বড় শিক্ষা: বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার জরুরি
সহজ কথায় বলতে গেলে এটি একটি ‘প্রক্রিয়া বনাম ধৈর্য’ বিষয়ক সমস্যা। যার অর্থ হলো— ‘আমলাতন্ত্র বনাম চূড়ান্ত উপকারভোগীর’ মধ্যকার দ্বন্দ্ব। আমাদের অবশ্যই সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে কাজ করতে হবে, তা না হলে সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। তবে, এই সময়ে বিশেষ করে মহামারিকালে এ দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, সে বিষয়ে কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। ‘ধৈর্য’ মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে পারতো কিন্তু মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রক্রিয়া বা ‘আমলাতন্ত্র’— অর্থাৎ আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ।
১১ জুন ২০২১, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
প্রবাসীরা প্রতি ক্ষেত্রে শোষিত, নির্যাতিত ও অসম্মানিত
প্রবাসী কর্মীরা আমাদের জন্য ঈশপের রূপকথার সোনার ডিম পাড়া রাজহাঁসের মতো। আমাদের কোনো সহায়তা ছাড়াই এবং আমাদের কাছ থেকে অবিরত অপমানের শিকার হয়েও তারা এই কাজটি বছরের পর বছর করে যাচ্ছেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালে (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর) দেশের বাইরে থেকে আসা বাৎসরিক গড় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে তা বেড়ে গিয়ে ২১ দশমিক সাত বিলিয়নে পৌঁছায়। বিশ্বব্যাপী মহামারি, সার্বক্ষণিক চাকরি নিয়ে সমস্যা ও আর্থিক ক্ষতির মুখেও এ বছরের প্রথম চার মাসে (২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল) আমরা সাত দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছি। প্রবাসী কর্মীদের নিজ পরিবার ও দেশের প্রতি নিষ্ঠার কোনো তুলনা হয় না।
২৮ মে ২০২১, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞাপন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, যিনি নিজেকে সাহসী, কার্যকর এবং অত্যন্ত দক্ষ অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন, তার মানহানি করতে সরকার জনগণের অর্থ ব্যয় করছে (এটি করার অধিকার কি আছে?)—এমনটা অবশ্য সচরাচর ঘটে না। এটি মূলত তার কাজের মাধ্যমে বহু দুর্নীতির ঘটনা উন্মোচিত হয়েছিল বলেই। তার সব প্রতিবেদনেই বিশ্বাসযোগ্য তথ্য আছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক নথি, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের অভিযোগের চিঠি ও আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত সংস্থার অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। এসব প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিবেকবান কর্মকর্তারা বিশাল দুর্নীতির বিষয়ে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করে এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
২০ মে ২০২১, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন
কেন তিনি ৩ দিন কারাগারে থাকবেন
প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক। তাকে তার সহকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধা করেন এবং তিনি তার সাহসী ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলোর জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত। তাকে কেন আগামীকাল পর্যন্ত কারাগারে থাকতে হবে?
১৯ মে ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
আমাদের দেশেও এমন নির্বাচন হতো, এককালে
পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচন নিয়ে উদযাপন করার মতো তিনটি বিষয় রয়েছে, আর চিন্তিত হবার মতো একটি। উৎসব করার মতো কারণগুলো হলো: ক. মানুষ তাদের মত প্রকাশ করতে পেরেছে এবং সে পর্যন্ত গণতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করেছে। খ. ধর্মভিত্তিক রাজনীতি পরাভূত হয়েছে, কিন্তু সেটিও কোনোরকমে। গ. একজন নতুন নারী নেত্রীর আবির্ভাব ঘটেছে, যার একই সঙ্গে রয়েছে কারিশমা, মানসিক দৃঢ়তা, তীব্র প্রাণশক্তি, লড়াকু সত্ত্বা, নিজের প্রতি বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত সততা, যা একটি পুরো প্রজন্মের তরুণ নেতাদেরকে উদ্দীপিত করতে পারে, যারা ভারতকে এ যুগের ভ্রষ্ট রাজনীতি থেকে দূরে সরাতে পারে এবং একই সঙ্গে এ অঞ্চলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।
৭ মে ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
লকডাউন বিশৃঙ্খলা
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমাদের এবারের প্রস্তুতি আরও অনেক ভালো হবে বলে প্রত্যাশা ছিল।
১০ এপ্রিল ২০২১, ০১:২৫ অপরাহ্ন
অশনি সংকেত সরকারের জন্যে, আমাদের জন্যেও
হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক আন্দোলনের পেছনে লোক দেখানো কারণটি হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর। কিন্তু আসল কারণ হচ্ছে এটাই সবাইকে জানানো যে হেফাজতে ইসলাম এখন আর তাদের সাবেক প্রধান শাহ আহমেদ শফী এবং তার অনুসারীদের নিয়ে গঠিত সংগঠনটির মতো নেই, তারা এখন নতুন নেতৃত্বে একটি নব্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার চেষ্টা করছে এবং তা সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মীয় বিশ্বাসকে রক্ষার ছদ্মবেশে। সঙ্গে এটিও প্রতীয়মান হয়েছে যে সরকার হেফাজত তোষণের যে নীতি নিয়েছিল, তা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আপস ও ছাড় দেওয়ার অপরিণামদর্শী মনোভাব দেখিয়ে তাদেরকে এতটাই শক্তিশালী করা হয়েছে যে তারা এখন রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টায় নেমেছে। বর্তমান পরিস্থিতি এটাই প্রমাণ করে যে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতার দাপট ও অহংকারে অন্ধ হয়ে সকল অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক মিত্রদেরকে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
২ এপ্রিল ২০২১, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন
কারাবন্দির ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এখন মৃত্যুরও কারণ
লেখক, সচেতন নাগরিক, মধ্যপন্থী বিরোধী কণ্ঠস্বর এবং চলমান ঘটনার পর্যবেক্ষক ও সমালোচক মুশতাক আহমেদ এখন মৃত। ময়না তদন্তের পরে তার মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ধারণা পেয়েছি। কিন্তু, মৃত্যুর আসল কারণ আমরা ইতোমধ্যেই জানি- একটি নিষ্ঠুর ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যে কাউকে তুলে নেওয়া যায়, কারাবন্দি করা যায়, অস্পষ্ট ‘অপরাধে’র অগণিত অভিযোগ আনা যায় এবং মাসের পর মাস বিনা বিচারে, জামিন না দিয়ে, কোনো কারণ ব্যাখ্যা না করেই কারাগারে আটকে রাখা যায়। আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা আছে যার কারণে ব্যক্তি স্বাধীনতা এখন ক্ষমতাসীনদের খেলার পুতুলে পরিনত হয়েছে। এসব ঘটনার যেন প্রতিকার নেই।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
আল জাজিরার প্রতিবেদন, সরকারের প্রতিক্রিয়া এবং আমাদের সাংবাদিকতা
গত ১ ফেব্রুয়ারি কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরায় প্রচারিত ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন’ প্রতিবেদনটি আমাদের সরকার পরিচালনার কিছু দুর্বলতা প্রকাশ করেছে, যেখানে যোগ্যতা বিবেচনা না করে ব্যক্তিগত পছন্দ বা সম্পর্ককে প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগের প্রসঙ্গ এসেছে। সেই সঙ্গে প্রকাশ করেছে আমাদের গণমাধ্যম কতটা স্বাধীন, সেই বিষয়টিও।
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
গণতন্ত্রই সংশোধন করল গণতন্ত্রের ভুল
আমেরিকানরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করে। চার বছর পর তারা আবার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেই ট্রাম্পকে পরাজিত করে তাদের সেই বিপর্যয়কর ভুল সংশোধন করে। মাঝের সময়টাতে ভুলের জন্য তাদের ভুগতে হয়েছে। তবে তারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি আস্থা হারায়নি, নিয়ম ভাঙেনি। চার বছর অপেক্ষা করে গণতন্ত্রের মাধ্যমেই ভুলকে ‘ঠিক’ করেছে।
২২ জানুয়ারি ২০২১, ১২:১৯ অপরাহ্ন