এস্টারহুইজেনের ঝড়ে সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা
দুর্দান্ত এক ইনিংসে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়ে সিরিজ জয় এনে দিলেন অভিষিক্ত তরুণ তারকা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প উপহার দিলেন কনর এস্টারহুইজেন, যার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিল প্রোটিয়ারা।
ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের পঞ্চম ও নির্ধারণী ম্যাচে ৩৩ রানের জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এর ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে তারা, যেখানে একপর্যায়ে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল দলটি।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ১১ ওভারে ৭৬ রানে দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল দলটি। ঠিক তখনই ক্রিজে এসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এস্টারহুইজেন। মাত্র ৩৩ বলে ৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ২৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার, যেখানে ছিল ৪টি ছক্কা ও ৩টি চার। মাত্র ২৪ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।
ডিয়ান ফরেস্টারের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ২৭ বলে ৬১ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে শক্ত ভিত এনে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত দলটি চার উইকেটে ১৮৭ রান তোলে, যা ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরুতেই চাপে পড়ে। কাটেন ক্লার্ক দ্রুত ফিরে গেলে পরপর উইকেট হারিয়ে ১১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান করে কিউইরা। ডেন ক্লিভার, টিম রবিনসন ও নিক কেলি কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি।
অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া জেমস নিশাম শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও জয়ের আশা জাগাতে পারেননি। মাঝখানে বেভন জ্যাকবস ১৯ বলে ৩৬ রানের ছোট্ট ঝড় তুললেও সেটি যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৫৪ রানে থামে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের ভিত গড়ে দেন জেরাল্ড কোয়েটজি, উইয়ান মুল্ডার ও ওটনিল বার্টম্যান, প্রত্যেকে নেন দুইটি করে উইকেট।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের কাছে হারের পর এই সিরিজেও হতাশ হলো নিউজিল্যান্ড। তবে এপ্রিলেই বাংলাদেশ সফরে এসে সাদা বলের সিরিজ খেলবে কিউইরা।