‘নিজের দায়িত্বটা জানতাম’, রান তাড়ায় দলকে জিতিয়ে কোহলি
বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরও একবার নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন বিরাট কোহলি, খেললেন ম্যাচ জেতানো ইনিংস। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতার পর তিনি জানিয়েছেন, এই বিশাল লক্ষ্য তাড়া করার সময় তার মাথায় ঠিক কী পরিকল্পনা কাজ করছিল।
গুজরাট টাইটান্সের ২০৫ রান ৭ বল আগে পেরিয়ে ৫ উইকেটে জেতে বেঙ্গালুরু। দলের চাহিদা মিটিয়ে ৪৪ বলে খেলেন ৮১ রানের ইনিংস। কোহলি জানান, বড় লক্ষ্য তাড়া করার সময় শুরুতেই আক্রমণাত্মক হওয়া সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নয়, ‘সত্যি বলতে, শুরুতে আমাদের উইকেটটা একটু বুঝে নিতে হয়েছিল। কারণ একদিকে যেমন ওদের বোলিং আক্রমণ বেশ শক্তিশালী, তেমনি আমরা জানতাম বেঙ্গালুরুতে ২০০ রান তাড়া করার সময় স্রেফ একটি ভালো পার্টনারশিপই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।’
দেবদূত পাড়িকালের সঙ্গে ব্যাটিং করার সময় নিজের ভূমিকা নিয়ে কোহলি বেশ সচেতন ছিলেন। তিনি বলেন, ‘দেব (পাড়িকাল) প্রথম বল থেকেই দুর্দান্ত খেলছিল। ও যখন বোলারদের ওপর চড়াও হচ্ছিল, তখন আমার দায়িত্ব ছিল অন্য প্রান্ত আগলে রাখা। আমি চেষ্টা করছিলাম যাতে ও কোনো চাপ অনুভব না করে। আমার কাজ ছিল ঠিক সময়ে বাউন্ডারি মেরে রানের গতি বজায় রাখা।’
কোহলি আরও যোগ করেন যে, তাদের মধ্যকার সেই পার্টনারশিপই শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
উইকেটের সুবিধা নিয়ে কোহলি বলেন, ‘বোলারদের কাছ থেকে ফিডব্যাক ছিল যে পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। স্পিনারদের বল খুব একটা গ্রিপ করছিল না। তাই আমি জানতাম, একবার যদি থিতু হওয়া যায় এবং বোলারদের ওপর চড়াও হওয়া যায়, তবে রান তোলা সহজ হবে। আমাদের পরিকল্পনা ছিল স্পষ্ট—কোনো দ্বিধা না রেখে নিজেদের সহজাত খেলাটা খেলে যাওয়া।’
নিজের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি দলের ওপর আস্থার কথা জানিয়ে কোহলি বলেন, ‘আমাদের ব্যাটিং লাইনআপে টিম ডেভিড, রোমারিও এবং ক্রুনালের মতো ক্রিকেটার থাকায় আমরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস পাই। আমি জানতাম পেছনে অনেক বড় বড় হিটার আছে, তাই আমি নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে ইনিংসটি এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছি।'