টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের অবস্থান ধীরে ধীরে শক্ত করছে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং আপডেটে এক ধাপ এগিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে টাইগাররা, যা দলের ধারাবাহিক উন্নতিরই প্রতিফলন।
সবশেষ প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম সাতটি অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে এর পরেই এসেছে পরিবর্তন, শ্রীলঙ্কা ছয় পয়েন্ট হারিয়ে নেমে গেছে নবম স্থানে, আর সেই সুযোগে এক পয়েন্ট যোগ করে ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারত, যারা ২৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। খুব কাছেই রয়েছে ইংল্যান্ড, তাদের সংগ্রহ ২৬২ পয়েন্ট। তৃতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ২৫৮, ফলে শীর্ষ তিন দলের মধ্যে ব্যবধান খুব বেশি নয়।
গত দুই বছরে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে দারুণ আধিপত্য বিস্তার করেছে ভারত, ২০২৪ ও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও হারেনি তারা। নিউজিল্যান্ড (২৪৭), দক্ষিণ আফ্রিকা (২৪৪), পাকিস্তান (২৪০) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২৩৩) নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
আফগানিস্তান ২২০ পয়েন্ট নিয়ে খুব কাছেই রয়েছে, তারা দশম স্থানে। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড যথাক্রমে একাদশ ও দ্বাদশ স্থানে অপরিবর্তিত আছে। উত্তর আমেরিকার উদীয়মান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ছয় পয়েন্ট অর্জন করে দুই ধাপ এগিয়ে ত্রয়োদশ স্থানে উঠে এসেছে। তারা পেছনে ফেলেছে নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডকে। এছাড়া নামিবিয়া, নেপাল, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডার অবস্থানেও কিছুটা অদলবদল হয়েছে।
নতুন দল হিসেবে আলোচনায় এসেছে ইতালি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেকেই নেপালের বিপক্ষে ১০ উইকেটের দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে তারা তিন ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে।
র্যাঙ্কিং আপডেটের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের মে মাসের পর খেলা ম্যাচগুলোকে শতভাগ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, আর আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোকে ধরা হয়েছে অর্ধেক গুরুত্বে। একই সঙ্গে দলসংখ্যাও কিছুটা কমেছে। ফিজি, গাম্বিয়া, গ্রিস ও ইসরায়েল নির্ধারিত সংখ্যক ম্যাচ না খেলায় এবারের তালিকায় জায়গা পায়নি।