নাঈম-রসিংটনের টানা দ্বিতীয় ফিফটি, সিলেটকে উড়িয়ে দিল চট্টগ্রাম

By স্পোর্টস ডেস্ক

দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও অ্যাডাম রসিংটন পেলেন টানা দ্বিতীয় ফিফটির স্বাদ। এবার সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে শতরান পেরোনো উদ্বোধনী জুটি গড়লেন তারা। বোলারদের সম্মিলিত অবদানে পাওয়া সহজ লক্ষ্য তাদের ব্যাটে চড়ে অনায়াসে ছুঁয়ে ফেলল চট্টগ্রাম রয়্যালস।

রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বিপিএলের ম্যাচে স্বাগতিকদের উড়িয়ে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জিতেছে চট্টগ্রাম। চার ম্যাচে তৃতীয় জয়ে তারা অর্জন করেছে ৬ পয়েন্ট। এক ম্যাচ বেশি খেলে তৃতীয় হারের মুখ দেখা সিলেটের নামের পাশে রয়েছে ৪ পয়েন্ট।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পুরো ২০ ওভার খেলে ৭ উইকেটে ১২৬ রানের মামুলি পুঁজি পায় সিলেট। কেবল ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে মহাবিপাকে পড়া দলটির সংগ্রহ তিন অঙ্কে পৌঁছায় আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের কল্যাণে। তবে দুই ওপেনার ফের জ্বলে ওঠায় চট্টগ্রামের জয় পেতে কোনো বেগ হয়নি। স্রেফ ১ উইকেট খুইয়ে ২৪ বল হাতে রেখে তারা লক্ষ্য স্পর্শ করে।

naim and rossington
ছবি: চট্টগ্রাম রয়্যালস

নিলাম থেকে এবারের বিপিএলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় নাঈম খেলেন ৫২ রানের ইনিংস। ৩৭ বল মোকাবিলায় তিনি মারেন চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। ৩৩ বলে ফিফটি ছোঁয়া এই বাঁহাতি ব্যাটারের হাতে ওঠে ম্যাচসেরার পুরস্কার। ইংলিশ ব্যাটার রসিংটন অপরাজিত থাকেন ৭৩ রানে। ৫৩ বল খেলে তিনি হাঁকান আটটি চার ও দুটি ছক্কা।

রান তাড়ার শুরুতেই সিলেটকে লড়াই থেকে ছিটকে দেন নাঈম ও রসিংটন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তারা আনেন ৫২ রান। তাদের জুটি শতরান স্পর্শ করে ইনিংসের দ্বাদশ ওভারে। নাঈম অবশ্য শেষ করে আসতে পারেননি। ১৪তম ওভারে রাহাতুল ফেরদৌসের বলে ক্যাচ দেন খালেদ আহমেদের হাতে। ফলে উদ্বোধনী জুটি থামে ৮২ বলে ১১৫ রানে। আগের ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে অবিচ্ছিন্ন ১২৩ রান যোগ করেছিলেন নাঈম ও রসিংটন।

এর আগে চট্টগ্রামের বোলাররা ছিলেন বেশ আঁটসাঁট। পাশাপাশি নিয়মিত বিরতিতে উইকেট আদায় করতে থাকেন তারা। সেটার পাল্টা জবাব অজানা থাকায় সিলেটের ব্যাটাররা খুঁজে পাননি পথের দিশা। আফগান অলরাউন্ডার ওমরজাই সাতে নেমে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন। তার ৪১ বলের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা। আর কেউ বিশের ঘরে যেতে পারেননি।

চট্টগ্রামের পক্ষে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান অফ স্পিনে চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৮ রানে নেন ২ উইকেট। পাকিস্তানি মির্জা বেগ সমান সংখ্যক শিকার ধরেন ২৪ রান খরচায়। একটি করে উইকেট পান শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম ও পাকিস্তানি পেসার আমের জামাল।