টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬

স্যামসনের বিস্ফোরক ইনিংসে ভারতের আড়াইশ ছাড়ানো পুঁজি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

জোফরা আর্চারকে চার-ছয়ে শুরুর পর জীবন পেলেন সঞ্জু স্যামসন। এরপর তার ব্যাটে যেন চলল বিদ্যুৎ ঝলক। দ্যুতিময় শটের পসরায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের গ্যালারি উত্তাল করে তুললেন তিনি। সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে আউট হলেও তার ব্যাটে ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ভারত পেল বিশাল পুঁজি। 

বৃহস্পতিবার মুম্বাইতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করেছে ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউটে এটাই সর্বোচ্চ দলীয় পুঁজি। দলকে চূড়ায় নেয়ার দিনে ৪২ বলে ৮ চার, ৭ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৮৯ করেছেন স্যামসন। তিনে নেমে ১৮ বলে ৩৯ করে গেছেন ইশান কিশান। শিভম দুবে খেলেছেন 

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আর্চারকে লং অন দিয়ে চার মারার পর ফাইন লেগ দিয়ে ছক্কা উড়ান স্যামসন। ওই ওভারেই মিড অনে ক্যাচ দিয়ে হ্যারি ব্রুকের হাত থেকে বেঁচে যান তিনি। পরে পুলে বল পাঠান গ্যালারিতে। 

জেমি ওভারটনের ইয়র্কারকে রকেট গতিতে থার্ড ম্যান দিয়ে চার মারার পর উইল জ্যাকস, আদিল রশিদদেরও তুলোধুনো করতে থাকেন তিনি। কাভার ড্রাইভ, ইনসাইড আউট, লেট কাটের পসরা মেলে ধরেন সুপার এইটে অবিস্মরনীয় ইনিংস খেলে ভারতকে সেমিফাইনালে তোলার নায়ক।

পরের স্পেলে এসেও স্যামসনের হাতে মার খান আর্চার। আর্চারকে দুই ছক্কা মেরে তিন অঙ্কের কাছে গিয়ে জ্যাকসের ওয়াইড ডেলিভারিতে ক্যাচ উঠিয়ে বিদায় নেন কেরালার ব্যাটার। এর আগেই তার সঙ্গে যোগ দিয়ে স্পিন হিটের কাজ শুরু করেছিলেন দুবে। তিনি চালিয়ে যেতে থাকেন। সূর্যকুমার যাদবের ব্যর্থতার দিনে হার্দিক পান্ডিয়া (১২ বলে ২৭) স্লগ ওভারে নেমে রাখেন ভূমিকা। ৭ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে যান তিলক বর্মাও।