কোহলি আরেকবার ব্যর্থ হলেও সেঞ্চুরিয়নে জয় দেখছে ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক

সর্বশেষ ২৫ টেস্ট ধরে কেবল ৫ ফিফটি, এই সময়ে ব্যাটিং গড় ২৬.০৮। বিরাট কোহলির নামের সঙ্গে বেশ বেমানান। সেঞ্চুরিয়নে প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও থিতু হয়ে উইকেট ছুঁড়ে দিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। তবে রিশভ পান্ত, আজিঙ্কা রাহানেদের ছোট ছোট ইনিংসে কঠিন উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ঠিকই চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিতে পেরেছে ভারত। পরে পেসাররা ভারতকে রেখেছেন জয়ের দিকেই। 

বুধবার প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ম্যাচে এখনো দুই দলের দিকেই আছে সম্ভাবনা। তবে ম্যাচ স্পষ্টতই হেলে ভারতের দিকে।  ৩০৫ রানের লক্ষ্যে নেমে ৪ উইকেটে ৯৪ রান তুলে দিন শেষ করেছে প্রোটিয়ারা। ফিফটি করে অপরাজিত আছেন অধিনায়ক ডিন এলগার, ব্যাট করতে নামা বাকি টেম্বা বাভুমা, কুইন্টেন ডি ককদের।

শেষ দিনে বাকি ৬ উইকেট নিয়ে ২১১ রান করতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। পেস বান্ধব কন্ডিশনে জাসপ্রিট বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, মোহাম্মদ সিরাজ, শার্দুল ঠাকুরদের সামলে যা করা স্বাগতিকদের জন্য ভীষণ কঠিন।

প্রথম ইনিংসে ১৩০ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ১৬ রান নিয়ে দিন শুরু করে ভারত। চতুর্থ দিন নেমে নাইটওয়াচ ম্যান শার্দুল ১০ রানের বেশি করতে পারেননি। লোকেশ রাহুল থিতু হয়েছিলেন, তিনিও বেশিদূর এগুতে পারেননি।

অধিনায়ক কোহলি নেমেও থিতু হয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারত অধিনায়ক থেমেছেন বাজে শটে। মার্কো ইয়ানসেনের অনেক বাইরের বল তাড়া করে ১৮ রান করা কোহলি ধরা দেন উইকেটের পেছনে। এই নিয়ে সব সংস্করণ মিলিয়ে টানা ৬০ ইনিংস ধরে সেঞ্চুরি করতে পারেননি কোহলি।  প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ফেরা চেতশ্বর পূজারা দ্বিতীয় ইনিংসে থামেন দুই অঙ্কে গিয়ে।

আজিঙ্কা রাহানে ৪৮ রানের পর করেন ২০। তবে এসব ইনিংস শেষ পর্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতকে জুতসই পুঁজির দিকে ঠিকই নিয়ে যায়। কাজের কাজ অবশ্য করেছেন পান্ত। এই কিপার-ব্যাটসম্যান ওয়ানডে মেজাজে ৩৪ বলেই করেন ৩৪ রান। রবীচন্দ্রন অশ্বিনের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ১৪। ভারতের লিড ছাড়িয়ে যায় তিনশো।

দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতকে ১৭৪ রানে আটকে দিতে ৪ উইকেট করে নিয়েছেন ইয়ানসেন ও কাগিসো রাবাদা।

দারুণ বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া শামি দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই বোল্ড করে দেন এইডেন মার্কামকে। এলগার-কিগান পিটারসেন মিলে অবশ্য সামাল দিয়েছিলেন পরিস্থিতি। পিটারসেন থিতু হওয়ার পর শিকার হয়েছেন সিরাজের। দিনের শেষ দুই উইকেট তুলে নেন বুমরাহ। রাসি ফন ডার ডুসেন ও নাইটওয়াচম্যান কেশব মহারাজকে বোল্ড করে দেন তিনি।

উইকেটের যা অবস্থা, তাতে শেষ দিনের শেষ সেশন পর্যন্ত ম্যাচ যাওয়ার সম্ভাবনা আসলে কম।