যুব এশিয়া কাপে ভারতের কাছে হেরে বিদায় বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক

এইতো কদিন আগেই ভারতের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে তিন দলের টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তবে সেবার যুব দলের খেলোয়াড়দের ভেঙে দুটি দল গড়েছিল ভারত। সেই দুই দলের সমন্বয়ে গড়া ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কাছে এবার পেরে উঠল না বাংলাদেশের যুবারা। সেমি-ফাইনালে হেরে যুব এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিল দলটি।

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ১০৩ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৩ রান করে তারা। জবাবে ৭০ বল বাকি থাকতে ১৪০ রান করেই গুটিয়ে যায় যুবা টাইগাররা।

লক্ষ্য তাড়ায় ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। ফলে গড়ে ওঠেনি বলার মতো কোনো জুটি,  বড় ব্যবধানেই হার নিশ্চিত হয়ে যায় যুবাদের।

এক প্রান্তে অবশ্য কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন আরিফুল ইসলাম। ৪২ রানের ইনিংস খেলে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন তিনি। ৭৭ বলে ১টি চারের সাহায্যে এ রান করেন। এছাড়া মাহফিজুল ইসলাম, প্রান্তিক নওরোজ নাবিল ও শেষ দিকে আশিকুর রহমান ও রাকিবুল হাসান দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি।

ভারতীয় যুবা বোলারদের সবাই কম বেশি উইকেটে পেয়েছেন। রাজবর্ধন হাঙ্গারগেকার, রবি কুমার, রাজ বাওয়া ও ভিকি ওস্ট্যাল পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। এছাড়া নিশান্ত সিন্ধু ও কুশল টাম্বে পেয়েছেন ১টি করে।

এর আগে এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল ভারত। দলের ব্যাটাররা বড় কোনো জুটি গড়তে না পারলেও খুব একটা সমস্যা হয়নি দলটির। এক প্রান্তে দারুণ ব্যাটিং করে ভারতকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন শেখ রশিদ। ওপেনিং জুটি ভাঙার পর থেকে এক প্রান্ত আগলে রেখে ওপর প্রান্তের ব্যাটারদের দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন।

চতুর্থ উইকেটে ইয়াশ ধুলের সঙ্গে ৪১ ও পঞ্চম উইকেটে রাজ বাওয়ার সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়েন রশিদ। তবে নবম উইকেটে ভিকির সঙ্গে এ ব্যাটারের ৫০ রানের জুটিই ভারতকে বড় পুঁজি এনে দেয়।

১০৮ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন রশিদ। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ধুল ২৬ ও বাওয়া ২৩ রান করেন। শেষ দিকে ভিকি ১৮ বলে ২৮ রানের ও রাজবর্ধন ৭ বলে ১৬ রানের ক্যামিও খেলেন।

বাংলাদেশের পক্ষে ৪১ রানের খরচায় ৩টি উইকেট পান রাকিবুল হাসান।