সেই দুই রেফারিকে নিষিদ্ধ করল কনমেবল
রিপ্লেতে বিষয়টি স্পষ্ট ধরা পড়ে। সুপার ক্লাসিকোর ম্যাচে ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনহাকে ইচ্ছাকৃত আঘাত করেছিলেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি। কিন্তু তারপরও কোনো শাস্তি পেতে হয়নি তাকে। এমন বড় ভুল করায় সে ম্যাচের দুই রেফারি উরুগুয়ের রেফারি আন্দ্রেস কুনিয়া ভার্গাস ও ভিএআর সহকারী এস্তেবান অস্তোহিচকে নিষিদ্ধ করেছে ল্যাতিন আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল।
ল্যাতিন আমেরিকার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ব্রাজিল ও আর্জেন্তিনা ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তেজনা। শুধু দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ব জুড়ে। আর ম্যাচেও ঘটে নানা ঘটনা। আলোচনার বিষয়েরও কোনো কমতি থাকেনা। সবশেষ ম্যাচটিও আলোচিত হয়েছে নানা কারণে। তবে সব ছাপিয়ে যায় রেফারিদের বিস্ময়কর সিদ্ধান্তে।
গোলহীন সেই ম্যাচে দুই দলের আগ্রাসী মনোভাবই সব শিরোনাম কেড়ে নেয়। ৪২টি ফাউল করে দুই দল। তবে রাফিনহাকে করা ওতামেন্দির সেই ফাউলটি রেফারি এড়িয়ে গেলে ক্ষেপে যায় ব্রাজিল। ওতামেন্দির আঘাতে মুখ থেকে রক্ত বেরোতে শুরু করে লিডস তারকার। কিন্তু বিষয়টি রেফারির চোখ এড়িয়ে যায়। আশ্চর্যজনকভাবে ভিএআর দেখার পরও ওতামেন্দির কোনোরকম শাস্তি হয়নি। এরপর আন্দ্রেস কুনহার একটি মারাত্মক ফাউলও এড়িয়ে যান রেফারি।
পড়ে ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন ব্রাজিল কোচ তিতে। কোচের ক্ষোভে কনমেবলও নড়ে চড়ে বসে। শেষ পর্যন্ত সেই দুই রেফারিকেই নির্বাসিতই করে তারা। এক বিবৃতিতে কনমেবল জানিয়েছে, 'প্রধান রেফারি আন্দ্রেস কুনিয়া ভার্গাস এবং ভিএআরের দায়িত্বে থাকা এস্তেবান এস্তেবান অস্তোহিচের পারফরম্যান্স আমরা বিশ্লেষণ করেছি। বিচার বিবেচনা করার পর আমদের মনে হয়েছে দুইজনে খুবই সিরিয়াস এবং স্পষ্ট ভুল করেছেন।'
তবে সেই ম্যাচে নামার আগেই বিশ্বকাপ নিশ্চিত ছিল ব্রাজিল। আর জিতলেই বিশ্বকাপের টিকেট মিলত আর্জেন্টিনার। ম্যাচটি হয় ড্র। আলবিসেলিস্তাদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডটি আরও সমৃদ্ধ হয়। পরে অবশ্য চিলি নিজেদের ম্যাচে হারায় বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে যায় আর্জেন্টিনার।