সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের এপিএস ফোয়াদ আরও ২ দিনের রিমান্ডে
ফরিদপুরে ছোটন হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস এ এইচ এম ফোয়াদের আরও ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক হোসেন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ নিয়ে ২ দফায় ২ দিন করে ফোয়াদকে মোট ৪ দিনের রিমান্ডে দেওয়া হলো।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ফরিদপুর সদর থানার উপপরিদর্শক আব্দুল গফফার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ১২ অক্টোবর রাতে ফোয়াদকে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশ।
আব্দুল গফফার জানান, ২ দিনের রিমান্ড শেষে আজ বিকেলে ফোয়াদকে আদালতে হাজির করে আরও ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়।
তিনি বলেন, 'ছোটন হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ফোয়াদকে রিমান্ডে এনে গত ১০ বছর ধরে ফরিদপুরে তার নেতৃত্বে পরিচালিত যাবতীয় কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কাদের সহযোগিতা ও ছত্রছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন, কাদের জন্য করেছেন, কারা কীভাবে তার মাধ্যমে লাভবান হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
পুলিশ জানায়, ফোয়াদ মানি লন্ডারিং মামলাসহ মোট ৩টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে ঢাকার কাফরুল থানায় মানি লন্ডারিং মামলাসহ মোট ৮টি মামলা আছে।
ফরিদপুরের আলোচিত ২ ভাই শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে ঢাকায় সিআইডির করা ২ হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি ফোয়াদ।
ফোয়াদ সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস এ এইচ এম ফোয়াদ গত ১০ বছর ধরে ফরিদপুর শহরে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, পাসপোর্ট অফিস, বিআরটিএ অফিস, বিভিন্ন হাট-বাজার ইজারা, বালু মহল নিয়ন্ত্রণ, ভূমি দখল, বাসস্ট্যান্ড ও সিঅ্যান্ডবি ঘাট দখলসহ বিভিন্ন উপায়ে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে।