ইউপি নির্বাচন: কুষ্টিয়ায় আ. লীগ-জাসদ সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা
দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে জাসদ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে একতারপুর গ্রামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মন্টুর কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বারুইপাড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানের কর্মী-সমর্থকদের কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সূত্র জানিয়েছে, সংঘর্ষে উভয় দলের নেতা-কর্মীরা আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহত ব্যক্তিরা হলেন— সুজাত আলী, মিলন হোসেন, তাহাজ্জত আলী, ওমর ফারুক, চঞ্চল আহমেদ, রানা আলী, ছলিম মন্ডল, মারুফ হোসেন, নাসির উদ্দীন, রকি ও জিএম। এদের মধ্যে ওমর ফারুক ও চঞ্চল আহমেদকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা দুজন আওয়ামী লীগের সমর্থক। অন্যরা জাসদ সমর্থক।
সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের ১০ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মন্টু। তিনি জানান, স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।
জাসদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা করে। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের কর্মীরা প্রথমে জাসদের কবরবাড়ীয়া ও একতারপুর অফিস ভাঙচুর করে। প্রতিবাদ করায় তারা হামলা চালায়।
তিনি আরও জানান, উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তারা নির্বাচনী প্রচারণা পারছেন না বলেও জানান তিনি।
মিরপুর থানার ওসি আরও জানান, শতাধিক অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।