দখল ও দূষণ বন্ধের আহ্বান ধরার
নদী-খাল পুনরুদ্ধার বা পুনঃখননের আগে চলমান দখল ও দূষণ বন্ধ করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশবাদী নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর সদস্য সচিব শরীফ জামিল।
আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ধরা ও বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
নদীর অবনতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীবাশ্ম জ্বালানি বিস্তারের প্রতিবাদে আয়োজিত 'নদীতে প্রাণের কান্না: বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে দাঁড়াও' শীর্ষক ক্রস-কান্ট্রি হাইকিং অভিযানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
হাইকিং অভিযানে কুড়িগ্রামের রৌমারির ইটালুকান্দার ডিগ্রীর চর থেকে ভোলার চর কুকরি-মুকরি পর্যন্ত দীর্ঘ ৬৩০ কিলোমিটার পথ ১৮ দিনে হেঁটে পাড়ি দেন অভিযাত্রী মাসফিকুল হাসান টনি।
নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নদীর পাড় ধরে হাঁটতে গিয়ে নদীর পাড়ের মানুষের যেমন বৈচিত্রতা দেখেছি তেমন নদী ভাঙন, দূষণ এবং চরের ভয়াবহতা দেখে আঁতকে উঠেছি।’
ধরার সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকী বলেন, ‘এ অভিজ্ঞতা টনি যদি বই আকারে প্রকাশ করতে পারে তবে আমরা সবাই সমৃদ্ধ হবো।’
ধরার সদস্যসচিব শরীফ জামিল বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, নদীর উপর মানুষের অর্থনীতি ও জীবন-জীবিকা ভীষণভাবে নির্ভর করে, নদী ধ্বংস হলে বিপর্যস্ত হয় সংশ্লিষ্ট জনপদ। তাই আমরা চাই সরকার নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ করুক, জীবাশ্ম জ্বালানির বিস্তার বন্ধ করুক।’
আরও বক্তব্য রাখেন অভিযাত্রী ও বিএমটিসির প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক, এভারেস্টজয়ী ইকরামুল হাসান শাকিল, পিক সিক্সটি নাইনের স্বত্বাধিকারী হানিয়াম মারিয়া রাকা, চুনতি রক্ষায় আমরার সমন্বয়ক সানজিদা রহমান প্রমুখ।