ইরানের ১০ শর্তে কী আছে, সবগুলো মানবেন ট্রাম্প?

স্টার অনলাইন ডেস্ক

যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেটিকে ‘আলোচনার কার্যকর ভিত্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, বুধবার সেই ১০ দফা প্রস্তাবের রূপরেখা প্রকাশ করেছে ইরান। তবে প্রস্তাবটিতে এমন কিছু কঠোর দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের উত্থাপিত এই বিষয়গুলোর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইঙ্গিত দেওয়া প্রসঙ্গের কোনো মিল নেই। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সময় নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি এ মন্তব্য করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার ঠিক পরদিন সকালেই ইরান তাদের এই প্রস্তাবটি সামনে আনে। এতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের কর্তৃত্ব পুনর্নিশ্চিত করা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার বজায় রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের এসব দাবির অনেকগুলোই গত মাসে মার্কিন মধ্যস্থতাকারীদের পেশ করা ১৫ দফার প্রস্তাবের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

মার্কিন ওই প্রস্তাবটি কখনোই জনসমক্ষে আনা হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউইয়র্ক টাইমসকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

donald trump
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

এর আগের আলোচনাগুলোতেও মার্কিন মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সীমিত করা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন।

কী আছে ১০ দফা প্রস্তাবে— 

ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন না চালানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিশ্চয়তা

মার্কিন মধ্যস্থতাকারীদের আগের প্রস্তাবটি কেবল যুদ্ধবিরতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ইরান এখন দ্বন্দ্বের একটি স্থায়ী ও আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি চাইছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং ইরানের একজন সাবেক কূটনীতিকের মতে, এটি ইরানের অন্যতম প্রধান দাবি, যেটির ওপর তারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে।

হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা

বিষয়টি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পার হয়। ইরান এই পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বিশ্ব বাণিজ্য থমকে যায়। তাই যুক্তরাষ্ট্র বা প্রতিবেশী আরব দেশগুলো ইরানের এই কর্তৃত্ব মেনে নেবে, এমনটি মনে করা হচ্ছে না।

hormuz strait
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

লেবাননে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহসহ সব ফ্রন্টে আঞ্চলিক যুদ্ধের অবসান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চায়, তেহরান যেন তাদের মদদপুষ্ট ‘অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধ অক্ষের মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর ওপর লাগাম টানে। বর্তমান যুদ্ধে এই মিলিশিয়াদের অনেকেই ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় দেশ এবং ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

এদের মধ্যে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েল বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে এবং পরে দক্ষিণ লেবাননের কিছু অংশ দখলের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। ইসরায়েলের দাবি, বর্তমান যুদ্ধবিরতি লেবাননে তাদের অভিযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ফলে লেবানন ইস্যুটিকে দীর্ঘমেয়াদি কোনো চুক্তির আওতায় আনা যাবে কি না, তা এখনো এক বড় প্রশ্ন।

মধ্যপ্রাচ্যের সব ঘাঁটি ও অবস্থান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

উপসাগরীয় আরব দেশসমূহ, ইসরায়েল ও ইরাকজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এই দাবি মেনে নিতে  হবে, এমন কোনো পরিস্থিতির কথা চিন্তা করাও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বর্তমানে বেশ কঠিন।

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানের ক্ষতিপূরণ দাবি

চলমান যুদ্ধে ইরান ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে। কেবল সামরিক স্থাপনাই নয়, দেশটির ওষুধ ও ইস্পাত কারখানা, সেতু, বিশ্ববিদ্যালয় এবং জ্বালানি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোগুলোও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন, এমন কোনো ইঙ্গিত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

iran proposal

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে ইরানের এই দাবি সরাসরি সাংঘর্ষিক, কেননা তিনি আবারো ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধের দাবি তুলেছেন।

পরিস্থিতি শান্ত করতে কিছু আঞ্চলিক কূটনীতিক আমেরিকার দাবি কিছুটা নমনীয় করার চেষ্টা করছেন। তাদের পরামর্শ হলো, ইরান সক্রিয়ভাবে সমৃদ্ধকরণ না করে শুধু বেসামরিক কাজের জন্য খুব সামান্য বা নামমাত্র পরিমাণ সমৃদ্ধকরণে রাজি হতে পারে। তবে ওয়াশিংটন এতে সম্মত হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ইরানের ওপর থেকে সব সরাসরি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে আমেরিকা ইরানের ওপর নানা ধরনের সরাসরি নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে, যার ফলে দেশটির আর্থিক লেনদেনের ওপর সরাসরি বিধি-নিষেধ বলবৎ রয়েছে।

আগের বিভিন্ন আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীরা চেয়েছিলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিতে কিছু আপস করলে বিনিময়ে যেন আমেরিকা কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ট্রাম্প নিজেও গত বুধবার তার বক্তব্যে শুল্ক এবং নিষেধাজ্ঞা কমানোর বিষয়ে আভাস দিয়েছেন।

iran plant
একটি পাওয়ার প্ল্যান্টের সামনে উড়ছে ইরানের পতাকা। ছবি: এএফপি

ইরানের ওপর থেকে সব পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

যুক্তরাষ্ট্র শুধু নিজেই ইরানের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ রাখে না, বরং যেসব দেশ বা বিদেশি কোম্পানি ইরানের সঙ্গে লেনদেন করে তাদের ওপরও তারা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে। আগের পয়েন্টের মতোই ইরান আলোচনার টেবিলে কী সুবিধা দিচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে এই শর্ত নিয়েও একটি রফা হতে পারে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা ইরানের বিরুদ্ধে যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, তা বাতিল করা

গত জুনে ২০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থা ইরানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে। তাদের অভিযোগ ছিল, ইরান পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে না।

ইরান এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক চাল হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানায়। ওয়াশিংটন চাইলেই আইএইএর ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে না, তবে ইরানের সঙ্গে বড় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর স্বার্থে তারা মিত্র দেশগুলোকে এই প্রস্তাব প্রত্যাহারের জন্য রাজি করাতে পারে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের বিরুদ্ধে থাকা সব প্রস্তাব বাতিল করা

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক প্রস্তাব পাস হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে জাতিসংঘ ইরানের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা দেয়। সংস্থাটির মতে, ২০১৫ সালে পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সীমিত রাখার যে চুক্তি হয়েছিল, ইরান তা মানছে না।

আমেরিকা তার বন্ধু দেশগুলোকে এসব প্রস্তাব তুলে নেওয়ার ব্যাপারে রাজি করানোর চেষ্টা করতে পারে। তবে এটি করতে হলে ইরানের সঙ্গে একটি বড় ধরনের সমঝোতায় পৌঁছানো জরুরি।

iran mural
হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত একটি বিলবোর্ডের সামনে ইরানিরা। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্র কি এই ১০ দফা প্রস্তাবে একমত হবে?

প্রায় এক বছর আগে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও ইরানের মধ্যে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই উভয় পক্ষের দাবির মধ্যকার বিশাল ব্যবধান এবং ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা যেকোনো স্থায়ী চুক্তির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার বিষয়ে ইরানের দাবির বিষয়টিকে বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার আগে এই প্রণালির ওপর ইরানের কোনো একক নিয়ন্ত্রণ ছিল না।

ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস মারফি ইরানের এই প্রস্তাব নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সিএনএনকে তিনি বলেন, এসবের কতটা সত্য তা কে জানে; তবে এই চুক্তি যদি ইরানকে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের অধিকার দেয়, তবে তা বিশ্বের জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে।

যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি করার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এই সময়সীমা না মানলে ইরানের ‘পুরো সভ্যতা’ ধ্বংসের হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।

যুদ্ধবিরতির পর গতকাল বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, তেহরান যদি ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া ‘চুক্তি’ পুরোপুরি মানতে ব্যর্থ হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা শুরু করবে।

তিনি এও লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ, উড়োজাহাজ, সামরিক সদস্য, অতিরিক্ত গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্র ইরানের ভেতরে ও আশপাশে অবস্থান করবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত চুক্তি পুরোপুরি মানা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, ইরানের এই কঠোর শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে এই প্রস্তাবের দফাগুলোই সম্ভবত আগামী দিনের আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

lebanon
লেবাননে ইসরায়েলের হামলার পরের দৃশ্য। ছবি: এএফপি

ইসরায়েল কি এই চুক্তির অংশ?

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে যে, ইরানের ওপর হামলা দুই সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখার মার্কিন সিদ্ধান্তকে ইসরায়েল সমর্থন করে। তবে এই যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়। অথচ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এর আগে দাবি করেছিলেন, সম্মত হওয়া এই যুদ্ধবিরতি ‘লেবাননসহ সব স্থানের’ জন্যই প্রযোজ্য।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় আরও বলেছে, তেহরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে। ইরান যেন আর পারমাণবিক, ক্ষেপণাস্ত্র বা ‘সন্ত্রাসী’ হুমকি হয়ে না দাঁড়াতে পারে, সে লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকেও ইসরায়েল সমর্থন জানিয়েছে।

লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তেহরানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট হামলা শুরু করলে লেবানন এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

সবশেষ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর লেবাননে হামলা চালিয়ে কয়েকশ মানুষ হত্যা করে ইসরায়েল। তাদের দাবি, তারা হিজবুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে  হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী। 

pakistan
পাকিস্তানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ছবি: এএফপি


এরপর কী?

যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতায় সহায়তাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান যে, তিনি আগামী শুক্রবার ইসলামাবাদে বৈঠকের জন্য ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

তেহরান এই আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা জানালেও হোয়াইট হাউস বলছে, তারা সরাসরি বৈঠকের বিষয়টি বিবেচনা করছে, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কয়েকশ মানুষ নিহত হওয়ার পর ইরান বুধবার বলে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তিচুক্তির আলোচনা এগোনোটা হবে ‘অযৌক্তিক’।