পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬

গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গেল জোড়াফুল, বঙ্গ হবে ‘রামরাজ্য’?

স্টার অনলাইন ডেস্ক

বাতাসে উড়ছে গেরুয়া আবির। ভাসছে ঢোল-করতালের আওয়াজ। আনন্দ-উচ্ছ্বাসে রাস্তার ওপর একসঙ্গে নাচছেন নারী-পুরুষ—এমন দৃশ্য ছিল আর সব বিজয়ীদের মতো পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি-সমর্থকদের।

২০২৬ সালের ৪ মে। অনেকের মতে, এই দিনটি বিজেপির ইতিহাসে ‘দিবাকরের’ মতো জ্বল জ্বল করবে। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘বাঁক বদলের’ সাক্ষী হয়ে থাকবে দিনটি।

এই মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য ২০১৪ সাল থেকে ভারত শাসনকারী কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে এক এক করে ৭৫টি বছর।

আতশবাজি পুড়িয়ে বিজেপি ভক্তদের উল্লাস। ছবি: রয়টার্স

তবে ভোটার তালিকা থেকে লাখো মানুষের নাম বাদ দেওয়া এই নির্বাচন দেশটির ইতিহাসে ‘কলঙ্ক চিহ্ন’ হয়ে যায় কিনা তাও দেখার বিষয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো নানাভাবে প্রকাশ করছিল পশ্চিমবঙ্গের বহুল আলোচিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীদের বেসরকারিভাবে এগিয়ে থাকার খবরে উদ্বেলিত ছিল বিজেপির সমর্থককুল।

এমন ‘ইতিহাস সৃষ্টিকারী’ দিনে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কলকাতার ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তার ভাস্কর্যে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

‘বাংলার বাঘ’ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের ছেলে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় মুসলিমপ্রধান অবিভক্ত বঙ্গ ভেঙে সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য পৃথক পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সৃষ্টিতে অবদান রাখেন।

শুধু তাই নয়, এই রাজনীতিক ১৯৫১ সালে দিল্লিতে যে ভারতীয় জনসংঘ গড়েছিলেন সেই রাজনৈতিক দল ১৯৭৭ সালে জনতা পার্টি ও ১৯৮০ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) পরিণত হয়।

সেই শ্যামাপ্রসাদের ‘শ্যামল বাংলায়’ উঠল গেরুয়া ‘ঝড়’। বিজেপির বিজয়ে উড়ে গেল ১৫ বছর ধরে রাজ্য-ক্ষমতায় থাকা তৃণমূলের সবুজ ‘জোড়াফুল’। আর সেই মাটিতে ফুটলো উগ্র হিন্দুত্ববাদের প্রতীক ‘পদ্ম’।

অর্থাৎ, শ্যামাপ্রসাদের সহায়তায় সৃষ্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হিন্দুত্ববাদকে প্রত্যাখ্যান করে এসেছিল প্রায় ৭৫ বছর। এই দীর্ঘ সময় অসাম্প্রদায়িকতার ঝাণ্ডা উঁচিয়ে রেখে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ।

হিন্দুত্ববাদী বিজেপির গেরুয়া ঝড় ‘মুছে’ দিলো পশ্চিমবঙ্গের দীর্ঘদিনের সাম্যবাদী চেহারা। নতুন অধ্যায় শুরু হলো নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর রাজ্যে।

আনন্দবাজার আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিজেপির কোটি কোটি কর্মী-সমর্থকদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা শান্তি পেল।’

এ কথা সবাই জানেন, ‘বঙ্গ বিজয়ে’ মরিয়া হয়ে উঠেছিল বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তারা রাষ্ট্রক্ষমতা ও রাষ্ট্রযন্ত্রের সব শক্তি নিজেদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছিল। তারা রাজ্যের প্রায় ৭০ শতাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একত্রিত হয়ে ‘মুসলিমপন্থি’ তৃণমূলকে হঠানোর আহ্বান জানিয়েছিল।

তাদের সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসী। তারা আস্থা রেখেছে বিজেপির ওপর।

বঙ্গে ‘রামরাজ্য’?

এক সময় বঙ্গে ছিল ‘বামরাজ্য’। সেই খ্যাতি পশ্চিমবঙ্গ ধরে রেখেছিল টানা ৩৪ বছর। এরপর সেই বাম-দুর্গে হানা দেয় অসাম্প্রদায়িক দল তৃণমূল। টানা ১৫ বছর রাজ্য শাসন করে তারা।

বিজেপি ঝড়ে উড়ে গেছে তৃণমূল। ছবি: রয়টার্স
বিজেপি ভক্তদের উল্লাস। ছবি: রয়টার্স

এবার শত জল্পনার অবসান দেখলো পশ্চিমবঙ্গ, তথা ভারতবাসী। তাদের সঙ্গে বিশ্ববাসীও দেখলো ‘ঐতিহাসিক’ রাজ্যটির রঙ বদলিয়ে সবুজ থেকে পূর্ণ গৈরিক হয়ে যাওয়ার ‘স্মরণীয়’ দৃশ্যপট।

এককালের ‘বামরাজ্য’ বদলে ‘রামরাজ্য’ হয়ে গেল। ঢুকে গেল উত্তর ভারতের ‘গো-বলয়ে’।

উদারপন্থি মানুষের কাছে এ এক বিড়ম্বনা বটে।

আনন্দবাজার পত্রিকা কালো পটভূমিতে সাদা হরফে লিখলো ‘দুর্গের পতন’, জুড়ে দিলো তৃণমূল-নেত্রী ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মলিন মুখ-ছবি। পরে সেই ছবিটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

নিউজ বাংলা এইটটিন লিখলো—‘রাজ্যে গেরুয়া ঝড়! পরিবর্তনের পক্ষেই রায় বঙ্গবাসী।’

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলার শিরোনাম ছিল: ‘শ্যামাপ্রসাদের বাংলা, এই প্রথম বিজেপি, স্বপ্নপূরণ মোদি-শাহের।’

এসব সংবাদের ভেতর এই খবরও ছাপলো সংবাদমাধ্যমগুলো—‘পশ্চিমবঙ্গে রামরাজ্য প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে’। এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের সুকান্ত মজুমদার।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা জানায়—সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে “রামরাজ্য” প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে।’

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়—রাজ্যে বিজেপির প্রধানমুখ শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ‘বাংলার সমস্ত হিন্দুরা আজ একজোট হয়েছেন। তারা নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’

আনন্দবাজার-এর অপর এক প্রতিবেদনে বলা হয়—‘রাজনৈতিক সন্ন্যাস হয়ে গেল মমতার’! ভবানীপুরে জিতে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ‘এই জয় হিন্দুত্বের’।

এতে আরও বলা হয়, ‘সমর্থকদের উল্লাস আর মিষ্টিমুখের মধ্যে বিজয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বললেন, “আমাকে জিতিয়েছেন ভবানীপুরের হিন্দু, জৈন, শিখ সমাজ। আমি তাদের প্রণাম জানাই।’

তিনি ঘুণাক্ষরে একবারও মুসলিমদের নাম মুখে আনলেন না। যদিও সেই বিধানসভা আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলমান থাকেন। বিজয়ের দিনেও বিজেপি ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ উসকে দিতে ভুললো না।

‘অশান্তির অভিযোগ’

রাজ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলমান সত্ত্বেও বিজেপির ‘অহংকার’—তাদের মুসলিম ভোটের ‘প্রয়োজন’ নেই। তারা পশ্চিমবঙ্গে কোনো মুসলিম প্রার্থীও দেয়নি।

বিজেপি শুরু থেকেই মুসলমানদের ‘খারিজ’ করে এসেছে। নির্বাচনে সাফল্য পাওয়ার পর দলটি রাজ্যের ৩০ শতাংশ মানুষ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় আবারও তাদেরকে ‘ত্যাগ’ করলো।

একটি রাজ্যের এমন বিশাল অংশকে ‘অন্ধকারে’ রেখে বিজেপি কীভাবে ‘সোনার বাংলা’ গড়বে তাই ভাবাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

বিজেপি ঝড়ে উড়ে গেছে তৃণমূল। ছবি: রয়টার্স
বিজেপি ঝড়ে উড়ে গেছে তৃণমূল। ছবি: রয়টার্স

তবে ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা শ্যামল বাংলাকে ‘সোনার বাংলা’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন একজন শীর্ষ কেন্দ্রীয় কর্মকর্তার মুখে উচ্চারিত ‘রামরাজ্য’ কোনো বিশেষ বার্তা বহন করছে কিনা তা দিন গড়ালেই দেখা যাবে।

ধর্মনিরপেক্ষ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে। বিজয়ের লক্ষণ সুস্পষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাঙালির ধুতি-পাঞ্জাবির সাজে ‘বদলা নয়, বদল’-এর ডাক দিয়েছেন। এমন সংবাদ সব মাধ্যমেই গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়েছে।

অথচ, পশ্চিমবঙ্গে বহুল প্রচারিত বর্তমান পত্রিকা জানায়—‘ভোটের ফল বেরোতেই দিকে দিকে অশান্তির অভিযোগ’। বলা হয়, ‘রাজ্যে ভোট গণনা যত এগিয়েছে ততই বেড়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর, দখল, মারধরের অভিযোগ।’

বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের তথ্য দেয় দৈনিকটি।

আনন্দবাজার আরও লিখে—‘ভোটার তালিকা সংশোধনের হয়রানির নিচে মমতা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন ১৫ বছরের প্রতিষ্ঠানবিরোধী ক্ষোভ! জনতা মানলো না।’

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, মমতা গতবারের মতো এবারও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন। গতবার মমতা হেরেছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে। এবার তিনি হেরেছেন নিজের ‘ঘরে’ কলকাতার ভবানীপুরে। জনতার ক্ষোভ যেন আছড়ে পড়লো মমতা ও তৃণমূলের ওপর।

তবে বিজেপি যে ‘রামরাজ্য’ বা ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখছে তা বাস্তবায়নের দায় বর্তালো বিজেপির ওপরই।

রাজ্য বিজেপির এমন ‘উগ্র’ আচরণে কতটা ‘পরিবর্তন’ দেখবে পশ্চিমবঙ্গ, তথা ভারতবাসীর সঙ্গে বিশ্ববাসী এখন তাই দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আবারও ‘অনুপ্রবেশকারী’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে কয়েক বছর ধরে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তথা ‘বাংলাদেশি’ ও ‘রোহিঙ্গা’ প্রসঙ্গটি বেশ আলোচিত। এবারের নির্বাচনে এই ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ দেশছাড়া করতে জোর প্রচারণা চালিয়েছিল বিজেপি।

বিজেপির অবাঙ্গালি নেতারা অর্থাৎ, দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে অন্যান্য রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে ‘ঘুসপেটিয়া’ তাড়ানোর কথা বলেছেন।

শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘নিজের হাতে’ আইন তুলে নেওয়ার দাম্ভিকতাও প্রকাশ করেছিলেন।

অমিত শাহ ‘ঘুসপেটিয়াদের উল্টো করে লটকানো’ হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। নির্বাচনে জেতার লক্ষণ দেখেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও টানলেন ‘অনুপ্রবেশকারী’ প্রসঙ্গ।

আনন্দবাজার লিখলো: অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গবাসীকে ‘কোটি কোটি প্রণাম’ জানিয়ে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এই বিপুল জনাদেশ, ভয়, তোষণ ও অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ‘অনুপ্রবেশকারী’ দীর্ঘ দিনের সমস্যা। তৎকালীন বামফ্রন্টের সরকার ‘বাংলাদেশিদের’ নাম ভোটার তালিকায় তুলে তাদের ভোটে নির্বাচিত হচ্ছে বলে এক সময় অভিযোগ করতেন তৃণমূলনেত্রী ও রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবার সেই একই শূলে বিঁধলেন তিনি।

‘It is the sprawling machinery itself which drives the juggernaut of the BJP-dominant system’‘It is the sprawling machinery itself which drives the juggernaut of the BJP-dominant system’

পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড়। ছবি: এএফপি
পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড়। ছবি: এএফপি

অথচ, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে এবার ভোটের অল্পদিন আগে ‘বিশেষ কায়দায়’ ভোটার তালিকা সংশোধন করার সময় কোনো ‘বাংলাদেশি’ বা ‘রোহিঙ্গা’র দেখা পাওয়া যায়নি বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিনিয়ত জানিয়েছে।

তবুও ‘ঘুসপেটিয়া’, ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ও ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী’ শব্দ ও শব্দগুচ্ছগুলো পশ্চিমবঙ্গের এবারের বিধানসভা নির্বাচনে যেন ‘টনিকের’ কাজ করেছে।

তাই বিজয়-বাণীতেও অমিত শাহ ‘অনুপ্রবেশকারী’ প্রসঙ্গটি তুলতে ভুলেননি।

এবারের বিজয়ের মাধ্যমে বিজেপির ‘অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ’ বা বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যা বিজয়ের স্বপ্ন পূর্ণ হলো।

পশ্চিম সীমান্ত থেকে পুব সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তীর্ণ ভারতবর্ষ কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলটির ‘করতলে’ আসলো। তবে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় এই বিজয় রাজ্য পরিচালনায় বিজেপিকে কতটা সফল করে তা ভবিষ্যৎ-ই বলবে।